সাভারের আমিনবাজার-আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল কার্যালয়ে(৮জুন ২৬ইং সোমবার) সকালে আকস্মিক পরিদর্শন করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল। এসময় প্রতিমন্ত্রীর সাথে কোনো সরকারি পতাকা,পুলিশ প্রটোকল কিংবা সরকারি দেহরক্ষী ছাড়াই ব্যক্তিগত গাড়িতে তিনি এই পরিদর্শনে আসেন। এ সময় দুই কার্যালয়ের সেবা কার্যক্রম,কর্মকর্তা উপস্থিতি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়ম ও ঘাটতির চিত্র উঠে আসে।
এ পরিদর্শনের শুরুতে সাভারের আমিনবাজার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে দেখা যায়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসাইন খান নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি প্রতিমন্ত্রীর আগমনের প্রায় ১৫–২০ মিনিট পর কার্যালয়ে আসেন।
প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনে আরও দেখা যায়, ৮ জন কর্মকর্তার মধ্যে মাত্র দুইজন সার্ভেয়ার ও নামজারি সহকারী নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় অফিসের বাইরে অবস্থান করা কয়েকজন সেবাপ্রার্থীরা জানান,তারা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসে এসে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। প্রতিমন্ত্রী তাদের সঙ্গে কথা বলে সেবা প্রদানে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এরপর তিনি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে কর্মকর্তাদের উপস্থিতির সময় যাচাই করেন ও তথ্য কেন্দ্র-কাম-হেল্প ডেস্কের দুর্বল অবকাঠামো এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
রেকর্ড কিপিং ও ডেটা এন্ট্রি টিমের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায়,ওই ইউনিটের কর্মকর্তারা যথাসময়ে উপস্থিত ছিলেন এবং কার্যক্রম চলমান ছিল। এ সময় প্রতিমন্ত্রী একাধিক রেকর্ড রুম ঘুরে দেখেন।
এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান,সার্ভার সমস্যার কারণে মিউটেশন (নামজারি) কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে তিনি সার্ভার-সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিতদের শোকজ করার নির্দেশ দেয়।
তিনি তথ্যকেন্দ্রকে ডেডিকেটেড জনবল দিয়ে পরিচালনার নির্দেশ দেন এবং সময়ের চেয়ে সেবার মান ও কার্যকারিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রী আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল (পলাশবাড়ী),সাভার কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় লাইসেন্সবিহীন নামজারি কার্যক্রম এবং অবৈধ দোকানপাট তার নজরে আসে।
তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে বিষয়টি অবহিত করেন এবং অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
মন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে আমিনবাজার ও আশুলিয়া দুই রাজস্ব সার্কেলেই সেবাদান ব্যবস্থাপনা,উপস্থিতি শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে একাধিক অনিয়মের চিত্র উঠে আসে।
সাভারে প্রটোকল বিহীন রাজস্ব সার্কেলে আকস্মিক পরিদর্শনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী: মীর হেলাল
সাভারে প্রটোকল বিহীন রাজস্ব সার্কেলে আকস্মিক পরিদর্শনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী: মীর হেলাল
সাভারের আমিনবাজার-আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল কার্যালয়ে(৮জুন ২৬ইং সোমবার) সকালে আকস্মিক পরিদর্শন করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল। এসময় প্রতিমন্ত্রীর সাথে কোনো সরকারি পতাকা,পুলিশ প্রটোকল কিংবা সরকারি দেহরক্ষী ছাড়াই ব্যক্তিগত গাড়িতে তিনি এই পরিদর্শনে আসেন। এ সময় দুই কার্যালয়ের সেবা কার্যক্রম,কর্মকর্তা উপস্থিতি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়ম ও ঘাটতির চিত্র উঠে আসে। এ পরিদর্শনের শুরুতে সাভারের আমিনবাজার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে দেখা যায়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসাইন খান নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি প্রতিমন্ত্রীর আগমনের প্রায় ১৫–২০ মিনিট পর কার্যালয়ে আসেন। প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনে আরও দেখা যায়, ৮ জন কর্মকর্তার মধ্যে মাত্র দুইজন সার্ভেয়ার ও নামজারি সহকারী নির্ধারিত
সময়ে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অফিসের বাইরে অবস্থান করা কয়েকজন সেবাপ্রার্থীরা জানান,তারা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসে এসে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। প্রতিমন্ত্রী তাদের সঙ্গে কথা বলে সেবা প্রদানে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর তিনি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে কর্মকর্তাদের উপস্থিতির সময় যাচাই করেন ও তথ্য কেন্দ্র-কাম-হেল্প ডেস্কের দুর্বল অবকাঠামো এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রেকর্ড কিপিং ও ডেটা এন্ট্রি টিমের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায়,ওই ইউনিটের কর্মকর্তারা যথাসময়ে উপস্থিত ছিলেন এবং কার্যক্রম চলমান ছিল। এ সময় প্রতিমন্ত্রী একাধিক রেকর্ড রুম ঘুরে দেখেন। এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান,সার্ভার সমস্যার কারণে মিউটেশন (নামজারি) কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ
পরিস্থিতিতে তিনি সার্ভার-সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিতদের শোকজ করার নির্দেশ দেয়। তিনি তথ্যকেন্দ্রকে ডেডিকেটেড জনবল দিয়ে পরিচালনার নির্দেশ দেন এবং সময়ের চেয়ে সেবার মান ও কার্যকারিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রী আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল (পলাশবাড়ী),সাভার কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় কার্যালয় সংলগ্ন এলাকায় লাইসেন্সবিহীন নামজারি কার্যক্রম এবং অবৈধ দোকানপাট তার নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে বিষয়টি অবহিত করেন এবং অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। মন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে আমিনবাজার ও আশুলিয়া দুই রাজস্ব সার্কেলেই সেবাদান ব্যবস্থাপনা,উপস্থিতি শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে একাধিক অনিয়মের চিত্র উঠে আসে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত