সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) সাবেক শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম শাহীন। তিনি বুটেক্স ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তার নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম শাহীন ছিলেন বুটেক্সের ২০ তম ব্যাচের ফেব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। রাজনৈতিক জীবনে তিনি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এবং জেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারস ফোরামের বিভিন্ন পদে দায়িত্বরত ছিলেন।
এক সাক্ষাৎকারে সাইফুল ইসলাম শাহীন সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, "এটি আমার জন্য একটি মিশ্র অনুভূতির বিষয়। এ ধরনের সরকারি দায়িত্ব আগে কখনও পালন করিনি। আমার শিক্ষা ও পেশাগত অভিজ্ঞতা মূলত কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রিক। ফলে নতুন এই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ আসবে, তা এখনই বলা কঠিন। তবে আমি দায়িত্বটি উপভোগ করতে চাই এবং সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব।"
সাইফুল ইসলাম শাহীন জানান তার বর্তমান সাফল্যের পেছনে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ছাত্র রাজনীতির যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, "একটি রাজনৈতিক নিয়োগ, ফলে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকলে এ দায়িত্ব পাওয়া সম্ভব হতো না। আমি স্কুলজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। তবে বুটেক্সে ভর্তি হওয়ার পরই আমার রাজনৈতিক পরিচয় ও কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। সেই রাজনৈতিক পরিচয় ও দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততাই আমাকে আজকের অবস্থানে আসতে সহায়তা করেছে।"
ছাত্র জীবন এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরবর্তী জীবনে রাজনীতিতে তার পদচারণার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রথম দিন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ি। বুটেক্সে পড়াকালীন ছাত্রদলের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছি এবং আমার রাজনীতির প্রতি আগ্রহ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পূর্ব থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় নিয়ম ভেঙে প্রথম বর্ষেই আমাকে এজিএস হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়েছে। একসময় ক্যাম্পাসে প্রবেশেও বাধার মুখে পড়ি এবং ছাত্রদলের পক্ষে ভিপি পদে প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতে পারিনি। কর্মজীবনে প্রবেশের পর মূলত পেশাগত দায়িত্বে মনোযোগ দিই। তবে বিভিন্ন সময় টেক্সটাইল ভিত্তিক পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছি।"
সাইফুল ইসলাম শাহীন নিট এশিয়া গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। একই সঙ্গে কর্পোরেট এবং রাজনৈতিক দায়িত্বের মধ্যে কীভাবে সামঞ্জস্য রক্ষা করবেন এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "দুই দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করা সম্ভব নয়। তাই জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আমাকে কর্পোরেট পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। তবে পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পেশাগত যোগাযোগ ও সম্পর্ক বজায় থাকবে।"
সিরাজগঞ্জ জেলা এবং জেলার মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সাইফুল ইসলাম শাহীন। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখিত উন্নয়নমূলক অঙ্গীকারগুলো সিরাজগঞ্জে বাস্তবায়নের চেষ্টাকে তিনি প্রধান লক্ষ হিসেবে দেখছেন । পাশাপাশি তিনি জানান,"জেলার অবকাঠামোগত ও পরিবেশগত উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে বৃক্ষরোপণ ও খাল পুনঃখননের মতো কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিতে চাই। প্রাথমিকভাবে বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনকল্যাণমূলক ও বাস্তবসম্মত প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করা গেলে অর্থায়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বড় বাধা হবে না। তাই জেলার সার্বিক উন্নয়নে শতভাগ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করব"।
সর্বশেষ ভবিষ্যত ক্যারিয়ার নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "বর্তমান নিয়োগটি একটি অস্থায়ী দায়িত্ব। এর মেয়াদ সীমিত। দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হলে আমি আবার কর্পোরেট জগতে ফিরে যেতে চাই। ভবিষ্যতে কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসায়িক ও পেশাগত বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত থাকার পরিকল্পনা আছে।"
জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে সাইফুল ইসলাম শাহীনের নিয়োগের খবরে বুটেক্সের শিক্ষক এবং বর্তমান এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি উল্লাপাড়া উপজেলা ও জেলার বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। বুটেক্সের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেছেন, তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জেলার উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ হবে।
সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন বুটেক্সের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম শাহীন
সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন বুটেক্সের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম শাহীন
সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) সাবেক শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম শাহীন। তিনি বুটেক্স ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তার নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম শাহীন ছিলেন বুটেক্সের ২০ তম ব্যাচের ফেব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। রাজনৈতিক জীবনে তিনি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এবং জেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারস ফোরামের বিভিন্ন পদে দায়িত্বরত ছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে সাইফুল ইসলাম শাহীন সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, "এটি আমার জন্য একটি মিশ্র অনুভূতির বিষয়। এ ধরনের সরকারি দায়িত্ব আগে কখনও পালন করিনি। আমার শিক্ষা ও পেশাগত অভিজ্ঞতা মূলত কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রিক। ফলে নতুন এই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ আসবে, তা এখনই বলা কঠিন। তবে আমি দায়িত্বটি উপভোগ করতে চাই এবং সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব।" সাইফুল ইসলাম শাহীন জানান তার বর্তমান সাফল্যের পেছনে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ছাত্র রাজনীতির যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, "একটি রাজনৈতিক নিয়োগ, ফলে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকলে এ দায়িত্ব পাওয়া সম্ভব হতো না। আমি স্কুলজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। তবে বুটেক্সে ভর্তি হওয়ার পরই
আমার রাজনৈতিক পরিচয় ও কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। সেই রাজনৈতিক পরিচয় ও দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততাই আমাকে আজকের অবস্থানে আসতে সহায়তা করেছে।" ছাত্র জীবন এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরবর্তী জীবনে রাজনীতিতে তার পদচারণার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার প্রথম দিন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ি। বুটেক্সে পড়াকালীন ছাত্রদলের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছি এবং আমার রাজনীতির প্রতি আগ্রহ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পূর্ব থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় নিয়ম ভেঙে প্রথম বর্ষেই আমাকে এজিএস হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়েছে। একসময় ক্যাম্পাসে প্রবেশেও বাধার মুখে পড়ি এবং ছাত্রদলের পক্ষে ভিপি পদে প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতে পারিনি। কর্মজীবনে প্রবেশের পর মূলত পেশাগত দায়িত্বে মনোযোগ দিই। তবে বিভিন্ন সময় টেক্সটাইল ভিত্তিক পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছি।" সাইফুল ইসলাম শাহীন নিট এশিয়া গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। একই সঙ্গে কর্পোরেট এবং রাজনৈতিক দায়িত্বের মধ্যে কীভাবে সামঞ্জস্য রক্ষা করবেন এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "দুই দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করা সম্ভব নয়। তাই জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আমাকে কর্পোরেট পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। তবে পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পেশাগত যোগাযোগ ও সম্পর্ক বজায় থাকবে।" সিরাজগঞ্জ জেলা এবং জেলার মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সাইফুল ইসলাম শাহীন। বিএনপির
নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখিত উন্নয়নমূলক অঙ্গীকারগুলো সিরাজগঞ্জে বাস্তবায়নের চেষ্টাকে তিনি প্রধান লক্ষ হিসেবে দেখছেন । পাশাপাশি তিনি জানান,"জেলার অবকাঠামোগত ও পরিবেশগত উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে বৃক্ষরোপণ ও খাল পুনঃখননের মতো কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিতে চাই। প্রাথমিকভাবে বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনকল্যাণমূলক ও বাস্তবসম্মত প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করা গেলে অর্থায়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বড় বাধা হবে না। তাই জেলার সার্বিক উন্নয়নে শতভাগ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করব"। সর্বশেষ ভবিষ্যত ক্যারিয়ার নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "বর্তমান নিয়োগটি একটি অস্থায়ী দায়িত্ব। এর মেয়াদ সীমিত। দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হলে আমি আবার কর্পোরেট জগতে ফিরে যেতে চাই। ভবিষ্যতে কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসায়িক ও পেশাগত বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত থাকার পরিকল্পনা আছে।" জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে সাইফুল ইসলাম শাহীনের নিয়োগের খবরে বুটেক্সের শিক্ষক এবং বর্তমান এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি উল্লাপাড়া উপজেলা ও জেলার বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। বুটেক্সের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেছেন, তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জেলার উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ হবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত