এলিট ফোর্স হিসেবে র্যাব আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই আইনের শাসন সমুন্নত রেখে দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে অপরাধ চিহ্নিতকরণ, প্রতিরোধ, শান্তি ও জনশৃংখলা রক্ষায় কাজ করে আসছে। র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে অবৈধ অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার, চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, খুনী, ছিনতাইকারী, অপহরণ ও প্রতারকদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
র্যাব-৩ গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেশের প্রচলিত আইন অমান্য করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় অবৈধভাবে কালো রঙের ওয়াকিটকি সেট দীর্ঘদিন যাবৎ বিক্রয় করে আসছে। কিন্তু বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক কালো রঙের ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের অপরাধ দমনে র্যাব নিয়মিত গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ রাজধানীর ফার্মগেট ও মালিবাগ এলাকায় র্যাব-৩ এর আভিযানিক দল ও বিটিআরসি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে ওয়াকিটকি এবং যন্ত্রাংশ নিজ হেফাজতে মজুদ রেখে BOAFANG HANDY নামে অনলাইন পেইজের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিকট অনলাইনে বিক্রয়কারী (১) আনিকুল ইসলাম নাঈম (৩৫), সাং- বক্তাবলি, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়ণগঞ্জ ও তার সহযোগী (২) সাব্বির আহমেদ (২৫), ৩/বি বিহারী পাড়া আনসার ক্যাম্প, মিরপুর, ঢাকাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তাদের নিকট হতে মোট ওয়াকিটকি সেট ৫৮টি, ওয়াকিটকি সেটের ব্যাটারী ২৯০টি, চার্জার ৫৯৫টি, ওয়াকিটকি সেটের ক্লিপ ২৫০টি ও ফিতা ২৫০টি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামীরা জানায় যে, তাদের BOAFANG HANDY নামে অনলাইন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধভাবে বেতার যন্ত্র ওয়াকিটকি সেট নিজেদের হেফাজতে রেখে বিক্রয় করে আসছে। কিন্তু তাদের হেফাজত হতে উদ্ধারকৃত এসকল ওয়াকিটকি এবং যন্ত্রাংশ সংক্রান্তে ধৃত আসামীদ্বয় ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার সংক্রান্ত লাইসেন্স ও কারিগরি গ্রহণযোগ্যতা সংক্রান্ত সনদ বা কোন ধরনের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারে নাই। এসব ওয়াকিটকিসেট অবৈধভাবে ৮০০/- বা ১,০০০/- টাকায় আমদানি করে দুই হাজার হতে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করে। ব্যাটারীর চার্জ ধারণের ক্ষমতা অনুযায়ী ওয়াকিটকির দামের তারতম্য হয়ে থাকে। ধৃত আসামিরা জানায় এ সকল ওয়াকিটকি ডোর টু ডোর অনলাইন সার্ভিসের মাধ্যমে চায়না হতে ক্রয় করে। দেশের সাধারন জনগণ ওয়াকিটকি বহনকারী একজন ব্যক্তিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে অপরাধীরা ভূয়া ডিবি, র্যাব সদস্য, ডিজিএফআই সদস্য, এনএসআই সদস্য এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ডাকাতি, রোড ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়সহ মারাত্মক অপরাধ সংগঠিত করে আসছে। এতে করে একদিকে যেমন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যখন সাদা পোশাকে দায়িত্বপালনের প্রয়োজন হয় তখন জনসাধারণ তাদেরকে ভূয়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ভেবে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এছাড়াও ওয়াকিটকির মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করে অপরাধ সংগঠন করলে পরবর্তীতে অপরাধী শনাক্তকরণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হবে। যা সার্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।
গ্রেফতারকৃত আনিকুল ইসলাম নাঈম (৩৫) উক্ত অনলাইন প্রতিষ্ঠানের মালিক। সে দীর্ঘ ০২ বছর যাবৎ অবৈধভাবে ওয়াকিটকি সামগ্রী নিজ হেফাজতে মজুদ রেখে বিক্রয় করে আসছে। গ্রেফতারকৃত সাব্বির আহমেদ (২৫) তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছে।
ধৃত আসামীদ্বয় ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার সংক্রান্ত লাইসেন্স ও কারিগরি গ্রহণযোগ্যতা সংক্রান্ত সনদ ব্যতিত পরস্পর যোগসাজশে ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধনী/২০১০) এর ৫৫(৭)/৫৭(৩)/৭৪ ধারার অপরাধ করায় রাজধানীর শাহজাহানপুর থানা ও শেরেবাংলা নগর থানায় পৃথক দুইটি মামলা রুজু করা হয়। ধৃত আসামী আনিকুল ইসলাম নাঈম (৩৫)’কে শাহজাহানপুর থানায় এবং আসামি সাব্বির আহমেদ (২৫)’ শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৩ গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেশের প্রচলিত আইন অমান্য করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় অবৈধভাবে কালো রঙের ওয়াকিটকি সেট দীর্ঘদিন যাবৎ বিক্রয় করে আসছে। কিন্তু বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক কালো রঙের ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের অপরাধ দমনে র্যাব নিয়মিত গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ রাজধানীর ফার্মগেট ও মালিবাগ এলাকায় র্যাব-৩ এর আভিযানিক দল ও বিটিআরসি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে ওয়াকিটকি এবং যন্ত্রাংশ নিজ হেফাজতে মজুদ রেখে BOAFANG HANDY নামে অনলাইন পেইজের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিকট অনলাইনে বিক্রয়কারী (১) আনিকুল ইসলাম নাঈম (৩৫), সাং- বক্তাবলি, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়ণগঞ্জ ও তার সহযোগী (২) সাব্বির আহমেদ (২৫), ৩/বি বিহারী পাড়া আনসার ক্যাম্প, মিরপুর, ঢাকাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তাদের নিকট হতে মোট ওয়াকিটকি সেট ৫৮টি, ওয়াকিটকি সেটের ব্যাটারী ২৯০টি, চার্জার ৫৯৫টি, ওয়াকিটকি সেটের ক্লিপ ২৫০টি ও ফিতা ২৫০টি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামীরা জানায় যে, তাদের BOAFANG HANDY নামে অনলাইন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধভাবে বেতার যন্ত্র ওয়াকিটকি সেট নিজেদের হেফাজতে রেখে বিক্রয় করে আসছে। কিন্তু তাদের হেফাজত হতে উদ্ধারকৃত এসকল ওয়াকিটকি এবং যন্ত্রাংশ সংক্রান্তে ধৃত আসামীদ্বয় ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার সংক্রান্ত লাইসেন্স ও কারিগরি গ্রহণযোগ্যতা সংক্রান্ত সনদ বা কোন ধরনের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারে নাই। এসব ওয়াকিটকিসেট অবৈধভাবে ৮০০/- বা ১,০০০/- টাকায় আমদানি করে দুই হাজার হতে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করে। ব্যাটারীর চার্জ ধারণের ক্ষমতা অনুযায়ী ওয়াকিটকির দামের তারতম্য হয়ে থাকে। ধৃত আসামিরা জানায় এ সকল ওয়াকিটকি ডোর টু ডোর অনলাইন সার্ভিসের মাধ্যমে চায়না হতে ক্রয় করে। দেশের সাধারন জনগণ ওয়াকিটকি বহনকারী একজন ব্যক্তিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে অপরাধীরা ভূয়া ডিবি, র্যাব সদস্য, ডিজিএফআই সদস্য, এনএসআই সদস্য এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ডাকাতি, রোড ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়সহ মারাত্মক অপরাধ সংগঠিত করে আসছে। এতে করে একদিকে যেমন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যখন সাদা পোশাকে দায়িত্বপালনের প্রয়োজন হয় তখন জনসাধারণ তাদেরকে ভূয়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ভেবে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এছাড়াও ওয়াকিটকির মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করে অপরাধ সংগঠন করলে পরবর্তীতে অপরাধী শনাক্তকরণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হবে। যা সার্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।
গ্রেফতারকৃত আনিকুল ইসলাম নাঈম (৩৫) উক্ত অনলাইন প্রতিষ্ঠানের মালিক। সে দীর্ঘ ০২ বছর যাবৎ অবৈধভাবে ওয়াকিটকি সামগ্রী নিজ হেফাজতে মজুদ রেখে বিক্রয় করে আসছে। গ্রেফতারকৃত সাব্বির আহমেদ (২৫) তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছে।
ধৃত আসামীদ্বয় ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার সংক্রান্ত লাইসেন্স ও কারিগরি গ্রহণযোগ্যতা সংক্রান্ত সনদ ব্যতিত পরস্পর যোগসাজশে ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধনী/২০১০) এর ৫৫(৭)/৫৭(৩)/৭৪ ধারার অপরাধ করায় রাজধানীর শাহজাহানপুর থানা ও শেরেবাংলা নগর থানায় পৃথক দুইটি মামলা রুজু করা হয়। ধৃত আসামী আনিকুল ইসলাম নাঈম (৩৫)’কে শাহজাহানপুর থানায় এবং আসামি সাব্বির আহমেদ (২৫)’ শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।