নাজমুল হাসানঃ- চব্বিশের জুলাই-আগষ্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে প্রবল ক্ষমতাশালী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের মসনদ কাঁপিয়ে পতন নিশ্চিত করা হয়। সেই আন্দোলনের প্রতিটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক, সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক এবং ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ গ্লাস এন্ড সিরামিকস-এর সাবেক ভিপি গাজী জহিরুল ইসলাম (সবুজ)। তিনি সেই সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। আন্দোলন করতে গিয়ে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বিশেষ করে মিরপুর ১০ নম্বর এলাকায় তার নেতৃত্বে গড়ে ওঠে প্রবল প্রতিরোধ সংগ্রাম।গত ২০২৪ সালের ৪ আগষ্ট রবিবার মিরপুর ১০ নম্বরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে সংঘর্ষের পর সেখানে অবস্থান নিয়ে এক দফা দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন গাজী জহিরুল ইসলাম সবুজ। ৪ আগষ্ট দুপুর ১২টার দিকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।জানা যায়, মিরপুর গার্লস আইডিয়াল কলেজের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে মিরপুর-১০ নম্বর থেকে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ধাওয়া দিলে আন্দোলনকারীরা মিরপুর-১৪ নম্বরের দিকে চলে যান।
এ সময় চলে ইটপাটকেল নিক্ষেপ। এরপর দুপুর ১টার দিকে শুরু হয় গোলাগুলি। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোটা এলাকা। এ সময় আন্দোলন সংগ্রাম চলাকালে পুলিশের এবং ছাত্রলীগ-যুবলীগ এর হামলায় আহত হন গাজী জহিরুল ইসলাম। হামলায় তিনি বাম পায়ে গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হন। একজন জুলাই যোদ্ধা হিসেবে গাজী জহিরুল ইসলাম সবুজ সেই সময় আন্দোলন সংগ্রামে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা চিরদিন কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ রাখবে।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব
বিশেষ করে মিরপুর ১০ নম্বর এলাকায় তার নেতৃত্বে গড়ে ওঠে প্রবল প্রতিরোধ সংগ্রাম।গত ২০২৪ সালের ৪ আগষ্ট রবিবার মিরপুর ১০ নম্বরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে সংঘর্ষের পর সেখানে অবস্থান নিয়ে এক দফা দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন গাজী জহিরুল ইসলাম সবুজ। ৪ আগষ্ট দুপুর ১২টার দিকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।জানা যায়, মিরপুর গার্লস আইডিয়াল কলেজের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে মিরপুর-১০ নম্বর থেকে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ধাওয়া দিলে আন্দোলনকারীরা মিরপুর-১৪ নম্বরের দিকে চলে যান।
এ সময় চলে ইটপাটকেল নিক্ষেপ। এরপর দুপুর ১টার দিকে শুরু হয় গোলাগুলি। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোটা এলাকা। এ সময় আন্দোলন সংগ্রাম চলাকালে পুলিশের এবং ছাত্রলীগ-যুবলীগ এর হামলায় আহত হন গাজী জহিরুল ইসলাম। হামলায় তিনি বাম পায়ে গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হন। একজন জুলাই যোদ্ধা হিসেবে গাজী জহিরুল ইসলাম সবুজ সেই সময় আন্দোলন সংগ্রামে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা চিরদিন কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ রাখবে।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব