মাঝ পথে খুলনা শিপইয়ার্ড সড়কের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খুলনা নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের সদস্য সচিব এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে শিপইয়ার্ড সড়কটির উন্নয়ন কাজের নামে বিভিন্ন প্রকার গাফিলতি এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এর মধ্যে প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে তিন বার।
অথচ নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বারের এ সড়কটির কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বার বার প্রশ্ন উত্থাপিত হলে বিভিন্ন প্রকার অজুহাত দিয়ে ১২টি বছর কাটিয়ে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। দুর্ভোগের কারণে জনগণের যখন নাভিশাস, অপেক্ষার প্রহর গুণছেন কবে শেষ হবে এ সড়কটির উন্নয়ন কাজ, স্বাচ্ছন্দে চলাচল করতে পারবেন মানুষজন। ঠিক তখনই কাজটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে নগরবাসী রীতিমত হতাশ।
অথচ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে এমতাবস্থায় ৭০ কোটি টাকা পরিশোধ করে কার্যাদেশ স্থগিত করা হলো। এর ফলে নগরবাসীর সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে কবে কিভাবে শেষ হবে সড়কের উন্নয়ন কাজ।
বিবৃতিতে বলা হয়, সড়কটির বেহাল দশার কারণে শুধুমাত্র ঐ এলাকার মানুষই দুর্ভোগে আছেন তাই নয়। পুরো নগরবাসী এমনকি সারাদেশ থেকে খুলনায় যাতায়াত করা মানুষজনকেও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সাথে সাথে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ব্যবসা-বানিজ্য। সুতরাং দীর্ঘ সময়কালের এর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণও অনেক বড়। নেতৃবৃন্দ প্রশ্ন উত্থাপন করেন এর দায়ভার কার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নাকি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের।
বিবৃতিতে উন্নয়ন কাজ দ্রুত সম্পন্ন এবং এবিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহŸান জানানো হয়। অন্যথায় ভুক্তভোগী এলাকাবাসীসহ নগরবাসীকে সাথে নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
সংগঠনের সদস্য সচিব এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে শিপইয়ার্ড সড়কটির উন্নয়ন কাজের নামে বিভিন্ন প্রকার গাফিলতি এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এর মধ্যে প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে তিন বার।
অথচ নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বারের এ সড়কটির কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বার বার প্রশ্ন উত্থাপিত হলে বিভিন্ন প্রকার অজুহাত দিয়ে ১২টি বছর কাটিয়ে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। দুর্ভোগের কারণে জনগণের যখন নাভিশাস, অপেক্ষার প্রহর গুণছেন কবে শেষ হবে এ সড়কটির উন্নয়ন কাজ, স্বাচ্ছন্দে চলাচল করতে পারবেন মানুষজন। ঠিক তখনই কাজটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে নগরবাসী রীতিমত হতাশ।
অথচ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে এমতাবস্থায় ৭০ কোটি টাকা পরিশোধ করে কার্যাদেশ স্থগিত করা হলো। এর ফলে নগরবাসীর সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে কবে কিভাবে শেষ হবে সড়কের উন্নয়ন কাজ।
বিবৃতিতে বলা হয়, সড়কটির বেহাল দশার কারণে শুধুমাত্র ঐ এলাকার মানুষই দুর্ভোগে আছেন তাই নয়। পুরো নগরবাসী এমনকি সারাদেশ থেকে খুলনায় যাতায়াত করা মানুষজনকেও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সাথে সাথে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ব্যবসা-বানিজ্য। সুতরাং দীর্ঘ সময়কালের এর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণও অনেক বড়। নেতৃবৃন্দ প্রশ্ন উত্থাপন করেন এর দায়ভার কার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নাকি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের।
বিবৃতিতে উন্নয়ন কাজ দ্রুত সম্পন্ন এবং এবিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহŸান জানানো হয়। অন্যথায় ভুক্তভোগী এলাকাবাসীসহ নগরবাসীকে সাথে নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।