টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভসহ একাধিক নেতার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) মির্জাপুর উপজেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মোঃ সুজন মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ গোলাম মাহবুব খাঁন-এর আদালতে হাজির হয়ে মামলার আবেদন করেন। মামলাটি আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ৪/৫ ধারায় দায়ের করা হয়।
আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে বাদী কর্তৃক দাখিলকৃত অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভকে।
এছাড়া উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মীর শরীফ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক তাহারিম হোসেন সীমান্ত, মীর আসিফ অনিক, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম, গোড়াই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ (পশ্চিম) এর সভাপতি হাজী হুমায়ূন কবির এবং ছাত্রলীগ নেতা খান আহমেদ জয়নাল।
মামলার বিবরণীতে ৮ নম্বর আসামি হিসেবে সখীপুরের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপসের ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে আর্থিক যোগানদাতা হিসেবেও তার নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) মির্জাপুর উপজেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মোঃ সুজন মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ গোলাম মাহবুব খাঁন-এর আদালতে হাজির হয়ে মামলার আবেদন করেন। মামলাটি আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ৪/৫ ধারায় দায়ের করা হয়।
আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে বাদী কর্তৃক দাখিলকৃত অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভকে।
এছাড়া উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মীর শরীফ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক তাহারিম হোসেন সীমান্ত, মীর আসিফ অনিক, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম, গোড়াই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ (পশ্চিম) এর সভাপতি হাজী হুমায়ূন কবির এবং ছাত্রলীগ নেতা খান আহমেদ জয়নাল।
মামলার বিবরণীতে ৮ নম্বর আসামি হিসেবে সখীপুরের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপসের ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে আর্থিক যোগানদাতা হিসেবেও তার নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।