২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে এবং এর উপসর্গে আরও পাঁচজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪১১ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক দিনে মারা যাওয়া পাঁচজন শিশুই হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৪৩ জন শিশুর শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৬৮ জনে।
দেশে চলমান এই প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত সময়কালে পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত আকার নিয়েছে। এ সময়ে সারা দেশে মোট ৬১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ৯১ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল। বাকি ৫১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গজনিত কারণে।
একই সময়ে সন্দেহজনকভাবে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬ হাজার ৮৭৬ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৫০৩ জনের শরীরে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬২ হাজার ২৩৭ জন রোগী। তাদের মধ্যে ৫৮ হাজার ১৫৪ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছে।
হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে এবং এর উপসর্গে আরও পাঁচজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪১১ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক দিনে মারা যাওয়া পাঁচজন শিশুই হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪
ঘণ্টায় নতুন করে ২৪৩ জন শিশুর শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৬৮ জনে। দেশে চলমান এই প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত সময়কালে পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত আকার নিয়েছে। এ সময়ে সারা দেশে মোট ৬১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ৯১ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল। বাকি
৫১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গজনিত কারণে। একই সময়ে সন্দেহজনকভাবে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬ হাজার ৮৭৬ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৫০৩ জনের শরীরে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬২ হাজার ২৩৭ জন রোগী। তাদের মধ্যে ৫৮ হাজার ১৫৪ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত