র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের প্রচলিত আইন ও বিধির আলোকে বিভিন্ন ধরণের সংঘটিত অপরাধ দমন, অপরাধী শনাক্তকরণ এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় বিচারের আওতায় আনয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে। হত্যা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপহরণ, প্রতারণা ও অন্যান্য চাঞ্চল্যকর অপরাধের বিরুদ্ধে র্যাবের নিরলস কার্যক্রম জননিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে বিবেচিত।
রাষ্ট্রীয় পরিবেশনীতি ও জনস্বাস্থ্যের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে র্যাব বিভিন্ন সময় নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। উল্লেখ্য, ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার পলিথিন ব্যাগের উৎপাদন, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও বর্তমানে এর ব্যবহার এখনও লক্ষ্য করা যায়, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ।
এই প্রেক্ষাপটে, নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারের অপকারিতা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে আজ র্যাবের উদ্যোগে *রাজধানীর খিলগাঁও ও বাসাবো কাঁচাবাজার এলাকায়* সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। উক্ত কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট বাজারের ব্যবসায়ী, দোকান মালিক ও সাধারণ জনগণের মাঝে পলিথিনের ক্ষতিকর দিক, বিকল্প পরিবেশবান্ধব পণ্য ব্যবহার এবং প্রচলিত আইনের আওতায় শাস্তির বিধান বিষয়ে অবহিত করা হয়। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুইজন কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে কার্যক্রমে সংহতি প্রকাশ করেন।
উক্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি, দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে র্যাব নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং পরিকল্পিত আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে, যা সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
রাষ্ট্রীয় পরিবেশনীতি ও জনস্বাস্থ্যের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে র্যাব বিভিন্ন সময় নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। উল্লেখ্য, ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার পলিথিন ব্যাগের উৎপাদন, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও বর্তমানে এর ব্যবহার এখনও লক্ষ্য করা যায়, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ।
এই প্রেক্ষাপটে, নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারের অপকারিতা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে আজ র্যাবের উদ্যোগে *রাজধানীর খিলগাঁও ও বাসাবো কাঁচাবাজার এলাকায়* সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। উক্ত কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট বাজারের ব্যবসায়ী, দোকান মালিক ও সাধারণ জনগণের মাঝে পলিথিনের ক্ষতিকর দিক, বিকল্প পরিবেশবান্ধব পণ্য ব্যবহার এবং প্রচলিত আইনের আওতায় শাস্তির বিধান বিষয়ে অবহিত করা হয়। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুইজন কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে কার্যক্রমে সংহতি প্রকাশ করেন।
উক্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি, দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে র্যাব নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং পরিকল্পিত আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে, যা সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।