ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর ইউনিয়ন টিয়ারা বাজারে মারধরের শিকার হওয়া দুগ্ধ ব্যবসায়ী মো. ইকবাল হোসেনের (৫৫) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ২ জুন মঙ্গলবার সকালে টিয়ারা বাজারে মারধরের শিকার হওয়ার পর, আজ (১১ জুন) রাত ১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ইকবাল টিয়ারা মুন্সি বাড়ির মৃত আবুল খায়েরের ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুটি পক্ষ সংঘটিত সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের দাবি—প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত মারধরের আঘাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইকবালের মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে, অভিযুক্ত পক্ষ এবং নিহতের নিজ গোষ্ঠীরই অপর এক যুবকের দাবি—এটি মূলত পারিবারিক কলহের জেরে হওয়া মৃত্যুকে প্রতিপক্ষের ওপর চাপানোর একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
নিহত ও ভুক্তভোগী পরিবারের বক্তব্য:
নিহতের চাচা ও স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবুল হোসেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গত ২ জুন মঙ্গলবার সকালে ইকবাল টিয়ারা বাজারে দুধ বিক্রি করতে গেলে স্থানীয় আতিকুর রহমান শিশু মিয়ার নেতৃত্বাধীন একটি পক্ষ বাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা সাধারণ ব্যবসায়ী ইকবালের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে লোহার রড, স্টিলের লাঠি এবং হকি স্টিক দিয়ে তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
নিহতের কন্যা মুক্তা আক্তার জানান, হামলার পর প্রথমে তাঁকে বাড়িতে এনে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ৫ জুন মাথায় ও বুকে তীব্র ব্যথা নিয়ে তাঁকে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। গতকাল পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে আবারো সদর হাসপাতালে এবং পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহতের ছোট ভাই শিমুল জানান, টিয়ারা বাজারের নিয়ন্ত্রণ ও পূর্বশত্রুতার জেরে শিশু মিয়া ও তাঁর লোকজন পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে এবং এ ঘটনায় তাঁরা থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অভিযুক্ত পক্ষ ও পাল্টা দাবি:
এদিকে মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষ শিশু মিয়া গ্রুপের প্রতিনিধি মোহাম্মদ শাহীন মিয়া ও মোহাম্মদ ইব্রাহিম মোল্লা হিমন দাবি করেন, গত ২ জুনের ঘটনায় ইকবাল মোটেও গুরুতর আহত হননি। এমনকি ঘটনার কয়েকদিন পর, গত ৮ জুনও তাঁকে টিয়ারা বাজারে সুস্থ শরীরে স্বাভাবিকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে।
তাঁদের দাবি, ইকবালের মৃত্যুর পেছনে রয়েছে তাঁর নিজস্ব পারিবারিক বিরোধ। গত ৫ ও ৭ জুন ইকবালের আপন ভাই শিমুল এবং ভাতিজা ইমরানের সাথে তাঁর ঘরে মারামারি হয়। একপর্যায়ে ভাতিজা ইমরান ইকবালকে জাপটে ধরে ধস্তাধস্তির সময় ইকবাল ঘরের পাশের একটি উঁচু ড্রেনে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। মূলত ওই পারিবারিক কলহের আঘাতের কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা যান।
৯৯৯-এ রক্ষা পাওয়া যুবকের জবানবন্দি ও নতুন মোড়:
এই ঘটনার চরম নাটকীয় মোড় নেয় টিয়ারা মুন্সি বাড়ির তাজুল ইসলামের ছেলে শরীয়ত উল্লাহর দেওয়া একটি ভিডিও জবানবন্দিতে। তিনি নিজেও মুন্সিগোষ্ঠীর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁর স্বগোত্রীয় আহাম্মদ হোসেন (আহমদ মিয়া) ও তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে মারধর ও জিম্মি করার মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন।
ভিডিও জবানবন্দিতে শরীয়ত উল্লাহ বলেন, "ইকবাল হোসেন আগে থেকেই গুরুতর শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং তাঁর কোমর ভাঙা ছিল। ২ জুনের ঘটনার পর, মূলত গত ৫ ও ৭ জুন ইকবালের বাড়িতেই তাঁর নিজের ভাই ও ভাতিজারা তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন।"
নিজের ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে শরীয়ত উল্লাহ বলেন, "আমি শিশু মিয়ার গ্রুপ সমর্থন করি বলে আহাম্মদ হোসেন ও তাঁর লোকজন আমার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। সালিশ বৈঠকের কথা বলে আমাকে ডেকে নিয়ে তাঁরা বেধড়ক লাঠিপেটা ও চড়-থাপ্পড় মারেন এবং জোরপূর্বক আমার মুখ দিয়ে শিশু মিয়ার গ্রুপের বিরুদ্ধে মিথ্যা জবানবন্দি আদায় করতে চেয়েছিলেন, যাতে সেই মারধরের দায় চাপিয়ে মিথ্যা মামলা দেওয়া যায়।"
তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে তাঁর ভাই জাতীয় জরুরি সেবা '৯৯৯'-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে তাঁকে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করে। ইকবালের মৃত্যুর ঘটনাকে পুঁজি করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য এই গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে শরীয়ত উল্লাহ দাবি করেন।
পটভূমি ও বর্তমান পরিস্থিতি:
উল্লেখ্য, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে টিয়ারা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন এবং আতিকুর রহমান ওরফে শিশু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে গত ১ জুন সোমবার রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্য বাছির মিয়ার বাড়িতে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথম সংঘর্ষ হয়। এর জের ধরে পরদিন ২ জুন মঙ্গলবার সকালে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে টিয়ারা বাজারে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
দুগ্ধ ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেনের মৃত্যুর ঘটনা এবং শরীয়ত উল্লাহর ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় বর্তমানে আবারো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং নির্দোষ ব্যক্তিরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য প্রশাসনের একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন।
নবীনগরের টিয়ারায় সংঘটিত সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
নবীনগরের টিয়ারায় সংঘটিত সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর ইউনিয়ন টিয়ারা বাজারে মারধরের শিকার হওয়া দুগ্ধ ব্যবসায়ী মো. ইকবাল হোসেনের (৫৫) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ২ জুন মঙ্গলবার সকালে টিয়ারা বাজারে মারধরের শিকার হওয়ার পর, আজ (১১ জুন) রাত ১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ইকবাল টিয়ারা মুন্সি বাড়ির মৃত আবুল খায়েরের ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুটি পক্ষ সংঘটিত সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের দাবি—প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত মারধরের আঘাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইকবালের মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে, অভিযুক্ত পক্ষ এবং নিহতের নিজ গোষ্ঠীরই অপর এক যুবকের দাবি—এটি মূলত পারিবারিক কলহের জেরে হওয়া মৃত্যুকে প্রতিপক্ষের ওপর চাপানোর একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। নিহত ও ভুক্তভোগী পরিবারের বক্তব্য:নিহতের চাচা ও স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবুল হোসেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গত ২ জুন মঙ্গলবার সকালে ইকবাল টিয়ারা বাজারে দুধ বিক্রি করতে গেলে স্থানীয় আতিকুর রহমান শিশু মিয়ার নেতৃত্বাধীন একটি পক্ষ বাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা সাধারণ ব্যবসায়ী ইকবালের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে লোহার রড, স্টিলের লাঠি এবং হকি স্টিক দিয়ে তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। নিহতের কন্যা মুক্তা আক্তার জানান, হামলার পর প্রথমে তাঁকে বাড়িতে এনে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ৫ জুন মাথায় ও বুকে তীব্র ব্যথা নিয়ে তাঁকে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। গতকাল পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে আবারো সদর হাসপাতালে এবং পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা
হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহতের ছোট ভাই শিমুল জানান, টিয়ারা বাজারের নিয়ন্ত্রণ ও পূর্বশত্রুতার জেরে শিশু মিয়া ও তাঁর লোকজন পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে এবং এ ঘটনায় তাঁরা থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযুক্ত পক্ষ ও পাল্টা দাবি:এদিকে মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষ শিশু মিয়া গ্রুপের প্রতিনিধি মোহাম্মদ শাহীন মিয়া ও মোহাম্মদ ইব্রাহিম মোল্লা হিমন দাবি করেন, গত ২ জুনের ঘটনায় ইকবাল মোটেও গুরুতর আহত হননি। এমনকি ঘটনার কয়েকদিন পর, গত ৮ জুনও তাঁকে টিয়ারা বাজারে সুস্থ শরীরে স্বাভাবিকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। তাঁদের দাবি, ইকবালের মৃত্যুর পেছনে রয়েছে তাঁর নিজস্ব পারিবারিক বিরোধ। গত ৫ ও ৭ জুন ইকবালের আপন ভাই শিমুল এবং ভাতিজা ইমরানের সাথে তাঁর ঘরে মারামারি হয়। একপর্যায়ে ভাতিজা ইমরান ইকবালকে জাপটে ধরে ধস্তাধস্তির সময় ইকবাল ঘরের পাশের একটি উঁচু ড্রেনে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। মূলত ওই পারিবারিক কলহের আঘাতের কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা যান।৯৯৯-এ রক্ষা পাওয়া যুবকের জবানবন্দি ও নতুন মোড়: এই ঘটনার চরম নাটকীয় মোড় নেয় টিয়ারা মুন্সি বাড়ির তাজুল ইসলামের ছেলে শরীয়ত উল্লাহর দেওয়া একটি ভিডিও জবানবন্দিতে। তিনি নিজেও মুন্সিগোষ্ঠীর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁর স্বগোত্রীয় আহাম্মদ হোসেন (আহমদ মিয়া) ও তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে মারধর ও জিম্মি করার মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন। ভিডিও জবানবন্দিতে শরীয়ত উল্লাহ বলেন, "ইকবাল হোসেন আগে থেকেই গুরুতর শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং তাঁর কোমর ভাঙা ছিল। ২ জুনের ঘটনার পর, মূলত গত ৫ ও ৭ জুন ইকবালের বাড়িতেই তাঁর নিজের ভাই ও ভাতিজারা তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন।" নিজের ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা
দিয়ে শরীয়ত উল্লাহ বলেন, "আমি শিশু মিয়ার গ্রুপ সমর্থন করি বলে আহাম্মদ হোসেন ও তাঁর লোকজন আমার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। সালিশ বৈঠকের কথা বলে আমাকে ডেকে নিয়ে তাঁরা বেধড়ক লাঠিপেটা ও চড়-থাপ্পড় মারেন এবং জোরপূর্বক আমার মুখ দিয়ে শিশু মিয়ার গ্রুপের বিরুদ্ধে মিথ্যা জবানবন্দি আদায় করতে চেয়েছিলেন, যাতে সেই মারধরের দায় চাপিয়ে মিথ্যা মামলা দেওয়া যায়।" তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে তাঁর ভাই জাতীয় জরুরি সেবা '৯৯৯'-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে তাঁকে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করে। ইকবালের মৃত্যুর ঘটনাকে পুঁজি করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য এই গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে শরীয়ত উল্লাহ দাবি করেন। পটভূমি ও বর্তমান পরিস্থিতি:উল্লেখ্য, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে টিয়ারা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন এবং আতিকুর রহমান ওরফে শিশু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে গত ১ জুন সোমবার রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্য বাছির মিয়ার বাড়িতে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথম সংঘর্ষ হয়। এর জের ধরে পরদিন ২ জুন মঙ্গলবার সকালে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে টিয়ারা বাজারে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।দুগ্ধ ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেনের মৃত্যুর ঘটনা এবং শরীয়ত উল্লাহর ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় বর্তমানে আবারো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং নির্দোষ ব্যক্তিরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য প্রশাসনের একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত