স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কর্মস্থলে যোগ না দেওয়া পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা চলমান রয়েছে বলে।
সোমবার (৮ জুন) পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যাদের কথা আপনারা ইশারা-ইঙ্গিতে বলছেন, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে। অনেকগুলো মামলা চলমান রয়েছে, কারওটা শেষ পর্যায়ে আছে।
গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অনেক পুলিশ কর্মকর্তা আত্মগোপনে যান। এখনও প্রায় একশ পুলিশ সদস্য পলাতক রয়েছেন বলে জানা যায়।
এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভাগীয় মামলাগুলোর কার্যক্রম শেষ হলে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে ব্যবস্থা সম্পর্কে বলা যাবে।
“তাদের অনেকের বিরুদ্ধে আইসিটিতে মামলা আছে, পেনাল কোর্টে মামলা আছে। আইন অনুযায়ী তারা বিচারের সম্মুখীন হবেন, সেটি আদালত দেখবে।”
অনুষ্ঠানে তিনটি পৃথক ঘটনায় প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে সনদ ও ২০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হয়।
এর মধ্যে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করে বিচার কার্যক্রমে সহায়তা করায় পল্লবী থানার ৯ সদস্য, দৌলতদিয়া ঘাটে বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে অর্ধশতাধিক প্রাণ রক্ষায় ভূমিকা রাখায় তিন নৌপুলিশ সদস্য এবং মুন্সীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করায় তিন পিবিআই সদস্য পুরস্কৃত হন।
এদিকে বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চ ও এপ্রিল মাসে দেশে ৬০৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং পুলিশের তৎপরতা বাড়লেও সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
টিআইবির ওই প্রতিবেদনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই প্রতিবেদনটি আমার সামনে নেই। আমরা মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান করি। আমাদের বছর হয়নি। ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় আমাদের সময়ে অনেক উন্নতি হয়েছে, অনেক অপরাধ কমেছে।
তিনি দাবি করেন, আমরা এই পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব পুলিশ বাহিনীতে রূপান্তর করতে পেরেছি বলে মনে হয়।
টিআইবির তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, টিআইবি তো সরকারি সংস্থা না। আপনারা পরিসংখ্যান নেবেন পুলিশ বিভাগ বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে। জনগণ বিচার করবে। টিআইবি পত্রিকার কাটিং থেকে রিপোর্ট করে, তারা কোনো তদন্ত করে না।
তবে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ঘটনাগুলো যথাযথভাবে যাচাই করার ব্যবস্থা করা হয় বলেও জানান তিনি।
কর্মস্থলে যোগ না দেওয়া পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কর্মস্থলে যোগ না দেওয়া পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কর্মস্থলে যোগ না দেওয়া পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা চলমান রয়েছে বলে। সোমবার (৮ জুন) পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যাদের কথা আপনারা ইশারা-ইঙ্গিতে বলছেন, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে। অনেকগুলো মামলা চলমান রয়েছে, কারওটা শেষ পর্যায়ে আছে। গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অনেক পুলিশ কর্মকর্তা আত্মগোপনে যান। এখনও প্রায় একশ পুলিশ সদস্য পলাতক রয়েছেন বলে জানা যায়। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভাগীয় মামলাগুলোর কার্যক্রম শেষ হলে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে ব্যবস্থা সম্পর্কে বলা যাবে। “তাদের অনেকের বিরুদ্ধে আইসিটিতে মামলা আছে, পেনাল কোর্টে মামলা আছে। আইন অনুযায়ী তারা বিচারের সম্মুখীন হবেন, সেটি আদালত দেখবে।” অনুষ্ঠানে
তিনটি পৃথক ঘটনায় প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে সনদ ও ২০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হয়। এর মধ্যে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করে বিচার কার্যক্রমে সহায়তা করায় পল্লবী থানার ৯ সদস্য, দৌলতদিয়া ঘাটে বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে অর্ধশতাধিক প্রাণ রক্ষায় ভূমিকা রাখায় তিন নৌপুলিশ সদস্য এবং মুন্সীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করায় তিন পিবিআই সদস্য পুরস্কৃত হন। এদিকে বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চ ও এপ্রিল মাসে দেশে ৬০৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং পুলিশের তৎপরতা বাড়লেও সামগ্রিক
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। টিআইবির ওই প্রতিবেদনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই প্রতিবেদনটি আমার সামনে নেই। আমরা মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান করি। আমাদের বছর হয়নি। ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় আমাদের সময়ে অনেক উন্নতি হয়েছে, অনেক অপরাধ কমেছে। তিনি দাবি করেন, আমরা এই পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব পুলিশ বাহিনীতে রূপান্তর করতে পেরেছি বলে মনে হয়। টিআইবির তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, টিআইবি তো সরকারি সংস্থা না। আপনারা পরিসংখ্যান নেবেন পুলিশ বিভাগ বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে। জনগণ বিচার করবে। টিআইবি পত্রিকার কাটিং থেকে রিপোর্ট করে, তারা কোনো তদন্ত করে না। তবে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ঘটনাগুলো যথাযথভাবে যাচাই করার ব্যবস্থা করা হয় বলেও জানান তিনি।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত