পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের সময় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার।
রোববার (১৪ জুন) ৮০৯ পৃষ্ঠার এই রায় প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
এর আগে গত ৯ এপ্রিল আদালত দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করেন।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন। এ ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জন বর্তমানে পলাতক। এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, সাবেক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, সাবেক এএসআই আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘তদন্তে সন্দেহাতীত ও অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।’ অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, প্রসিকিউশন অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে এবং আসামিরা খালাস পাবেন।
গত ৫ মার্চ উভয় পক্ষের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছিল।
দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের সময় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার। রোববার (১৪ জুন) ৮০৯ পৃষ্ঠার এই রায় প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে গত ৯ এপ্রিল আদালত দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করেন। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু
সাঈদ ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন। এ ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জন বর্তমানে পলাতক। এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান,
সাবেক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, সাবেক এএসআই আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘তদন্তে সন্দেহাতীত ও অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।’ অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, প্রসিকিউশন অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে এবং আসামিরা খালাস পাবেন। গত ৫ মার্চ উভয় পক্ষের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছিল।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত