খুলনা মহানগরীর গল্লামারী থেকে শহরে আসার একমাত্র প্রবেশ পথ এবং বহুমুখী জনবহুল এলাকা নামে পরিচিত রয়েছে।
খুলনা গল্লামারী ব্রিজের সংলগ্ন গড়ে উঠেছে ইনসান আহাম্মেদ মার্কেট গড়েউঠা মার্কেটের পাশে রয়েছে ময়ূর নদীর তীরে সরকারি জলাশয়ের জায়গা দখল করে ব্যয়বহুল ভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে পার্শ্ববর্তী জমির মালিক পক্ষ এমনই অবস্থায় ময়ূর নদীর পানি নিষ্কাশনের জন্য অনেক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।
ইনসান আহম্মেদ মার্কেটের মালিক মোঃ মনির আহম্মেদ. তার ভাই নাসির আহাম্মেদ ও তার ভাইপো আব্দুল্লাহ পিতা রাকিব আহমেদ। গত ১৮ সালে এসিল্যান্ড ময়ূর নদীর তীরে সরকারি জায়গার সীমান মেপে পিলার পুতে দেয়া হয়। পর মুহূর্তে খুলনার ডিসি মহোদয় ময়ূর নদী সংলগ্নে ইনসান আহম্মেদ মার্কেটের মালিকের দখলে থাকা সরকারি জায়গায় মার্কেট দোকানপাট ভেঙ্গে উচ্ছেদ করেন।
পুনরায় উচ্ছেদকৃত ময়ূর নদীর তীরে আবারো দখল করে বিশাল মার্কেট নির্মাণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছে মোঃ মনির আহম্মেদ।ময়ূর নদী জায়গা দখল করে মার্কেট বানানোর বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে নাসির উদ্দিন বলেন: ময়ূর নদীর তীরে আমাদের এখনো ৩০ ফুট জায়গা রয়েছে আমরা সরকারি ময়ূর নদীর চরের জায়গা দখল করে মার্কেট তৈরি করি নাই বলে জানিয়েছেন।
মোঃ মনির আহম্মেদ ও মোঃ নাসির আহম্মেদ আব্দুল্লাহ সহ আওয়ামী লীগের ক্ষমতা থাকা অবস্থায় সাবেক এমপি জুয়েল এর প্রভাব খাটিয়ে ময়ূর নদীর তীরে জায়গা দখল করে বিশাল মার্কেট গড়ে তোলেন।
ময়ূর নদী সংলগ্নে থাকা সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট বানানোর কারনে শহরের বিভিন্ন স্থানের পানি নিষ্কাশনের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন পুনরায় সরকারি জায়গা থেকে মার্কেটটি উচ্ছেদ করে ময়ূর নদীটি খনন করলে শহরের পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা হবে বলে জানিয়েছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
খুলনার গল্লামারী ব্রিজ সংলগ্ন ময়ূরনদীর কিছু অংশ চর দখল করে ইনসান আহম্মেদ মার্কেট গড়ে উঠেছে
খুলনার গল্লামারী ব্রিজ সংলগ্ন ময়ূরনদীর কিছু অংশ চর দখল করে ইনসান আহম্মেদ মার্কেট গড়ে উঠেছে
খুলনা মহানগরীর গল্লামারী থেকে শহরে আসার একমাত্র প্রবেশ পথ এবং বহুমুখী জনবহুল এলাকা নামে পরিচিত রয়েছে। খুলনা গল্লামারী ব্রিজের সংলগ্ন গড়ে উঠেছে ইনসান আহাম্মেদ মার্কেট গড়েউঠা মার্কেটের পাশে রয়েছে ময়ূর নদীর তীরে সরকারি জলাশয়ের জায়গা দখল করে ব্যয়বহুল ভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে পার্শ্ববর্তী জমির মালিক পক্ষ এমনই অবস্থায় ময়ূর নদীর পানি নিষ্কাশনের জন্য অনেক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। ইনসান আহম্মেদ মার্কেটের মালিক মোঃ মনির আহম্মেদ. তার ভাই নাসির আহাম্মেদ ও তার ভাইপো আব্দুল্লাহ পিতা রাকিব আহমেদ। গত ১৮ সালে এসিল্যান্ড ময়ূর
নদীর তীরে সরকারি জায়গার সীমান মেপে পিলার পুতে দেয়া হয়। পর মুহূর্তে খুলনার ডিসি মহোদয় ময়ূর নদী সংলগ্নে ইনসান আহম্মেদ মার্কেটের মালিকের দখলে থাকা সরকারি জায়গায় মার্কেট দোকানপাট ভেঙ্গে উচ্ছেদ করেন। পুনরায় উচ্ছেদকৃত ময়ূর নদীর তীরে আবারো দখল করে বিশাল মার্কেট নির্মাণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছে মোঃ মনির আহম্মেদ।ময়ূর নদী জায়গা দখল করে মার্কেট বানানোর বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে নাসির উদ্দিন বলেন: ময়ূর নদীর তীরে আমাদের এখনো ৩০ ফুট জায়গা রয়েছে আমরা সরকারি ময়ূর নদীর চরের জায়গা দখল করে
মার্কেট তৈরি করি নাই বলে জানিয়েছেন। মোঃ মনির আহম্মেদ ও মোঃ নাসির আহম্মেদ আব্দুল্লাহ সহ আওয়ামী লীগের ক্ষমতা থাকা অবস্থায় সাবেক এমপি জুয়েল এর প্রভাব খাটিয়ে ময়ূর নদীর তীরে জায়গা দখল করে বিশাল মার্কেট গড়ে তোলেন। ময়ূর নদী সংলগ্নে থাকা সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট বানানোর কারনে শহরের বিভিন্ন স্থানের পানি নিষ্কাশনের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন পুনরায় সরকারি জায়গা থেকে মার্কেটটি উচ্ছেদ করে ময়ূর নদীটি খনন করলে শহরের পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা হবে বলে জানিয়েছেন।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত