শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
সংসদ ভবন এলাকায় মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঝালকাঠিতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ২ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসাসেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ নবীনগর বিটঘর দানবীর মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য বিদ্যাপীঠ কলেজে সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে মানববৃক্ষ তৈরি করে পরিবেশ দিবস উদযাপন দ্বিতীয় সন্তানের মা হলেন বুললী হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু খুলনার ট্রিপল মার্ডার: আত্মগোপনেও শেষ রক্ষা হলো না ঘাতক সৎ বাবার, বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার সাথিয়া থানা পুলিশের অভিযানে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা প্রদান ভারতে একসঙ্গে ১৫ মসজিদ সিলগালা ব্রাজিল প্রস্তুতি ম্যাচে নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে নামবে
জাতীয় মধ্যরাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
logo

মধ্যরাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একাধিক জেলা মধ্যরাতে মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সিকিম অঞ্চলে পরপর কয়েকটি ভূমিকম্পের প্রভাবে গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটের দিকে ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুরসহ আশপাশের এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। এতে আতঙ্কে অনেক মানুষের ঘুম ভেঙে যায়।

ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলা দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

এদিকে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা ৩৯ মিনিট থেকে ২টা ৩ মিনিটের মধ্যে সিকিম অঞ্চলে পরপর তিন দফা ভূমিকম্প হয়। এর মধ্যে রাত ১টা ৩৯ মিনিটে ৪ দশমিক ৫, ১টা ৪৫ মিনিটে ৩ দশমিক ৫ এবং ২টা ৩ মিনিটে ২ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়। একটি ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল সিকিমের গ্যাংটক, অন্য দুটি উৎপত্তিস্থল গেয়ালশিং ও মঙ্গন এলাকায়।

কলকাতাভিত্তিক মিডিয়া আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দার্জিলিং ও শিলিগুড়িসহ বেশ কিছু অঞ্চল। কম্পন অনুভূত হয় প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও চীনেও। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫।

এছাড়া এই ভূমিকম্পের প্রভাব বাংলাদেশের রংপুর, নীলফামারী, রাজশাহী, নওগাঁ, পঞ্চগড়, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় অনুভূত হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব অল্প সময়ের হওয়ায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা জানান, সিকিম ও পার্শ্ববর্তী হিমালয় অঞ্চলটি একটি ভূমিকম্পপ্রবণ ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত। বড় কম্পনের পর ধারাবাহিকভাবে ছোট আকারের আফটারশক হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা, আর্থকুয়েক লিস্ট।

খুঁজুন