শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কাউকে শত্রু বানাতে চাননি, সবাইকে সাথে নিয়েই এগিয়ে গেছেন তিনি। আমরা ভারত-পাকিস্তান কোনো বলয়ে যেতে চাই না। নিজেদের একটি বলয়ে থাকতে চাই।বলেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পিআইবি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে একটি দলকে সবাই ভোট দিয়েছিল, সেটা ওই দলের জন্য নয়, মানুষের আকাঙ্ক্ষার জন্য। মানুষ তখন পাকিস্তান থেকে বের হয়ে আসতে চেয়েছিল। যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সবচেয়ে বড় যে কাজটি করেছিলেন, তা হলো বাংলাদেশের এ ভূখণ্ডের মানুষকে একটি পরিচিতি দিয়েছিলেন। আমরা আলাদা, আমাদের অস্তিত্ব সম্পূর্ণ ভিন্ন। যেটা আমরা বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের মধ্যে দেখি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এবার আমাদের নির্বাচনে বিভিন্ন মিডিয়ায় একটি হাইপ তোলা হয়েছিল যে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় চলে যাচ্ছে। তারা সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে জয়লাভ করছে। আমাকেও পরাজিত করে দেওয়া হয়েছিল। অথচ মানুষ কিন্তু ভুল করেনি। সবাই তাদের ভোটে বিএনপিকে নির্বাচিত করেছে। কিন্তু কেন? কারণ বিএনপি একটি প্রধান গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করে। বিএনপি একটি উদার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। আমরা এ উদার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমরা কোনো বিভাজন সৃষ্টি করতে চাই না।
অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ভারত-চীন থেকে আমদানি করা যাবে না, আমেরিকায় রফতানি করা যাবে না, এমন ভাবনা করলে আমাদের সরকারকে চিন্তিত হতে হবে। এসব বিষয় আমরা একত্রে মোকাবিলা করতে বাধ্য। সম্ভবত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের আগের বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, কূটনীতি, অর্থনীতি এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থার কাঠামো থেকে বের হয়ে বহুদলীয় শাসনব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্যতা, মুসলিম বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং সর্বশেষ বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতকে সঙ্গে নিয়ে সার্ক গঠন করেছিলেন। দ্বিপক্ষীয় সমস্যাকে আঞ্চলিক বহুমাত্রিক সমস্যার মধ্যে রূপান্তরিত করেছিলেন। এ সব কিছুর নায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— অর্থনীতিবিদ ড. মুশতাক খান, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পিস এন্ড সিকিউরিটি স্ট্যাডিজ এর সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এএনএম মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ ডিফেন্স জার্নাল এর সম্পাদক আবু রূশদ ও ব্রেইন এর নির্বাহী পরিচালক ড. শফিকুর রহমান।
ভারত-পাকিস্তান কোনো বলয়ে যেতে চাই না: মির্জা ফখরুল
ভারত-পাকিস্তান কোনো বলয়ে যেতে চাই না: মির্জা ফখরুল
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কাউকে শত্রু বানাতে চাননি, সবাইকে সাথে নিয়েই এগিয়ে গেছেন তিনি। আমরা ভারত-পাকিস্তান কোনো বলয়ে যেতে চাই না। নিজেদের একটি বলয়ে থাকতে চাই।বলেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পিআইবি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে একটি দলকে সবাই ভোট দিয়েছিল, সেটা ওই দলের জন্য নয়, মানুষের আকাঙ্ক্ষার জন্য। মানুষ তখন পাকিস্তান থেকে বের হয়ে আসতে চেয়েছিল। যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সবচেয়ে বড় যে কাজটি করেছিলেন,
তা হলো বাংলাদেশের এ ভূখণ্ডের মানুষকে একটি পরিচিতি দিয়েছিলেন। আমরা আলাদা, আমাদের অস্তিত্ব সম্পূর্ণ ভিন্ন। যেটা আমরা বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের মধ্যে দেখি। বিএনপি মহাসচিব বলেন, এবার আমাদের নির্বাচনে বিভিন্ন মিডিয়ায় একটি হাইপ তোলা হয়েছিল যে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় চলে যাচ্ছে। তারা সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে জয়লাভ করছে। আমাকেও পরাজিত করে দেওয়া হয়েছিল। অথচ মানুষ কিন্তু ভুল করেনি। সবাই তাদের ভোটে বিএনপিকে নির্বাচিত করেছে। কিন্তু কেন? কারণ বিএনপি একটি প্রধান গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করে। বিএনপি একটি উদার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। আমরা এ উদার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমরা কোনো বিভাজন সৃষ্টি করতে চাই না। অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ভারত-চীন থেকে আমদানি করা যাবে না, আমেরিকায় রফতানি করা যাবে না, এমন ভাবনা
করলে আমাদের সরকারকে চিন্তিত হতে হবে। এসব বিষয় আমরা একত্রে মোকাবিলা করতে বাধ্য। সম্ভবত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের আগের বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, কূটনীতি, অর্থনীতি এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থার কাঠামো থেকে বের হয়ে বহুদলীয় শাসনব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্যতা, মুসলিম বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং সর্বশেষ বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতকে সঙ্গে নিয়ে সার্ক গঠন করেছিলেন। দ্বিপক্ষীয় সমস্যাকে আঞ্চলিক বহুমাত্রিক সমস্যার মধ্যে রূপান্তরিত করেছিলেন। এ সব কিছুর নায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— অর্থনীতিবিদ ড. মুশতাক খান, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পিস এন্ড সিকিউরিটি স্ট্যাডিজ এর সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এএনএম মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ ডিফেন্স জার্নাল এর সম্পাদক আবু রূশদ ও ব্রেইন এর নির্বাহী পরিচালক ড. শফিকুর রহমান।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত