খুলনার সোনাডাঙ্গায় বহুল আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের প্রধান আসামি রফিক হাওলাদারকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। গত ২৯ মে সোনাডাঙ্গার দারুল আমান মসজিদ রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে বেবী বেগম (৪৫) এবং তার দুই নাতি শামীম ও মুস্তকিমের মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই পলাতক ছিলেন রফিক। তিনি নিহত দুই শিশুর সৎ বাবা।
ঘটনার পর থেকেই ঘাতক রফিককে হন্যে হয়ে খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদ এবং তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে র্যাব জানতে পারে, আসামি বরিশালে আত্মগোপন করে আছেন। এরই সূত্র ধরে র্যাব-৬-এর একটি আভিযানিক দল বরিশাল জেলার সদর থানার কাশিপুর এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।
র্যাবের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত রফিক হাওলাদার খুলনার দৌলতপুর থানা এলাকার মো. আলমগীর হাওলাদারের ছেলে।
গত ২৯ মে সন্ধ্যায় ঘরের ভেতর থেকে বেবী বেগম ও তার দুই নিষ্পাপ নাতির লাশ উদ্ধারের পর পুরো খুলনা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই রফিকের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া তার প্রতি সন্দেহের তীর আরও ঘনীভূত করে। শেষমেশ র্যাবের জালে আটকা পড়লেন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা।
র্যাব জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত রফিক হাওলাদারকে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
খুলনার ট্রিপল মার্ডার: আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না ঘাতক সৎ বাবার, বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার
খুলনার ট্রিপল মার্ডার: আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না ঘাতক সৎ বাবার, বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার
খুলনার সোনাডাঙ্গায় বহুল আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের প্রধান আসামি রফিক হাওলাদারকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। গত ২৯ মে সোনাডাঙ্গার দারুল আমান মসজিদ রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে বেবী বেগম (৪৫) এবং তার দুই নাতি শামীম ও মুস্তকিমের মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই পলাতক ছিলেন রফিক। তিনি নিহত দুই শিশুর সৎ বাবা। ঘটনার পর থেকেই ঘাতক রফিককে হন্যে হয়ে খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদ এবং তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে র্যাব জানতে পারে, আসামি বরিশালে আত্মগোপন করে আছেন। এরই সূত্র ধরে র্যাব-৬-এর একটি আভিযানিক দল বরিশাল জেলার সদর থানার কাশিপুর এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। র্যাবের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত রফিক হাওলাদার খুলনার দৌলতপুর থানা এলাকার মো. আলমগীর হাওলাদারের ছেলে। গত ২৯ মে
সন্ধ্যায় ঘরের ভেতর থেকে বেবী বেগম ও তার দুই নিষ্পাপ নাতির লাশ উদ্ধারের পর পুরো খুলনা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই রফিকের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া তার প্রতি সন্দেহের তীর আরও ঘনীভূত করে। শেষমেশ র্যাবের জালে আটকা পড়লেন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা। র্যাব জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত রফিক হাওলাদারকে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত