নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া): ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য বুড়িশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ইকবাল চৌধুরী। নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর আগে তিনি নাসিরনগরের উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলা দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার অধিকারী ইকবাল চৌধুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে ১১ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। চারবার বুড়িশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া এই নেতা স্থানীয়ভাবে ন্যায়পরায়ণ এবং দক্ষ সালিশকারক হিসেবে খ্যাত। ২০২৫ সালে তিনি জেলা পর্যায়ে “শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন।
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নাসিরনগর বাজারে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “নির্বাচিত হলে নাসিরনগরের সঙ্গে জেলা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ ও কার্যকর করা হবে। অভ্যন্তরীণ সড়ক ও রাস্তাঘাট উন্নয়নের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা দৃঢ় করার মাধ্যমে জনগণ যেন নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, তা আমার প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, যুব সমাজের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেবেন, শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত করবেন এবং রাজনৈতিক হয়রানি ও মিথ্যা মামলা থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করবেন। “সব মিলিয়ে আমার লক্ষ্য নাসিরনগরকে আধুনিক ও বাসযোগ্য উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা,”—অন্তর্ভুক্তি করে তিনি উল্লেখ করেন।
ইকবাল চৌধুরী এও বলেন, “এই নির্বাচন ক্ষমতা অর্জনের জন্য নয়, এটি মানুষকে তাদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়ার সংগ্রাম। নাসিরনগরের মানুষের সমর্থন ও দোয়া ছাড়া আমি কিছুই করতে পারব না।”
এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এলএইচসি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো: মেয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী, পাইওনিয়ার ইন্সুরেন্স কোম্পানীর চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ চৌধুরী, ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী ওয়াজ্জিল চৌধুরী, ব্যারিস্টার জেরিন চৌধুরী এবং উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেন।
রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার অধিকারী ইকবাল চৌধুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে ১১ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। চারবার বুড়িশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া এই নেতা স্থানীয়ভাবে ন্যায়পরায়ণ এবং দক্ষ সালিশকারক হিসেবে খ্যাত। ২০২৫ সালে তিনি জেলা পর্যায়ে “শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন।
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নাসিরনগর বাজারে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “নির্বাচিত হলে নাসিরনগরের সঙ্গে জেলা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ ও কার্যকর করা হবে। অভ্যন্তরীণ সড়ক ও রাস্তাঘাট উন্নয়নের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা দৃঢ় করার মাধ্যমে জনগণ যেন নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, তা আমার প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, যুব সমাজের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেবেন, শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত করবেন এবং রাজনৈতিক হয়রানি ও মিথ্যা মামলা থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করবেন। “সব মিলিয়ে আমার লক্ষ্য নাসিরনগরকে আধুনিক ও বাসযোগ্য উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা,”—অন্তর্ভুক্তি করে তিনি উল্লেখ করেন।
ইকবাল চৌধুরী এও বলেন, “এই নির্বাচন ক্ষমতা অর্জনের জন্য নয়, এটি মানুষকে তাদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়ার সংগ্রাম। নাসিরনগরের মানুষের সমর্থন ও দোয়া ছাড়া আমি কিছুই করতে পারব না।”
এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এলএইচসি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো: মেয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী, পাইওনিয়ার ইন্সুরেন্স কোম্পানীর চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ চৌধুরী, ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী ওয়াজ্জিল চৌধুরী, ব্যারিস্টার জেরিন চৌধুরী এবং উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেন।