বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য খুলনায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: প্রথম রাতেই গ্রেপ্তার ৭ আলোচিত ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, আদালতে আনা হয়েছে আসামিদের নীতিমালা আসছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর জন্য: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ যুগ্ম সচিব আনিসুরকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হলো পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কাজ কী দেশের যেসব অঞ্চলে দুপুর ১টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা বাংলাদেশ টানা তৃতীয়বারেরমত ফাইনালে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে আইভী বাসায় ফিরে সরকারকে ধন্যবাদ দিয়ে যা বললেন
অপরাধ মা মরা মেয়েটা বিমানের এমডির স্ত্রীকে ডাকতেন আম্মা, সেই মেয়েটাকে প্রতিদিন মারধর করতো
logo

মা মরা মেয়েটা বিমানের এমডির স্ত্রীকে ডাকতেন আম্মা, সেই মেয়েটাকে প্রতিদিন মারধর করতো

রাজধানীর উত্তরায় মা মরা মেয়েটি সব কাজ করাতো। কিছু ভুল হলে শরীরে গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দিতো।
মেয়েটির নিজের ভাষ্যেই, 'মাথার চুল টেনে ছিঁড়ে ফেলতো। বাথরুমে আটকে রাখতো। খাইতে দিতো না। ক্ষুধা লাগলেও ভয়ে খাবার চাইতাম না।'
মেয়েটির গলা, পিঠ, হাত, পা-সহ শরীরের প্রায় সব জায়গায় পোড়া দাগ। গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে। ঠিকমতো সে এখন আর কথা বলতেও পারে না।
মেয়েটির মা মারা গেছে ওর বয়স যখন তিন বছর। এরপর আর বিয়ে করেনি তার বাবা। বৃদ্ধ দাদির কাছে থাকত। গরিব ঘরের মানুষ। পিতা হোটেলের ভাসমান শ্রমিক।
তাই বড়োলোকের ঘরে কাজে দিয়েছিল। মানুষ করবে কথা ছিল। বিয়েশাদি পর্যন্ত দিয়ে দিবে বলেছিল তারা। দেখা করতে দেয় নি, আহত ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় কাগজে সই রেখে এরপর মেয়েটিকে পিতার কাছে দিয়েছে।
ভিক্টিম মেয়েটির ছবি শেয়ার করা সব বিবেচনাতেই অনুচিত। তবুও বারংবার শেয়ার করতে হচ্ছে, কারণ এই দেশে কথা না বললে নূন্যতম বিচার হয় না।
তাও আবার গরিব হোটেল বয় পিতার এই সন্তানের বিচার বিমানের এমডির পরিবারের বিপরীতে তো হবেই না!
বিমান বাংলাদেশের ওয়েবসাইটে সগৌরবে এখনও সেই এমডির ছবি দেওয়া! ১৭ সালে অবসরে যাওয়া এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের পরও এই সরকার একটা বিবৃতি দেয় নাই।
এই শিশুর চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন ও আর্থিক ক্ষতিপূরণের কোনও প্রতিশ্রুতি সরকারের পক্ষ থেকে নাই। অথচ সরকারের নারী ও শিশুর নামে একটা মন্ত্রণালয় আছে।
একটা শিশুর জন্য রাষ্ট্র কিছুই করার কথা বললো না! চার ছক্কা মারলে পুরস্কার ঘোষণায় রাষ্ট্র যতটা তড়িৎ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে, গরিবের পাশে ততটাই নিস্পৃহ!
এটা নিয়ে যেন কথা বলা আমরা বন্ধ না করি। আমরা চুপ হলে এ মেয়েটা বিচার পাবে না।

খুঁজুন