কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) কর্তৃক জোরপূর্বক ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টার ঘটনায় অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে।
বিএসএফ তাদের পুশইনের অভিযোগ অস্বীকার করায় এবং শূন্যরেখায় আটকে থাকা ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বর্তমানে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
ফলে ৪ জন নারী, ৪ জন পুরুষ এবং ৪টি শিশুসহ মোট ১২ জন মানুষ সীমান্তের শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে অত্যন্ত মানবেতর পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন।
এক নজরে পতাকা বৈঠক ও বর্তমান পরিস্থিতি
বৈঠকের সময় ও স্থান: শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় দৌলতপুরের বিলগাথুয়া ১৫০/৩ এস সাব-পিলার সংলগ্ন এলাকায় এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। মাত্র ২০ মিনিট স্থায়ী হয় এই বৈঠক।
প্রতিনিধি দল: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষে কুষ্টিয়া বিজিবি ৪৭ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক নুরুল হুদার নেতৃত্বে ৬ সদস্যের দল এবং বিএসএফের পক্ষে রাণীনগর ক্যাম্পের এসি সুনীল কুমার যাদবের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের দল অংশ নেন।
বিএসএফের অবস্থান: আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বিএসএফ পুশইনের পুরো অভিযোগটিই অস্বীকার করে। শূন্যরেখায় থাকা ১২ জনকে নিজেদের হেফাজতে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তারা বিষয়টি তদন্ত করার জন্য সময় চেয়েছে।
বিজিবির অবস্থান: বিজিবি এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন,
"বিএসএফ তাদের পুশইন করেছে। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং আমরা কোনোভাবেই এটা সমর্থন করি না। আমাদের একটাই কথা, যারা অবৈধ অনুপ্রবেশের শিকার হয়েছে, বিএসএফকেই তাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে।"
যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত
গত শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বিলগাথুয়া সীমান্ত দিয়ে এই ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। সে সময় সীমান্তে টহলরত বিজিবি সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পুশইন আটকে দেন এবং ভারত সীমান্তে ফেরত পাঠান।
এরপর থেকেই ওই ১২ জন বিচ্ছিন মানুষ সীমান্তের শূন্যরেখার ১৪৮/৩-এস পিলারের কাছে ভারতীয় সীমানার ৫০ গজ ভেতরে একটি পাটক্ষেতের মধ্যে আশ্রয় নিয়ে আছেন। তীব্র অনিশ্চয়তা আর মানবিক সংকটের মধ্যে কাটছে তাদের প্রতিটা মুহূর্ত। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বর্তমানে উক্ত সীমান্তে বিজিবির নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা: সিদ্ধান্তহীনতায় শেষ হলো পতাকা বৈঠক, শূন্যরেখায় মানবেতর কাটছে ১২ জনের জীবন
সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা: সিদ্ধান্তহীনতায় শেষ হলো পতাকা বৈঠক, শূন্যরেখায় মানবেতর কাটছে ১২ জনের জীবন
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) কর্তৃক জোরপূর্বক ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টার ঘটনায় অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। বিএসএফ তাদের পুশইনের অভিযোগ অস্বীকার করায় এবং শূন্যরেখায় আটকে থাকা ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বর্তমানে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।ফলে ৪ জন নারী, ৪ জন পুরুষ এবং ৪টি শিশুসহ মোট ১২ জন মানুষ সীমান্তের শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে অত্যন্ত মানবেতর পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন। এক নজরে পতাকা বৈঠক ও বর্তমান পরিস্থিতিবৈঠকের সময় ও স্থান: শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় দৌলতপুরের বিলগাথুয়া ১৫০/৩ এস সাব-পিলার সংলগ্ন এলাকায় এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। মাত্র ২০ মিনিট স্থায়ী হয় এই বৈঠক।
প্রতিনিধি দল: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষে কুষ্টিয়া বিজিবি ৪৭ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক নুরুল হুদার নেতৃত্বে ৬ সদস্যের দল এবং বিএসএফের পক্ষে রাণীনগর ক্যাম্পের এসি সুনীল কুমার যাদবের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের দল অংশ নেন। বিএসএফের অবস্থান: আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বিএসএফ পুশইনের পুরো অভিযোগটিই অস্বীকার করে। শূন্যরেখায় থাকা ১২ জনকে নিজেদের হেফাজতে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তারা বিষয়টি তদন্ত করার জন্য সময় চেয়েছে। বিজিবির অবস্থান: বিজিবি এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন,"বিএসএফ তাদের পুশইন করেছে। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং আমরা কোনোভাবেই এটা সমর্থন করি না। আমাদের একটাই কথা, যারা অবৈধ
অনুপ্রবেশের শিকার হয়েছে, বিএসএফকেই তাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে।" যেভাবে ঘটনার সূত্রপাতগত শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বিলগাথুয়া সীমান্ত দিয়ে এই ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। সে সময় সীমান্তে টহলরত বিজিবি সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পুশইন আটকে দেন এবং ভারত সীমান্তে ফেরত পাঠান। এরপর থেকেই ওই ১২ জন বিচ্ছিন মানুষ সীমান্তের শূন্যরেখার ১৪৮/৩-এস পিলারের কাছে ভারতীয় সীমানার ৫০ গজ ভেতরে একটি পাটক্ষেতের মধ্যে আশ্রয় নিয়ে আছেন। তীব্র অনিশ্চয়তা আর মানবিক সংকটের মধ্যে কাটছে তাদের প্রতিটা মুহূর্ত। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বর্তমানে উক্ত সীমান্তে বিজিবির নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত