খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের কপোতাক্ষ নদের তিনটি স্থানে বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় চিংড়ি ঘের মালিকদের বাঁধ কেটে পাইপ বসিয়ে পানি উত্তোলনের ফলে এসব স্থানে বাঁধ সরু ও নিচু হয়ে গেছে। এর ফলে জোয়ারের সময় কাঠিপাড়া এলাকায় বেড়িবাঁধ উপচে বিলের ভেতরে পানি প্রবেশ করছে।
কতিপয় স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে: শালিখা ব্রিজ থেকে খেসরা ব্রিজ পর্যন্ত চার কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধের তিনটি স্থানে (সুন্দর আলী,আমজাদ আলী ও কার্তিক সরকারের ঘের সংলগ্ন) বাঁধ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছু ঘের মালিক অধিক লাভের আশায় ওয়াপদার বেড়িবাঁধ ছিদ্র করে পাইপ বসিয়ে পানি নিচ্ছেন, এতে বাঁধের মাটি দুর্বল হয়ে পড়েছে।
আব্দুল মজিদ নামের এক ঘের ব্যবসায়ী বলেন, “যেসব জায়গায় পাইপ বসানো হয়েছে, সেগুলোই এখন সবচেয়ে দুর্বল। জোয়ারে পানি উপচে বিলের ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে।”
বিল কমিটির সভাপতি এস. কে. আসাদুল্লাহ মিঠু বলেন: “বাঁধ ছিদ্র করে পানি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হাজার বিঘা জমির ফসল, পানের বরজ ও চিংড়ি ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার বলেন, “বিষয়টি জেনেছি। অবৈধ পাইপ অপসারণ ও বাঁধ সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পাইপ বসিয়ে পানি তোলা বন্ধ করে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংস্কার করতে হবে, যাতে আগাম ক্ষতি থেকে ফসল ও ঘের রক্ষা পায়।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
কপোতাক্ষ নদের তিন স্থানে বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ পাইপ বসিয়ে পানি তোলা বন্ধ ও দ্রুত সংস্কারের দাবি
কপোতাক্ষ নদের তিন স্থানে বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ পাইপ বসিয়ে পানি তোলা বন্ধ ও দ্রুত সংস্কারের দাবি
খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের কপোতাক্ষ নদের তিনটি স্থানে বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় চিংড়ি ঘের মালিকদের বাঁধ কেটে পাইপ বসিয়ে পানি উত্তোলনের ফলে এসব স্থানে বাঁধ সরু ও নিচু হয়ে গেছে। এর ফলে জোয়ারের সময় কাঠিপাড়া এলাকায় বেড়িবাঁধ উপচে বিলের ভেতরে পানি প্রবেশ করছে।কতিপয় স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে: শালিখা ব্রিজ থেকে খেসরা ব্রিজ পর্যন্ত চার কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধের তিনটি স্থানে (সুন্দর
আলী,আমজাদ আলী ও কার্তিক সরকারের ঘের সংলগ্ন) বাঁধ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছু ঘের মালিক অধিক লাভের আশায় ওয়াপদার বেড়িবাঁধ ছিদ্র করে পাইপ বসিয়ে পানি নিচ্ছেন, এতে বাঁধের মাটি দুর্বল হয়ে পড়েছে।আব্দুল মজিদ নামের এক ঘের ব্যবসায়ী বলেন, “যেসব জায়গায় পাইপ বসানো হয়েছে, সেগুলোই এখন সবচেয়ে দুর্বল। জোয়ারে পানি উপচে বিলের ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে।”বিল কমিটির সভাপতি এস. কে. আসাদুল্লাহ মিঠু বলেন: “বাঁধ ছিদ্র
করে পানি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হাজার বিঘা জমির ফসল, পানের বরজ ও চিংড়ি ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হবে।পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার বলেন, “বিষয়টি জেনেছি। অবৈধ পাইপ অপসারণ ও বাঁধ সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পাইপ বসিয়ে পানি তোলা বন্ধ করে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংস্কার করতে হবে, যাতে আগাম ক্ষতি থেকে ফসল ও ঘের রক্ষা পায়।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত