Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

আমিষ খাবারের স্বাদ বদলে দেয় যে

প্রকাশিত:বুধবার ০১ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৩৩৮জন দেখেছেন

Image

গৃহস্থ বাড়ির প্রত্যেক রান্নাঘরেই রসুন মজুত থাকে। এটা যেকোনো আমিষ খাবারের স্বাদ দ্বিগুণ করে দেয়। কিন্তু কিছু লোক উপকার পাওয়ার জন্য রসুন কাঁচাই খেয়ে থাকেন। এতে রয়েছে ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন-সি, ফাইবার, প্রোটিন ও ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদি পুষ্টিকর উপাদান। আপনি কি জানেন প্রতিদিন সকালে এক কোয়া রসুন খেলে আপনি স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অনেক উপকার পেতে পারেন। 

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুনের কোয়ার প্রতিটি অংশকে লবঙ্গ বলা হয়। একটি রসুনে প্রায় ১০-২০টি লবঙ্গ থাকে। খালি পেটে হালকা গরম পানির সঙ্গে এক কোয়া রসুন খেলে উপকার পাওয়া 

হজম শক্তি বাড়ায় ও অ্যাসিডিটি কমায়

প্রতিদিন এক কোয়া রসুন খাওয়া গ্যাস্ট্রিক জুসের পিএইচ উন্নত করে এবং হজমের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। পুরনো রসুনের নির্যাস গ্যাস্ট্রিক মিউকোসাল আস্তরণ নিরাময়ে সাহায্য করে। এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলো অন্ত্রের বিভিন্ন ধরনের পরজীবী ও মাইক্রোবিয়াল সংক্রমণকে মেরে ফেলে। রসুনের বায়োঅ্যাকটিভ যৌগগুলি কোলাইটিস, আলসার ও অন্যান্য গ্যাস্ট্রিক সংক্রান্ত রোগ কমাতে সাহায্য করে। 

রক্তচাপ ও রক্তজমাট বাঁধা কম করে 

রক্তচাপ কমাতে রসুন খুবই উপকারী কারণ এটি নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং এইচ২এস-এর মতো ভাসোডিলেটিং এজেন্ট উভয়ের উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে। উপরন্তু, এটি ভ্যাসকনস্ট্রিকশন এজেন্ট উৎপাদন হ্রাস করে।

কোলেস্টেরল কমায় 

রসুনের ঘনত্ব রক্তনালীতে এলডিএল কোলেস্টেরল অক্সিডেশন এবং প্লাক প্রতিরোধ করে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। 

কিডনি রোগে সহায়ক 

এলিসিন নামের যৌগিক পাওয়া যায় রসুনে। এটা কিডনির শিথিলতা, রক্তচাপ ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস দূর করতে সাহায্য করে। এটিতে অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও নেফ্রোপ্রোটেক্টিভ প্রভাব রয়েছে।

ইমিউনিটি ভালো করে 

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, রসুন প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, যা অ্যালিসিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সালফারযুক্ত যৌগগুলোর কারণে হতে পারে। 

প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল 

বিভিন্ন সময়ে কয়েক শতাব্দী ধরে সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়তে রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে। নিয়মিত রসুন খাওয়া সাধারণ সর্দি, ফ্লু, পেটের সংক্রমণ, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ ও ইউটিআই প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।  

সতর্কতা 

রসুন ব্যবহার করার সময় মনে রাখবেন যে এটি খাওয়ার আগে, এটি কেটে থেঁতো করে অন্তত ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এটি করলে এতে উপস্থিত অ্যালিসিন বৈশিষ্ট্যগুলো আরও বাড়বে। এটি একটি যৌগ যা অনেক স্বাস্থ্য সুবিধার জন্য দায়ী।


আরও খবর

"নোবেলের ম্যাজিক শুধু প্রতারণা"

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24

ভালোবাসার দিন আজ

বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সংসদের প্রথম অধিবেশন ঘিরে ডিএমপির নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) থেকে। সংসদ অধিবেশন চলাকালে জাতীয় সংসদ ভবন ও এর পাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

আদেশে সোমবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ১২টা থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সকল প্রকার অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও যে কোনো প্রকার সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন ইত্যাদি নিষেধ করা হয়েছে।

যেসব এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে–

ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং হতে পুরাতন বিমান বন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত। বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত হতে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত। পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত হতে গ্রীন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত। মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় হতে ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭) নং সড়কের সংযোগস্থল। রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল হতে পুরাতন ৯ম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণির পর্যটন ক্রসিং। ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত হতে মানিক মিয়া এভিনিউ এর পশ্চিম প্রান্ত। জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এই সীমানার মধ্যে অবস্থিত সমুদয় রাস্তা ও গলিপথ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ১ম অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে।


আরও খবর



ফুলবাড়ীর বারাই হাটে শীতবস্ত্র বিতরণ

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২৮জন দেখেছেন

Image

আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপু প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার বারাই হাট মাইনোরিটিস রুরাল সোসাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এর শুভ উদ্বোধন ও উক্ত সংগঠন এর উদ্দ্যেগে ২শতাধিক গরীব দুঃখি মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ।রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ফুলবাড়ী উপজেলার বারাই হাট মাইনোরিটিস রুরাল সোসাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এর উদ্দ্যেগে গরীব দুঃখি মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন প্রধান অতিথি হিসাবে ফুলবাড়ী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ আকতারুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মাইনোরিটিস রুরাল সোসাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এর সভাপতি মি. লক্ষীরাম টুডু লক্ষন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফুলবাড়ী উপজেলা আদিবাসি সমিতির সাবেক সভাপতি মি. সোলেমান মারান্ডী এবং জমিদাতা সদস্য বাবলু মুরমু, ফুলবাড়ী থানা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ আফজাল হোসেন ও ফুলবাড়ী মাইটিভি প্রতিনিধি মোঃ ফিজারুল ইসলাম ভূট্টু। শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, সংগঠনের সুভাস হেমরুন। সঞ্চালনায় ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন, সংগঠনের মিঠুন মুরমু। এ সময় মাইনোরিটিস রুরাল সোসাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এর সকল সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজনে ছিলেন মাইনোরিটিস রুরাল সোসাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার হলেন গাজী লিপি

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আফরোজা বিনতে মনসুর (গাজী লিপি)। রোববার (২৮ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, আফরোজা বিনতে মনসুরকে (গাজী লিপি) গ্রেড-৯-এর বেতনের সর্বোচ্চ ধাপের নির্ধারিত বেতনে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল বা সন্তষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।

এর আগে, তিনি ২০২০ সালের ২২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান।

গাজী লিপি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বর্ষাপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী মুনসুরের মেয়ে। তিনি দীর্ঘদিন যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমটির সহসভাপতি ছিলেন।


আরও খবর



হাসপাতালে শয্যা সংকট,মেঝেতেও হচ্ছে না ঠাঁই

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৩জন দেখেছেন

Image

আব্দুল হান্নান, নাসিরসগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট,মেঝেতেও হচ্ছেনা ঠাঁই।সরেজমিন হাসপতালে গিয়ে দেখা গেছে এমনই চিত্র।

হাসপাতালে সীট না পেয়ে রােগীদের মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে দেখা যাচ্ছে।হাতপাতাল সুত্রে জানা গেছে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও এখানে প্রতিদিন ৮০ থেকে ৯০ জন রোগীকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে ডাক্তার আর নার্সদের খেতে হচ্ছে হিমশিম।এমন হওয়ার কারন কি জানতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়,এখানে ডাক্তারদের ব্যবহার,পর্যাপ্ত ঔষধ পত্র আর সেবার মান ভাল হওয়া পার্শ্ববর্তী সরাইল,লাখাই,মাধবপুর,অষ্টগ্রাম থেকেও চিকিৎসা নেয়ার জন্য রোগীরা আসেন।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর,এম,ও) ডাঃ সাইফুল ইসলাম জানান উক্ত হাসপাতালে আউটডোরে প্রতিদিন প্রায় ৫ থেকে ৬ শ রোগী দেখতে ডাক্তারদেন হিমশিম খেতে হচ্ছে। নাসিরনগর হাসপাতালের চিকিৎসকদের  মাঝে ডাক্তার অভিজিৎ রায়,ডাক্তার মোঃ সাইফুল ইসলাম,ডাক্তার জীবণ চন্দ্র দাস,ডাক্তার মৌমিতা বসাকের চিকিৎসা ব্যবস্থা অন্যতম।তাই হাসপাতালের শয্যা সংকট দুর করতে স্থানীয়রা মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ একে একরামুজ্জামজন এমপি সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করছেন।


আরও খবর



ফসলের ক্ষতিকারক মীর্জা মোহাম্মদ!

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৭জন দেখেছেন

Image

এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:কারো ফসলের ক্ষেত গরু দিয়ে নষ্ট করে দিচ্ছেন। তার প্রতিবাদ জানালে ক্ষেতের ফসল উপড়ে ফেলছেন বা কেটে দিচ্ছেন। প্রায় ৩ একর তিনফসলী জমির চাষাবাদ করা ২৫ জন কৃষক তার কাছে জিম্মি। সাধারণত ফসলের ক্ষতিকারক হিসেবে কৃষকরা পোকামাকড় বা পশু-পাখিকেই বুঝে কিন্তু ভিন্ন চিত্র মিরসরাইয়ের ১ নং করেরহাট ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের জয়পুর পূর্ব জোয়ার গ্রামের নতুন চর এলাকায়। এখানে ফসলের ক্ষতিকারক হিসেবে কৃষকরা চেনে মীর্জা মোহাম্মদকে। মীর্জা মোহাম্মদ ১০-১২ টি গরু দিয়ে এখানকার ফসলী জমির ফসল নষ্ট করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। স্থানীয়ভাবে কোন প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে কৃষকরা মানববন্ধন করতে বাধ্য হয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মিরসরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের জয়পুর পূর্ব জোয়ার গ্রামের নতুন চর এলাকায় কৃষকরা সসিন্দা, করলা, বরবটি, ঢেড়স, জিঙ্গা, শসা, মরিচ, বেগুন, আলুসহ নানা ফসল আবাদ করেছেন। এখানকার তিনফসলী জমিতে ২৫ জন কৃষক ভিন্ন ভিন্ন মৌসুমে ফসল আবাদ করে থাকেন। পাশে ফেনী নদী থাকায় পানির সমস্যার সম্মুক্ষীন হতে হয় না এখানকার কৃষকদের। এসব উর্বর জমিতে ফসল উৎপন্ন করে জীবিকা নির্বাহ করেন এখানকার কৃষকরা। বিগত কয়েকবছর যাবত স্থানীয় মীর্জা মোহাম্মদ কৃষকদের উৎপন্ন ফসলের ক্ষতি করে আসছে। মীর্জা মোহাম্মদের ১০-১২ টি গরু রয়েছে। এসব গরু ছাড়া অবস্থায় থাকায় ফসল নষ্ট করে থাকে। কেউ এসব কাজে বাঁধা দিলে তাকে গালমন্দ করেন, ক্ষেতের ফসল উপড়ে ফেলে বা ফসল কেটে দেয়। এতে ক্ষতির সম্মুক্ষীন হচ্ছেন কৃষকরা। স্থানীয়ভাবে কৃষকরা মীর্জা মোহাম্মদের বিচার চেয়ে প্রতিকার না পাওয়ায় সর্বশেষ তারা মানববন্ধন করেছেন।

কৃষক নিতাই ভৌমিক বলেন, ‘আমি ৬ শতক জমিতে বরবটির আবাদ করি। ওই বরবটি মীর্জা মোহাম্মদ গরু দিয়ে ৪ বার খাইয়েছেন। এর প্রতিবাদ করায় আমার করলা ক্ষেতের বেশকিছু উপড়ে ফেলে। অথচ করলা ক্ষেত ফল আসার উপযুক্ত। এখন নতুনভাবে সেখানে আবাদ করলে নূন্যতম আড়াই মাস সময় লাগবে। তার অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। আমরা এর একটা সমাধান চাই।’

কৃষক সাদেক হোসেন বলেন, ‘মীর্জা মোহাম্মদ আমার মরিচ, বেগুন ও মিষ্টি আলুর ক্ষেত নানা সময় নষ্ট করেছে। সে দাম্ভিকতার সাথে বলেন আমার বিচার করার মতো কেউ নেই। আমরা তার কাছে অসহায়। তাকে ফসল নষ্ট করার বিষয়ে বললে সে গালমন্দ করে, সে রাগে ক্ষোভে নিজেও ফসল নষ্ট করে গরু দিয়েও নষ্ট করায়। আমরা এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ চাই।’ শুধু কৃষক নিতাই ভৌমিক বা সাদেক হোসেন নয় এমন কৃষক রফিক আলম, শিবু ভৌমিক, দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ মোস্তফা, জানে আলম, ইকবাল হোসেন, রাসেল, এনামুল হক, জাহেদুল ইসলামও একই সমস্যায় পড়েছেন। তাদের দাবী অচিরেই মীর্জা মোহাম্মদের ফসলের ক্ষতি করা থেকে মুক্তি।

এ বিষয়ে জানতে মীর্জা মোহাম্মদের মোবাইলে একাধিকবার কল দিয়েও বন্ধ পাওয়া গেছে।করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য মাইন উদ্দিন বলেন,‘সাদেক নামে এক কৃষক আমাকে অভিযোগ দিয়েছিল। আমি তখন সমাধান করে দিয়েছি। অন্য কোন কৃষক কোন অভিযোগ দেয়নি।’


আরও খবর