সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে হুন্ডি করে অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগে চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম নয়ন আলী (৩৪), পিতা মৃত মোয়াজ্জেম হোসেন, মাতা মমতাজ বেগম, স্থায়ী ঠিকানা চামাগ্রাম, সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। গত ১৩ আগস্ট ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় প্রতারণায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সিআইডি জানায়, হোয়াটসঅ্যাপে অজ্ঞাত নম্বর থেকে লোভনীয় চাকরির বিজ্ঞাপন পাঠিয়ে প্রতারক চক্রটি প্রথমে ভুক্তভোগীদের ফাঁদে ফেলে। পরবর্তীতে টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে কাজের নির্দেশনা দিয়ে অল্প কিছু কাজ সম্পন্ন করার পর মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (বিকাশ, নগদ, রকেট) মাধ্যমে বেতন প্রদান করে তাদের আস্থা অর্জন করে। এরপর শুরু হয় বিনিয়োগের প্রলোভন; মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে টাস্ক কিনতে বাধ্য করা হয় ভুক্তভোগীদের। বিনিয়োগের টাকা বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তর করে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন আলী জানায়, তার পরিচিত জুহুরুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে চক্রে যুক্ত হয় সে। চক্রটির মূলহোতা মেহেদী হাসান (৩০)। তাদের নির্দেশে নয়ন আলী নিজের এবং বোন মাসরুফার ডাচ-বাংলা ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রতারণার অর্থ লেনদেন করত। প্রতি এক লাখ টাকার লেনদেনে সে এক হাজার টাকা কমিশন পেত এবং গত তিন মাসে এভাবে প্রায় চার লাখ টাকা আয় করেছে বলে স্বীকার করেছে।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, নয়ন আলীর ব্যবহৃত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে গত তিন মাসে প্রায় চার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা নং-১১ (তারিখ ২৬/০৩/২০২৫) ও ধানমন্ডি থানায় মামলা নং-১৭(০৪)২০২৫ পেনাল কোডের ৪০৬/৪২০ ধারায় রুজু হয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রামে একই অভিযোগে আরেকটি মামলা রয়েছে।
সিপিসি জানিয়েছে, চক্রের মূলহোতা মেহেদী হাসান ও জুহুরুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসা যেকোনো ধরনের বিনিয়োগ প্রস্তাবের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম নয়ন আলী (৩৪), পিতা মৃত মোয়াজ্জেম হোসেন, মাতা মমতাজ বেগম, স্থায়ী ঠিকানা চামাগ্রাম, সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। গত ১৩ আগস্ট ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় প্রতারণায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সিআইডি জানায়, হোয়াটসঅ্যাপে অজ্ঞাত নম্বর থেকে লোভনীয় চাকরির বিজ্ঞাপন পাঠিয়ে প্রতারক চক্রটি প্রথমে ভুক্তভোগীদের ফাঁদে ফেলে। পরবর্তীতে টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে কাজের নির্দেশনা দিয়ে অল্প কিছু কাজ সম্পন্ন করার পর মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (বিকাশ, নগদ, রকেট) মাধ্যমে বেতন প্রদান করে তাদের আস্থা অর্জন করে। এরপর শুরু হয় বিনিয়োগের প্রলোভন; মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে টাস্ক কিনতে বাধ্য করা হয় ভুক্তভোগীদের। বিনিয়োগের টাকা বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তর করে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন আলী জানায়, তার পরিচিত জুহুরুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে চক্রে যুক্ত হয় সে। চক্রটির মূলহোতা মেহেদী হাসান (৩০)। তাদের নির্দেশে নয়ন আলী নিজের এবং বোন মাসরুফার ডাচ-বাংলা ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রতারণার অর্থ লেনদেন করত। প্রতি এক লাখ টাকার লেনদেনে সে এক হাজার টাকা কমিশন পেত এবং গত তিন মাসে এভাবে প্রায় চার লাখ টাকা আয় করেছে বলে স্বীকার করেছে।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, নয়ন আলীর ব্যবহৃত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে গত তিন মাসে প্রায় চার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা নং-১১ (তারিখ ২৬/০৩/২০২৫) ও ধানমন্ডি থানায় মামলা নং-১৭(০৪)২০২৫ পেনাল কোডের ৪০৬/৪২০ ধারায় রুজু হয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রামে একই অভিযোগে আরেকটি মামলা রয়েছে।
সিপিসি জানিয়েছে, চক্রের মূলহোতা মেহেদী হাসান ও জুহুরুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসা যেকোনো ধরনের বিনিয়োগ প্রস্তাবের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।