টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ভেকু মেশিন ব্যবহার করে অবৈধভাবে পাহাড়ি লাল মাটি কাটার দায়ে চার ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোট ৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া ইয়াসমিন এ জরিমানা করেন।
জরিমানাপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীরা হলেন— বাঁশতৈল ইউনিয়নের পাঁচগাঁও এলাকার শহিদুল দেওয়ান (৩ লাখ টাকা), তরফপুর ইউনিয়নের ছিটমামুদপুর গ্রামের ইলিয়াস শিকদার (৩ লাখ টাকা), আজগানা ইউনিয়নের চিতেশ্বরী গ্রামের আহাদ শিকদার (২ লাখ টাকা) এবং কালিয়াকৈর উপজেলার চাপাইর গ্রামের শাহিন (১ লাখ টাকা)।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে ভেকু মেশিন দিয়ে পাহাড়ি লাল মাটির টিলা কেটে ড্রাম ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাটি কাটার সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে মোট ৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। প্রশাসন আরও জানায়, পরিবেশ ও পাহাড় রক্ষায় অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া ইয়াসমিন এ জরিমানা করেন।
জরিমানাপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীরা হলেন— বাঁশতৈল ইউনিয়নের পাঁচগাঁও এলাকার শহিদুল দেওয়ান (৩ লাখ টাকা), তরফপুর ইউনিয়নের ছিটমামুদপুর গ্রামের ইলিয়াস শিকদার (৩ লাখ টাকা), আজগানা ইউনিয়নের চিতেশ্বরী গ্রামের আহাদ শিকদার (২ লাখ টাকা) এবং কালিয়াকৈর উপজেলার চাপাইর গ্রামের শাহিন (১ লাখ টাকা)।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে ভেকু মেশিন দিয়ে পাহাড়ি লাল মাটির টিলা কেটে ড্রাম ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাটি কাটার সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে মোট ৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। প্রশাসন আরও জানায়, পরিবেশ ও পাহাড় রক্ষায় অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।