মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: ২০ এপ্রিল ২০২৬,সোমবার মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের পাহারায় দেদারসে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। উপজেলার তেওতা ও আলোকদিয়ার চর এলাকায় এই কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর কোনো প্রতিরোধ দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, গুরুত্বপূর্ণ টাওয়ার এবং আশপাশের বসতবাড়ি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আলোকদিয়ার চর এলাকায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র প্রকাশ্যে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী কয়েকজনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই সিন্ডিকেট অন্তত দুটি ড্রেজারের মাধ্যমে ব্যাপক পরিমাণ বালু তুলে তা বাল্কহেডে লোড করছে। জাতীয় গ্রিডের ৭ ও ৮ নম্বর টাওয়ারের কাছাকাছি থেকে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক বাল্কহেডে বালু পরিবহন করা হচ্ছে, যা সরাসরি অবকাঠামোর স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
এলাকায় প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে সশস্ত্র যুবকদের কড়া পাহারা। বহিরাগত বা গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি টের পেলেই তারা আগ্রাসী আচরণ করছে। স্থানীয় এক নৌযানচালক জানান, “ওদের এলাকায় কাছে যাওয়া মানেই জীবন ঝুঁকি—গুলি চালাতেও পিছপা হবে না।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সিন্ডিকেটে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর সদস্যদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। বালুর দখলকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন গ্রুপ, যা পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ রয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে এই অবৈধ বাণিজ্য টিকিয়ে রাখা হচ্ছে।
এদিকে, শিবালয়-পাটুরিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ বিষয়ে অজ্ঞতার কথা জানালে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রশ্ন—এত বড় পরিসরে সশস্ত্র অবস্থানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চললেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কীভাবে তা জানে না?
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ওই এলাকায় কোনো বৈধ বালুমহল নেই। জেলা প্রশাসকের ভাষ্য অনুযায়ী, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনুমোদন ছাড়া বালু উত্তোলন সরাসরি দণ্ডনীয় অপরাধ। এর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসী কার্যক্রম যুক্ত হলে তা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে যৌথ বাহিনীর অভিযান, ড্রেজার জব্দ এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা কিংবা প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।
মানিকগঞ্জে সশস্ত্র পাহারায় অবৈধ বালু উত্তোলন: ঝুঁকিতে গ্রিডের টাওয়ার
মানিকগঞ্জে সশস্ত্র পাহারায় অবৈধ বালু উত্তোলন: ঝুঁকিতে গ্রিডের টাওয়ার
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: ২০ এপ্রিল ২০২৬,সোমবার মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের পাহারায় দেদারসে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। উপজেলার তেওতা ও আলোকদিয়ার চর এলাকায় এই কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর কোনো প্রতিরোধ দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, গুরুত্বপূর্ণ টাওয়ার এবং আশপাশের বসতবাড়ি। সরেজমিনে দেখা গেছে, আলোকদিয়ার চর এলাকায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র প্রকাশ্যে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী কয়েকজনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই সিন্ডিকেট অন্তত দুটি ড্রেজারের মাধ্যমে ব্যাপক পরিমাণ বালু তুলে তা বাল্কহেডে লোড করছে। জাতীয় গ্রিডের ৭ ও ৮ নম্বর টাওয়ারের কাছাকাছি থেকে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক বাল্কহেডে বালু পরিবহন করা হচ্ছে, যা সরাসরি
অবকাঠামোর স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।এলাকায় প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে সশস্ত্র যুবকদের কড়া পাহারা। বহিরাগত বা গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি টের পেলেই তারা আগ্রাসী আচরণ করছে। স্থানীয় এক নৌযানচালক জানান, “ওদের এলাকায় কাছে যাওয়া মানেই জীবন ঝুঁকি—গুলি চালাতেও পিছপা হবে না।” স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সিন্ডিকেটে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর সদস্যদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। বালুর দখলকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন গ্রুপ, যা পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ রয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে এই অবৈধ বাণিজ্য টিকিয়ে রাখা হচ্ছে।এদিকে, শিবালয়-পাটুরিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ বিষয়ে অজ্ঞতার কথা জানালে তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রশ্ন—এত বড় পরিসরে
সশস্ত্র অবস্থানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চললেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কীভাবে তা জানে না? জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ওই এলাকায় কোনো বৈধ বালুমহল নেই। জেলা প্রশাসকের ভাষ্য অনুযায়ী, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনুমোদন ছাড়া বালু উত্তোলন সরাসরি দণ্ডনীয় অপরাধ। এর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসী কার্যক্রম যুক্ত হলে তা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে যৌথ বাহিনীর অভিযান, ড্রেজার জব্দ এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা কিংবা প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত