মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার (১০ মে ২০২৬) রবিবার তেওতা আলোকদিয়াচর এলাকায় যমুনা নদীর নৌপথে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় আব্দুল করিমের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি বৈধভাবে চলাচলকারী একাধিক বাল্কহেড ও নৌযান জিম্মি করে মাঝিমাল্লাদের মারধর,ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার সংবাদ পেয়ে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মহরম আলি-এর নির্দেশনায় শিবালয় থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে জিম্মি থাকা বাল্কহেডগুলো উদ্ধার ও নৌপথ স্বাভাবিক করে দেয়। এতে করে বৈধ নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয় নৌযান মালিক,মাঝিমাল্লা ও সচেতন মহল প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলেন,সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নৌপথে চাঁদাবাজি রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন কঠোর অবস্থান অত্যন্ত জরুরি। প্রশাসনের এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে তারা আরোও বলেন, প্রতিনিয়ত এরকম অভিযান অব্যাহত থাকলে আমরা চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী কার্যক্রম নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত থেকে রক্ষা পাবো। আমরা চাই এরকম অভিযান প্রশাসনের পক্ষ থেকে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাই।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মহরম আলি গণমাধ্যমকে জানান, যমুনা নৌপথে বাল্কহেড অবরুদ্ধ করার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শিবালয় থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি আরোও বলেন,মানিকগঞ্জ জেলায় কোনো ধরনের অপরাধ বা চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক ও বদ্ধপরিকর।
শিবালয়ে যমুনা নদীতে চাঁদাবাজি সন্ত্রাসীদের নৌ-চলাচলে বাধা: প্রশাসনের অভিযানে মুক্ত নৌপথ
শিবালয়ে যমুনা নদীতে চাঁদাবাজি সন্ত্রাসীদের নৌ-চলাচলে বাধা: প্রশাসনের অভিযানে মুক্ত নৌপথ
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার (১০ মে ২০২৬) রবিবার তেওতা আলোকদিয়াচর এলাকায় যমুনা নদীর নৌপথে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় আব্দুল করিমের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি বৈধভাবে চলাচলকারী একাধিক বাল্কহেড ও নৌযান জিম্মি করে মাঝিমাল্লাদের মারধর,ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সংবাদ পেয়ে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মহরম আলি-এর নির্দেশনায় শিবালয় থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে জিম্মি
থাকা বাল্কহেডগুলো উদ্ধার ও নৌপথ স্বাভাবিক করে দেয়। এতে করে বৈধ নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়। স্থানীয় নৌযান মালিক,মাঝিমাল্লা ও সচেতন মহল প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলেন,সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নৌপথে চাঁদাবাজি রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন কঠোর অবস্থান অত্যন্ত জরুরি। প্রশাসনের এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে তারা আরোও বলেন, প্রতিনিয়ত এরকম অভিযান অব্যাহত থাকলে আমরা চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী কার্যক্রম নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত থেকে রক্ষা পাবো। আমরা চাই এরকম অভিযান
প্রশাসনের পক্ষ থেকে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাই। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মহরম আলি গণমাধ্যমকে জানান, যমুনা নৌপথে বাল্কহেড অবরুদ্ধ করার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শিবালয় থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরোও বলেন,মানিকগঞ্জ জেলায় কোনো ধরনের অপরাধ বা চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক ও বদ্ধপরিকর।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত