খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার তেতুলতলা দশগেট সংলগ্ন এলাকায় লবনচরা থানার আওতাধীন ভৈরব নদীতে থাকা বালু কাঁটা ড্রেজার শুক্রবার ১২ সেপ্টেম্বর আনুমানিক দুপুর ০৩ টায় নৌকা ট্রলার মাঝিসহ তিন জন মিলে ড্রেজারের রশি কেটে দ্রুত খান জাহানআলী রূপসা ব্রিজ সংলগ্ন নদীর তীরে নিয়ে আসছে।
ড্রেজারের মালিক মোঃ মনিরুল গাজী ড্রেজার নিয়ে যাওয়ার হুকুমদাতা মোঃ রেজাউল শেখ ট্রলারে থাকা দেশিও দা ও মেশিন খোলার জন্য রেঞ্জসহ সরঞ্জাম পাওয়া যায়।
এমনই অবস্থায় ড্রেজার কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষের কাছে জানতে পারে কেবা কাহারা তাদের ড্রেজার নিয়ে যাচ্ছেন এমনই অবস্থায় দ্রুত খানজাহান আলী রূপসা ব্রীজ সংলগ্নে এসে ট্রলার উদ্ধার করেন।
ড্রেজার কর্তৃপক্ষ লবণচড়া থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানোর পরে পুলিশ ঘটনার স্থলে এসে ড্রেজারে থাকা তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য থানায় নিয়ে আসেন। গতকাল রাতে তিন জন কে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের পর মোঃ রেজাউল শেখ এর জামিনে থানা পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
ড্রেজার নিয়ে আসার ঘটনাটি মোঃ রেজাউল শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন। গত ২১ সাল থেকে আব্দুল্লাহ্ লোড ড্রেজার থেকে বালু ত্রয়ের লেনদেন করেন মোঃ মনির গাজী সেই সুবাদে এই পর্যন্ত তার কাছে সর্বমোট পাওনা ২২ লক্ষ ৭২ হাজার ৩ শত ৯৫ টাকা লেনদেনের রয়েছে মোঃ মনির গাজী কাছে টাকা পরিশোধের কথা বারবার বলা হয়।
পাওনা টাকা চাইতে গেলে মনির গাজী স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে টাকা না দেয়ার হুমকি প্রদর্শন করে আসছেন। আমার অফিস কক্ষে কতিপয় সন্ত্রাসী প্রকৃতির ৫ থেকে ৬ জন এসে আমাকে হুমকি-ধমকি দেয় এবং আমাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালি-গালাজ করতে থাকে তখন আমি তাদেরকে প্রতিবাদ করতে চাইলে তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে এলো-পাথাড়ি ভাবে চড়. লাথি. ঘুসি মারে এ অবস্থায় আশপাশের ব্যবসায়ীরা এগিয়ে আসলে পর মুহূর্তে আমাকে তারা শাসিয়ে বলে যায় পুনরায় মোঃ মনির গাজী কাছে কোন টাকা-পয়সা চাইবি না তাহলে তোকে মেরে ফেলা হবে।
উক্ত টাকা ও হামলার ব্যাপারে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার মীমাংসার করার চেষ্টা করেন মীমাংসার করার পরবর্তীতে মোঃ মনির গাজীর রানা রনি নামক বালুর বেডে থাকা মালিকানাধীন দুইটি স্কেভেটর এবং বালি আনলোড ড্রেজার আমার কাছে রয়েছে আমি যতদিন টাকা দিতে না পারব স্কেভেটর ও বালু আনলোড করা ড্রেজার তোমার আব্দুল্লাহ্ লোড ড্রেজারের কাছে হস্তান্তর করব টাকা পয়সা লেনদেন পরিশোধ হয়ে গেলে আমার মাল আমাকে ফেরত দিয়ে দিবা।
মোঃ মনির গাজী আমাকে তার মালামাল না দিয়ে রাতের আধারে দুইটি স্কেভেটর বিক্রয় করে দিয়েছেন। পর মুহূর্তে আমি জানতে পারলে মোঃ মনির গাজী খুলনা থেকে উধাও হয়ে যায় খোঁজাখুঁজির পরে তাকে মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগের জন্য চেষ্টা করল সে আমার ফোন ধরছে না।
এমনই অবস্থায় গতকাল শুক্রবার মোঃ মনির গাজী তার ড্রেজারটি গোপনে বিক্রয় করে দেওয়ার পাঁয়ে তারা চালাচ্ছিলেন ঘটনাটি জানার সাথে সাথে আমি তিন জন কাজের লোক ঠিক করে ড্রেজার আনার চেষ্টা করি কিন্তু খানজাহান আলী রূপসা ব্রিজ সংলগ্ন নদীর তীরে নিয়ে আসার সাথে সাথে মোঃ মনির গাজী স্থানীয় সাধারণ মানুষের কাছে জানতে পারে কেবা কাহারা তার ড্রেজার নিয়ে গেছেন সেই মুহূর্তে মোঃ মনির গাজীর তার ভাই ব্রাদার আত্মীয়-স্বজন এসে ড্রেজারটি জোরজবস্তি করে নিয়ে যায়।
আমি তখন আমার অফিসে ছিলাম না আমার মেয়ে খুবই অসুস্থ তাই তাকে দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। ড্রেজারটি নিয়ে দক্ষিণ লবণচরা মাথাভাঙ্গা খালের ভিতরে রাখা হয়েছে থানা পুলিশের হেফাজতে উক্ত ড্রেজার আনার কারণে আমি মোঃ রেজাউল শেখ আমাকে সহ তিন জন কাজের লেবারকে চোর সাব্যস্ত করেছেন।
মোঃ মনিরুল গাজীর লোকজন আমার ট্রলারে থাকা ইস্কুবিঠার ডলারের মেশিনের যন্ত্রপাতিসহ প্রায় আনুমানিক ১০ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনাটি থানা পুলিশ অবগত আছেন এ প্রসঙ্গে আমি গত ইংরেজি ০৯-০৯-২০২৫ তারিখ মোতাবে ক লবণচরা থানায় হাজির হয়ে মোঃ মনির গাজীর নামে একটি অভিযোগ দায়ের করি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
খুলনার মাথাভাঙ্গায় মনিরুলের বালু উত্তোলনের ড্রেজার পাওনা টাকার জন্য ড্রেজার চুরির অপবাদ
খুলনার মাথাভাঙ্গায় মনিরুলের বালু উত্তোলনের ড্রেজার পাওনা টাকার জন্য ড্রেজার চুরির অপবাদ
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার তেতুলতলা দশগেট সংলগ্ন এলাকায় লবনচরা থানার আওতাধীন ভৈরব নদীতে থাকা বালু কাঁটা ড্রেজার শুক্রবার ১২ সেপ্টেম্বর আনুমানিক দুপুর ০৩ টায় নৌকা ট্রলার মাঝিসহ তিন জন মিলে ড্রেজারের রশি কেটে দ্রুত খান জাহানআলী রূপসা ব্রিজ সংলগ্ন নদীর তীরে নিয়ে আসছে। ড্রেজারের মালিক মোঃ মনিরুল গাজী ড্রেজার নিয়ে যাওয়ার হুকুমদাতা মোঃ রেজাউল শেখ ট্রলারে থাকা দেশিও দা ও মেশিন খোলার জন্য রেঞ্জসহ সরঞ্জাম পাওয়া যায়। এমনই অবস্থায় ড্রেজার কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষের কাছে জানতে পারে কেবা কাহারা তাদের ড্রেজার নিয়ে যাচ্ছেন এমনই অবস্থায় দ্রুত খানজাহান আলী রূপসা ব্রীজ সংলগ্নে এসে ট্রলার উদ্ধার করেন।ড্রেজার কর্তৃপক্ষ লবণচড়া থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানোর পরে পুলিশ ঘটনার স্থলে এসে ড্রেজারে থাকা তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য থানায় নিয়ে আসেন। গতকাল রাতে তিন জন কে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের পর মোঃ রেজাউল শেখ এর জামিনে থানা পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। ড্রেজার নিয়ে আসার ঘটনাটি মোঃ রেজাউল শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন। গত ২১ সাল থেকে আব্দুল্লাহ্ লোড ড্রেজার থেকে বালু ত্রয়ের লেনদেন করেন মোঃ মনির গাজী সেই সুবাদে এই পর্যন্ত তার কাছে সর্বমোট পাওনা ২২ লক্ষ ৭২ হাজার ৩ শত ৯৫ টাকা লেনদেনের রয়েছে মোঃ মনির গাজী কাছে টাকা পরিশোধের কথা বারবার
বলা হয়। পাওনা টাকা চাইতে গেলে মনির গাজী স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে টাকা না দেয়ার হুমকি প্রদর্শন করে আসছেন। আমার অফিস কক্ষে কতিপয় সন্ত্রাসী প্রকৃতির ৫ থেকে ৬ জন এসে আমাকে হুমকি-ধমকি দেয় এবং আমাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালি-গালাজ করতে থাকে তখন আমি তাদেরকে প্রতিবাদ করতে চাইলে তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে এলো-পাথাড়ি ভাবে চড়. লাথি. ঘুসি মারে এ অবস্থায় আশপাশের ব্যবসায়ীরা এগিয়ে আসলে পর মুহূর্তে আমাকে তারা শাসিয়ে বলে যায় পুনরায় মোঃ মনির গাজী কাছে কোন টাকা-পয়সা চাইবি না তাহলে তোকে মেরে ফেলা হবে। উক্ত টাকা ও হামলার ব্যাপারে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার মীমাংসার করার চেষ্টা করেন মীমাংসার করার পরবর্তীতে মোঃ মনির গাজীর রানা রনি নামক বালুর বেডে থাকা মালিকানাধীন দুইটি স্কেভেটর এবং বালি আনলোড ড্রেজার আমার কাছে রয়েছে আমি যতদিন টাকা দিতে না পারব স্কেভেটর ও বালু আনলোড করা ড্রেজার তোমার আব্দুল্লাহ্ লোড ড্রেজারের কাছে হস্তান্তর করব টাকা পয়সা লেনদেন পরিশোধ হয়ে গেলে আমার মাল আমাকে ফেরত দিয়ে দিবা। মোঃ মনির গাজী আমাকে তার মালামাল না দিয়ে রাতের আধারে দুইটি স্কেভেটর বিক্রয় করে দিয়েছেন। পর মুহূর্তে আমি জানতে পারলে মোঃ মনির গাজী খুলনা থেকে উধাও হয়ে যায় খোঁজাখুঁজির পরে তাকে
মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগের জন্য চেষ্টা করল সে আমার ফোন ধরছে না। এমনই অবস্থায় গতকাল শুক্রবার মোঃ মনির গাজী তার ড্রেজারটি গোপনে বিক্রয় করে দেওয়ার পাঁয়ে তারা চালাচ্ছিলেন ঘটনাটি জানার সাথে সাথে আমি তিন জন কাজের লোক ঠিক করে ড্রেজার আনার চেষ্টা করি কিন্তু খানজাহান আলী রূপসা ব্রিজ সংলগ্ন নদীর তীরে নিয়ে আসার সাথে সাথে মোঃ মনির গাজী স্থানীয় সাধারণ মানুষের কাছে জানতে পারে কেবা কাহারা তার ড্রেজার নিয়ে গেছেন সেই মুহূর্তে মোঃ মনির গাজীর তার ভাই ব্রাদার আত্মীয়-স্বজন এসে ড্রেজারটি জোরজবস্তি করে নিয়ে যায়।আমি তখন আমার অফিসে ছিলাম না আমার মেয়ে খুবই অসুস্থ তাই তাকে দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। ড্রেজারটি নিয়ে দক্ষিণ লবণচরা মাথাভাঙ্গা খালের ভিতরে রাখা হয়েছে থানা পুলিশের হেফাজতে উক্ত ড্রেজার আনার কারণে আমি মোঃ রেজাউল শেখ আমাকে সহ তিন জন কাজের লেবারকে চোর সাব্যস্ত করেছেন। মোঃ মনিরুল গাজীর লোকজন আমার ট্রলারে থাকা ইস্কুবিঠার ডলারের মেশিনের যন্ত্রপাতিসহ প্রায় আনুমানিক ১০ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।ঘটনাটি থানা পুলিশ অবগত আছেন এ প্রসঙ্গে আমি গত ইংরেজি ০৯-০৯-২০২৫ তারিখ মোতাবে ক লবণচরা থানায় হাজির হয়ে মোঃ মনির গাজীর নামে একটি অভিযোগ দায়ের করি।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত