ভূমি মালিকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি এবার শেষ হতে যাচ্ছে। নতুনভাবে কার্যকর হওয়া ভূমি আইন ও প্রতিকার বিধিমালার আওতায় বেদখল জমি এখন তিন মাসের মধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব। জেলা প্রশাসক (ডিসি) অফিস এবং পুলিশ যৌথভাবে এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি ভূমিকা রাখবেন কিন্তু ঢাকার আশুলিয়ায় সরকারি নয়নজুলি খালটি কবে দখলমুক্ত করা হবে তা জাতি জানতে চায়।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর ২০২৫ইং) জানা যায়, ঢাকার আশুলিয়ায় নয়নজুলি খালসহ বিভিন্ন এলাকায় অনেক জমি বেদখল করে রেখেছে প্রভাবশালীরা, সরকারি নদী ও খাল বিল এবং ব্যক্তিমালিকানা জমি বেদখলে রয়েছে। ব্রিটিশ আমলের ভূমি ব্যবস্থাপনা আইনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে জমি উদ্ধারে জটিলতা থাকতো। অনেক ক্ষেত্রে অবৈধ দখলদাররা ভুয়া দলিল দেখিয়ে জমি দখল করে রাখতো, ফলে আসল মালিক বা তাদের উত্তরাধিকারীরাও সহজে জমি ফিরে পেতেন না। আদালতের মামলা প্রক্রিয়াও দীর্ঘ জটিল এবং সময়সাপেক্ষ ছিলো।
নতুন পদ্ধতিতে, বেদখল জমি উদ্ধারের জন্য নির্দিষ্ট খসড়া আবেদনপত্র ব্যবহার করে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করতে হবে। এরপর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের মাধ্যমে আবেদন যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। আইনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করতে হবে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা জরিপ ও তদন্তের মাধ্যমে দখলদারদের কাছ থেকে জমি উদ্ধারের নির্দেশ দেবেন। যাদের দখলে অবৈধভাবে জমি রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনকি তাদের জেল হাজতে পাঠানোর ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।
যদি কোনো কারণে ৩ মাসের মধ্যে সমস্যা সমাধান না হয়, তবে ভূমি মালিকরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সরকারি সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ এবং গাজীপুরের কিছু জেলায় এই প্রক্রিয়ার আওতায় জমি উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং সফলভাবে জমি পুনরায় মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এই নতুন পদক্ষেপে আশা করা হচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান ভূমি বিরোধ ও দখল সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে, এবং জমির আসল মালিকরা সঠিকভাবে তাদের সম্পত্তি পেতে পারবেন। উক্ত ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, সরকারি খাল বিল ও নদী দখল করে রেখেছে প্রভাবশালীরা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরাসহ সচেতন মহল।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
রবিবার (৭ ডিসেম্বর ২০২৫ইং) জানা যায়, ঢাকার আশুলিয়ায় নয়নজুলি খালসহ বিভিন্ন এলাকায় অনেক জমি বেদখল করে রেখেছে প্রভাবশালীরা, সরকারি নদী ও খাল বিল এবং ব্যক্তিমালিকানা জমি বেদখলে রয়েছে। ব্রিটিশ আমলের ভূমি ব্যবস্থাপনা আইনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে জমি উদ্ধারে জটিলতা থাকতো। অনেক ক্ষেত্রে অবৈধ দখলদাররা ভুয়া দলিল দেখিয়ে জমি দখল করে রাখতো, ফলে আসল মালিক বা তাদের উত্তরাধিকারীরাও সহজে জমি ফিরে পেতেন না। আদালতের মামলা প্রক্রিয়াও দীর্ঘ জটিল এবং সময়সাপেক্ষ ছিলো।
নতুন পদ্ধতিতে, বেদখল জমি উদ্ধারের জন্য নির্দিষ্ট খসড়া আবেদনপত্র ব্যবহার করে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করতে হবে। এরপর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের মাধ্যমে আবেদন যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। আইনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার ৩ মাসের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করতে হবে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা জরিপ ও তদন্তের মাধ্যমে দখলদারদের কাছ থেকে জমি উদ্ধারের নির্দেশ দেবেন। যাদের দখলে অবৈধভাবে জমি রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনকি তাদের জেল হাজতে পাঠানোর ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।
যদি কোনো কারণে ৩ মাসের মধ্যে সমস্যা সমাধান না হয়, তবে ভূমি মালিকরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সরকারি সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ এবং গাজীপুরের কিছু জেলায় এই প্রক্রিয়ার আওতায় জমি উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং সফলভাবে জমি পুনরায় মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এই নতুন পদক্ষেপে আশা করা হচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান ভূমি বিরোধ ও দখল সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে, এবং জমির আসল মালিকরা সঠিকভাবে তাদের সম্পত্তি পেতে পারবেন। উক্ত ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, সরকারি খাল বিল ও নদী দখল করে রেখেছে প্রভাবশালীরা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরাসহ সচেতন মহল।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব