Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৫৩২জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :রাজধানী ঢাকায় সপ্তাহের একেক দিন একেক এলাকার মার্কেট, দোকানপাট বন্ধ থাকে।তাই আগে জেনে নিন ঢাকার কোন মার্কেট আজ বন্ধ এবং খোলা রয়েছে। না হলে কষ্ট করে গিয়ে ফিরে আসতে হতে পারে।

জেনে নেওয়া যাক শুক্রবার রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট, মার্কেট সাধারণত বন্ধ থাকে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে:

বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারী বাজার, চাঁনখারপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ।

যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে:

আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠ বাজার, চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কাপ্তানবাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাঁটারা, বড় কাঁটারা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট।



আরও খবর

"নোবেলের ম্যাজিক শুধু প্রতারণা"

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24

ভালোবাসার দিন আজ

বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গাংনীতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপনের শুভ উদ্বোধন

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুর প্রতিনিধিঃমেহেরপুরের গাংনীতে কৃষি প্রণোদনার আওতায় সমলয় চাষাবাদ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপনের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে গাংনীর ষোলটাকা মাঠে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসক শামীম হাসান।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবীদ বিজয় কৃষ্ণ হালদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথী ছিলেন গাংনী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ খালেক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গাংনী উপজেলা কৃষি অফিসার ইমরান হোসেন।

বক্তাগন রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপনের উপকারীতা তুলে ধরেন। এতে স্বল্প খরচে বেশি জমি আবাদ করা সম্ভব বলেও জানান কৃষি কর্মকর্তাগন।অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কয়েকশত কৃষাণ কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শার্শায় অবৈধ ইট ভাটা জন্য মাটি বালু উত্তলনে পরিবেশ হুমকির মুখে

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image
ইয়ানূর রহমান:যশোরের শার্শায় অবাধে একের পর এক অবৈধ ইট ভাটা নির্মাণ আর বালু উত্তলনে হুমকির মুখে পড়েছে  পরিবেশের ভারসাম্য।  অবৈধ মাটি ও ইটবাহী যানবাহনের চাপায়  প্রতিনিয়ত জীবন ঝরেছে  মানুষের। এতে উপজেলা প্রশাসনের  বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এদিকে বছরের পর বছর এ অবস্থা শার্শার সব কটি ইউনিয়নে বিরাজ করলেও টনক নড়েনি প্রশাসনের।  অভিযোগ রয়েছে সংশিষ্টদের  ঘুষ বানিজ্যে এর প্রতিকার হচ্ছেনা।  তবে উপজেলা প্রশাসন এসব কর্মকান্ডের বিষয়টি স্বীকার করে বলছেন দ্রুত এসব অনিয়ম রোধে আরো শক্তভাবে  কাজ  করবেন তিনি।

ভুক্তভোগী শার্শা উপজেলার বাসিন্দা ঢাকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান নিপুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, অবৈধ ইট ভাটাগুলো একটা নিয়ন্ত্রণে আনা যায় কিনা একটু দেখেন!  পিচের পাঁকা রাস্তা! অল্প বৃষ্টি হলে রাস্তার বেহাল অবস্থা হয়ে যায়। ইটভাটাগুলো বন্ধ করতে না পারলেও তাদের গাড়ি থেকে পরা কাদা মাটি থেকে অন্তত রাস্তাগুলো পরিষ্কার রাখার একটু ব্যবস্থা করেন। এলাকার হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন কষ্ট পাচ্ছে। কাদা শুকালে এমন ধূলা উড়ে যে ঐ এলাকায় চলাচল করা যায় না। এটা করতে পারলে হাজার হাজার মানুষ মন থেকে আপনার জন্য দোয়া করবে। 

এ বিষয়ে অভিজ্ঞ একজন প্রভাষক মনির হোসেন বলেন, কৃষি জমির পাশে  ইট ভাটা থাকলে ফসলের  উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায় ও জীব বৈচিত্র ক্ষতির মুখে পড়ে। এছাড়া নিয়ন না মেনে বালু উত্তোলনে যে কোন সময় ভুমি ধসের ঘটনাও  ঘটতে পারে। একারণে ইট ভাটা নির্মাণ বা বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে নিয়ম মানতে হবে।

উপজেলা সূত্রে জানা গেছে গত ১২ ডিসেম্বর নয়ন কুমার রাজবংশী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে যোগদান করলেও এখন পর্যন্ত কোন অবৈধ স্থাপনা, অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে তিনি কোন অভিযান পরিচালনা করেননি। অভিযোগ আছে প্রভাবশালীরা উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দেদারছে বালু, মাটি উত্তোলন, ইটভাটা, করাতকল, ক্লিনিক পরিচালনা করে আসছে। শার্শা উপজেলা ব্যাপী অবাধে চলছে অবৈধ ১৯টি ইটভাটা। অনুসন্ধানে জানা গেছে ১৯টি ইটভাটার না আছে পরিবেশ ছাড়পত্র, না আছে জেলা প্রশাসনের অনুমোদন। এরপরও শার্শায় কোন অদৃশ্য শক্তিতে এসব অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। একাধিক ভাটা আছে সরকারি স্কুল ও আবাসিক এলাকার মধ্যে। গত বছর ১৩ নভেম্বর হাইকোর্ট দেশের সব অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধে জেলা প্রশাসকদের ব্যবস্থা নিতে আদেশ দেন। হাইকোর্টের নির্দেশের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চললেও শার্শা উপজেলাতে চিত্র ভিন্ন। এখানে প্রশাসন অবৈধ ইটভাটা বন্ধে কোন ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। এছাড়াও আবাসিক এলাকার মধ্যে অবৈধ করাতকল থাকলেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা ব্যাপি চলছে মাটি বালু উত্তোলনের মহাউৎসব কোন অভিযান না থাকার কারনে কৃষি জমি থেকে প্রথমে গভীর করে মাটি উত্তোলন করে ইটভাটার চাহিদা মিটাচ্ছে। হাওর বাওর ও গভীর পুকুর থেকে দেদারছে চলছে বালু উত্তোলন।  

বেনাপোলের  বাসিন্দা ফারুক আহম্মেদ জানান,অনেক বছর যাবৎ বাহাদুরপুর রোড়ে আবাসিক এলাকার প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত আলামিন স-মিল চালানোর কারনে স-মিলের বিকট শব্দ ও কাঠের গুড়ার কারনে অতিষ্ট এলাকাবাসী। একাধিকবার পৌরমেয়র সহ উপজেলা প্রশাসনের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাননি। 

ভুক্তভোগী শার্শার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন জানান, সজনের ঘেরের পাশে ফসলি জমি থেকে বালু উত্তোলন করে বাড়ির পাশ দিয়ে দিনে ও রাতে দেদারছে বালুবাহী ট্রাক্টর-ট্রলি চলাচলের ফলে ধুলাবালির কারনে অতিষ্ট গ্রামবাসি। রাতেও ঘুমাতে পারছেন না এমনকি স্কুল পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা পড়ালেখায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। উপজেলা প্রসাশনের কোন তদরকি না থাকায় সাধারন মানুষ ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

বাহাদুরপুর ইউনিয়নের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের গুরুত্বপূর্ণ স্থান বাহাদুরপুর বাঁওড় থেকে জনসম্মুখে মেইন রডের সাথে ব্রীজের পাশে দেদারসে বালু উত্তোলন করে স্তুপ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু দেখার কেউ নেই।

এছাড়াও শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়ন, কায়বা ইউনিয়ন, পুটখালী ইউনিয়ন, বাঁগআচড়া ইউনিয়ন, লক্ষণপুর ইউনিয়ন, শার্শা ইউনিয়ন, উলশী ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন স্থানে অবাধে মাটি এবং বালু উত্তোলন করার একাধিক অভিযোগ থাকলেও নেই কোন কার্যকরী পদক্ষেপ। 

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশীকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আমিও এমন কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছি এবং কয়েকটি ইটভাটার সাথে কথা বলেছি তারা জানিয়েছেন বর্তমানে লাইসেন্স বন্ধ থাকায় তারা লাইসেন্স করতে পারছেন না। আর মাটি এবং বালুর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সেটা সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে জানাবেন। এগুলো দেখার জন্য তিনি আছেন।

তথ্য বলছে, গত ৫ বছরে মাটি ও বালুবাহী অবৈধ যানবাহনের চাপায় ১০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে। যার অধিকাংশ রয়েছে শিশু। এছাড়াও দূর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অনেকেই।  এদের মধ্যে আপাতত পাওয়া কয়েকজন নিহতের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন, ২০২৪ সালের ২৮ জানুয়ারি শার্শার পাচভুলোট গ্রামের আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছেলে মিজানুর রহমান নিহত হয়। গত  বছরের  ১৩ সেপ্টম্বর শার্শার উলাশী গ্রামের মনির ছেলে আব্দুর রহমান মাটির টলি চাপায় নিহত হয়। ১৯ আগস্ট শার্শার উত্তর বুরুজবাগান গ্রামের মোকসেদ আলীর ছেলে  খোরশেদ আলী ইঞ্জিন চালিত অবৈধ নসিমন চাপায় নিহত হয়। ২০২১ সালের ২২ মে শার্শার সেতাই গ্রামে মাটি বোঝায় ট্রাকটরের চাপায় হাসান আলীর ছেলে বিপ্লব হোসেন নামের এক যুবক ২০২১,সালের ১৪ ডিসেম্বর শার্শার কন্যাদহ গ্রামের কোরবান আলীর ৪ বছরের শিশু সন্তান তামিম ইকবাল বালুবোঝাই ট্রাকের চাপায় নিহত হয়। ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারী শার্শার রামপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের শিশু সন্তান মাটিবাহী ট্রাকটরের ঢাক্কায় নিহত হয়। ২০১৮ সালের ৯ ডিসেম্বর শার্শার বসতপুর গ্রামের জতিন দাসের ৭ বছরের শিশু সন্তান সোহাগ দাস মাটিবাহী ট্রাকের চাপায় নিহত হয়। এসময় এলাকার ক্ষুব্ধ জনতা ট্রাকটিতে আগুন লাগিয়ে দেই।

আরও খবর



রাজিবপুরে ইজিবাইক চালককে হত্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে ইজিবাইক চালককে হত্যার পর ইজিবাইক ছিনতাই করে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। ৩০ জানুয়ারী মঙ্গলবার উপজেলার স্লইজ গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত এনামুল হক (৪০) রৌমারী উপজেলার উত্তর ইছাকুড়ি ভিটে বাড়ি গ্রামের মৃত মেছের আলীর পুত্র।

পরিবার ও থানা সূত্রে জানা গেছে ২৯ জানুয়ারী সোমবার সকালে কর্তিমারী থেকে অজ্ঞাত কয়েকজন লোক তার ইজিবাইক ভাড়া করে কোম্পানির মালামাল বিক্রি করার উদ্দেশ্যে রাজিবপুর উপজেলায় নিয়ে যায়। সারাদিন পরিবারের সাথে যোগাযোগ না থাকায়, রাতে এনামুলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায় নি।

পরের দিন মঙ্গলবার সকালে রাস্তায় চলাচলরত লোকজন রাজিবপুর ধুলিউরা এলাকা স্লুইজগেট সংলগ্ন নিচু জমিতে অজ্ঞাত একজন লোককে অজ্ঞান অবস্থায় পরে থাকতে দেখতে পায়।

সঙ্গে সঙ্গে তারা রাজিবপুর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদেরকে জানায়। তৎক্ষণাত তারা অজ্ঞাত লোটিকে উদ্ধার করে রাজিবপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ডিউটিরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

এবিষয়ে মৃত এনামুলের বড় বোন মাহফুজা বেগম বলেন, আমার ছোট ভাই গতকাল সোমবার কোম্পানির মালামাল নিয়ে রাজিবপুর গেলে আর ফিরে আসে নাই। আজ মঙ্গলবার সকালে জানতে পারি তাকে হত্যা করা হয়েছে। প্রকৃত হত্যাকারি কারা, তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হউক। আমি হত্যাকারিদের শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।

এবিষয়ে রাজিবপুর থানায় একটি হত্যা মামলার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ব্যাপারে  রাজিবপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আশিকুর রহমান বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হবে।


আরও খবর



হিলিতে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণে পুরাদমে শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৫৬জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:খাদ্য শস্যর ভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরের জেলা দিনাজপুর।এই জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা হাকিমপুর হিলিতে চলতি মৌসুমে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ পুরাদমে শুরু করেছের কৃষকেরা। ফলে ব্যস্ত সময় পার করছেন এখানকার কৃষকেরা। বর্তমান সময়ে

বিদ্যুৎ, সার, কীটনাশক, ডিজেলসহ সবকিছুই দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার ইরি বোরো চাষে অতিরিক্ত খরচের দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কৃষকদের কপালে। মাঘের হিমেল বাতাস,কনকনে ঠান্ডা বাতাস আর ঘনকুয়াশাকে উপক্ষো করে জমি তৈরি ও বোরো ধানের চারা রোপণের কাজ করেছেন পুরুষ শ্রমিকদের পাশাপাশি ব্যস্ত সময় পার করছে আদিবাসী নারী শ্রমিকরাও। আবহাওয়া ভালো থাকলে বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পেলে অতিরিক্ত খরচ পুষিয়ে নিতে পারবে বলে আশা করছেন কৃষকেরা। হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে,চলতি মৌসুমে ইরি বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৫’শত ৭৪ হেক্টর জমিতে। শুরু থেকে কৃষি অফিস থেকে সরকারি প্রণোদনাসহ সবধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।

আজ বৃহস্পতিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) হাকিমপুর উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, ইরি বোরো ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। জমিতে বাড়তি সার হিসেবে বিঘা প্রতি ৬-৭ ভ্যান গোবর সার ছিটিয়ে দিচ্ছে। এরপর গভীর নলকূপ থেকে পানি দিয়ে জমি ভিজিয়ে নিয়ে পাওয়ার টিলার দিয়ে কেউবা মেসি (ট্রাক্টর) দিয়ে চাষ করছেন। এতে বিঘা প্রতি ২০ কেজি ডেপ, ১২ কেজি পটাস, ৫ কেজি জিপসার মিশিয়ে দ্বিতীয় বার চাষ করে চারা রোপণের জমি তৈরি করে জমিতে চারা রোপণ করছেন। ইতোমধ্যে এ উপজেলায় ১৫-২০ শতাংশ জমিতে চারা রোপণ শেষ হয়েছে।

উপজেলার সাদুরিয়া গ্রামের গভীর নলকূপ এর মালিক মফিজুল ইসলাম জানান,প্রতি বছর আমার এই গভীর নলকূপ দিয়ে মাঠে প্রায় ২০০-২৫০ বিঘা জমিতে পানি সেচ দিয়ে থাকি। এবারে ও ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ এর সংযোগ পেয়েছি এবং জমিতে পানি সেচ দিতে শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত আমার গভীর নলকূপ এর আওতায় প্রায় ৬০-৭০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করেছে কৃষকেরা। প্রতি ১০০ শতক (এক একর) জমির জন্য নেওয়া হচ্ছে ৩৬০০ (তিন হাজার ছয় শত টাকা। গত বছর নেওয়া হয়েছে তিন হাজার দুই শত টাকা। বিদুৎ এর খরচ বেশি তাছাড়া সবকিছুর দাম বেশি কি আর করা। উপজেলার জাংগই গ্রামের কৃষক জাহিদুল ইসলাম বলেন,আমি ১০ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করে থাকি। কয়েক দিনের মধ্যে আমার সম্পূর্ণ জমিতে চারা রোপণ শেষ হবে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার খরচের হিসাব বেশি গুনতে হচ্ছে। পানি সেচের খরচ, জমি চাষ করা,সার, কীটনাশক ও শ্রমিকসহ সবকিছুর দাম বেশি। তাই দুশ্চিন্তার মধ্যে আছি।

উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনা হিসেবে উফশী জাতের ধানের বীজ ও সার পেয়ে খুব উপকার হয়েছে। তবে এবার আবহাওয়া ভালো থাকলে গতবারের মতো এবার ও ইরিবোরো ধানের ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি। গত বছর ফসলের দাম ভালো পেয়েছি। আশা করছি এবারও ভালো দাম পাবো তাহলে খরচ পুষিয়ে নিতে পারবো বলে আশা করছি।উপজেলার চকচকা গ্রামের কৃষক জাকারিয়া বলেন, হারা ছোট-খাটো কৃষক মানুষ, হামার (আমার) বেশি আবাদি জমি নাই, মিচ্চে এ্যানা ৫-৬ বিঘা জমি চাষ করি।মানুষোক (মানুষ) নিয়ে কাম করে নেই না, নিজেই সব করি। বছরে ইরি আর আমন ধান লাগাই তাতে আল্লাহ দিলে ভালোই আবাদ হয়, ভালোই চলে।

উপজেলার জালালপুর বর্গাচাষি আলিম বলেন, আমরা গরীব মানুষ নিজের আবাদি জমি নাই বললেই চলে। অন্যের জমি চানা (বর্গা) নেই ইরি আবাদের জন্য, এক বিঘা জমি (৩৩ শতক) দশ হাজার টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে। বাজারে ইউরিয়া সার আগে ৮৫০-৯০০, পটাশ ৮০০, ডেপ ১০০০ টাকা ছিলো। বর্তমানে ইউরিয়া ১৩৫০, পটাশ ১১৫০, ডেপ ১০৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। জমি সেচের বাড়তি খরচ, সারের দাম, শ্রমিকদের মজুরি বেশি,সবকিছু মিলে কি হবে আল্লাহ ভালো জানে! তবে আশা করছি আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ধানের দাম ভালো পেলে খরচ পুষিয়ে নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ! উপজেলার খাট্রাউচনা মাঠের জমি রোপন করা শ্রমিক শাহাদৎ হোসেন বলেন,আমরা কয়েকজন মিলে একটা দল তৈরি করেছি। দীর্ঘদিন থেকে ইরিবোরো ও আমন ধানের চারা রোপণ করে থাকি। এবার ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ প্রতি বিঘা (৩৩ শতক) ১৩০০ টাকা করে নিচ্ছি। প্রতিদিন ৭ থকে ৮ বিঘা জমিতে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ করতেছি।

উপজেলার আরেক নারী শ্রমিক স্বপনা কুজুর বলেন, আমরা প্রতিদিন হাজিরা হিসেবে ইরি বোরো রোপণ করতেছি। প্রতিদিন হাজিরা হিসেবে ৫০০ টাকা পাই। হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ইরি বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৫’শ ৭৪ হেক্টর জমি।ইতোমধ্যে চারা রোপণ শুরু হয়েছে। আশা করছি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ইরি বোরো চাষ হবে। ইতিমধ্যে উপজেলায় ১৫-২০ শতাংশ জমিতে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ করা শেষ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলার প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ইরি বোরো হাইব্রিড ধানের বীজ (২০০০) জন মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আর উফশি জাতের প্রণোদনা হিসেবে (২০০০) জনের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করেছি। ইরি বোরো চাষে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সবধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও মাঠ কর্মীরা। আবহাওয়া অনূকুলে থাকলে আশা করছি এবারও কাঙ্খিত ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কৃষকেরা। এবারও ধানের দাম ভালো পেলে অতিরিক্ত খরচ পুষিয়ে নিতে পারবে বলেও আশা করছেন এই কৃষি কর্মকর্তা ।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় ইজতেমায়

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:তিন দিনের বিশ্ব ইজতেমায় দ্বিতীয় পর্বে দেশ বিদেশের লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির উপস্থিতিতে শুক্রবার বাদ ফজর শুরু হয়েছে। শুরুর দিনেই ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় বৃহত্তম জুমার নামাজ। এ নামাজকে ঘিরে ভোর থেকেই তুরাগ তীরে মুসল্লিদের ঢল নামে।

শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ২টায় অনুষ্ঠিত বিশাল জুমার নামাজের ইমামতি করেন দিল্লীর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ কান্ধলভী।

ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশগ্রহণকারীরা ছাড়াও জুমার নামাজে অংশ নিতে ভোর থেকেই রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা থেকে ইজতেমা মাঠে সমবেত হতে থাকে মুসল্লিরা। দুপুর ১২টার দিকে ইজতেমা মাঠ উপচে আশপাশের খোলা জায়গাসহ সব স্থান পরিপূর্ণ হয়ে যায়। এছাড়া টঙ্গীর বিভিন্ন উঁচু ভবনের ছাদ থেকেও মুসল্লিরা জুমার নামাজে অংশ নেয়।

বুধবার রাত থেকে বিভিন্ন জেলার মুসল্লিরা ইজতেমায় ময়দানে আসতে শুরু করে। এ পর্বে শুক্রবার পর্যন্ত ছয় হাজারের বেশি বিদেশি মেহমান এসেছে।

বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম জানিয়েছেন, প্রায় ৫৬টি দেশ থেকে ছয় হাজারের বেশি বিদেশি মেহমান ইজতেমায় যোগ দিয়েছেন।

দ্বিতীয় পর্বেও ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তায় আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গড়ে তুলেছেন নিরাপত্তা বলয়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুব আলম বলেন, বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বেও ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই পুরো ইজতেমা এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।


আরও খবর