খুলনার ডুমুরিয়া যুবদল নেতা শামীম হোসেন (৩৫)কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার ২২ আগস্ট রাত ১১টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারোমাইল এলাকায় নিজবাড়ীর তিন তলায় এঘটনা ঘটে।
পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহ দুই যুবককে আটক করেছেন। তারা হলেন, যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সুন্দলপুর এলাকার আবুবক্কার দফাদারের ছেলে ইজাজুল ইসলাম (৪৩) ও সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বলরামপুর গ্রামের আহম্মদ আলী সরদারের ছেলে শরিফুল ইসলাম সরদার(৩৮)।
থানা পুলিশ নিহত শামীমের লাশ উদ্ধার করে সুরোতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছেন।
জানা যায়, ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারোমাইল গ্রামের গফফার শেখের ছেলে এস এম শামীম(৩৫) দুই বছর আগে আঠারোমাইল বাজারে মোটরসাইকেল মিস্ত্রির কাজ করতেন তিনি। তাদের তিনতলা বিশিষ্ট বাড়ির নিচতলা ভাড়া দেওয়া।
সেখানে ভাড়াটিয়ারা থাকেন। দ্বিতলায় থাকতেন শামীম ও তার পরিবার। ভবনের তিনতলায় কেউ থাকতেন না। সেখানে প্রতিরাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগত মাদক সেবীদের আড্ডা বসত। ঘটনার রাতে তিন তলার একটি কক্ষে মাদক সেবীদের সাথে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় খুন হয় শামীম।
শামীমের পিতার সাথে তার মায়ের অনুমান ২০ বছর আগে বিচ্ছেদ হয়। তার পিতা এবং মাতা রশিদা বেগম প্রাইমারি স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। শামীমের মায়ের হাতে ছিল তাদের সংসার। প্রায় ২৫ বছর আগে তালার উথালিগ্রাম থেকে আঠারোমাইল এসে বসবাস করছেন তারা।
শামীমের মা রশিদা বেগম জানান, প্রতিরাতে বাসায় বহিরাগত লোকজন আসতো। শুনেছি ওরা মাদকের নেশা করত। ঘরে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে আনন্দ উল্লাস করত। সেখানে পরিবারের কাউকে যেতে দিত না। ঘটনার দিন রাতে এজাজুল ও শরিফুল নামের দুই ব্যক্তি এসেছিল। প্রায়ই তারা আসতো। কেন আমার ছেলেকে হত্যা করেছে আমি কিছুই বলতে পারলাম না বলে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মা রশিদা বেগম।
শামীমের একমাত্র ছেলে তাজ (১২) পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র। ঘটনার বিষয় সে জানায়,শরিফুল ও এজাজ বাবার সাথে তিনতলায় ছিলো। ওরা প্রায়ই আসতো। আমি বাবাকে নিষেধ করতাম, কিন্তু তিনি শুনতেন না।
শামিমের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বৃষ্টি জানান,স্বামীকে নেশা করতে বহুবার নিষেধ করেছি। কিন্তু সে আমাদেরকে ধমক দিত। মা বলতেন (শ্বাশুড়ি) ওকে কিছু বলো না। শুক্রববার রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে স্বামীকে হত্যা করেছে।
এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাসুদ রানা জানান, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শামীম হত্যার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় শরিফুল ও আজিজুল নামের দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে শামীমের পরিবার মানসিকভাবে অসুস্থ থাকায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অনেকেই জানান শামীমের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বৃষ্টি ইয়াবার ব্যবসা করতেন। নিহত শামীম তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
খুলনার ডুমুরিয়ায় যুবদল নেতাকে গলা কেটে হত্যা: দুই জন কে আটক করেছে
খুলনার ডুমুরিয়ায় যুবদল নেতাকে গলা কেটে হত্যা: দুই জন কে আটক করেছে
খুলনার ডুমুরিয়া যুবদল নেতা শামীম হোসেন (৩৫)কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার ২২ আগস্ট রাত ১১টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারোমাইল এলাকায় নিজবাড়ীর তিন তলায় এঘটনা ঘটে।পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহ দুই যুবককে আটক করেছেন। তারা হলেন, যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সুন্দলপুর এলাকার আবুবক্কার দফাদারের ছেলে ইজাজুল ইসলাম (৪৩) ও সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বলরামপুর গ্রামের আহম্মদ আলী সরদারের ছেলে শরিফুল ইসলাম সরদার(৩৮)। থানা পুলিশ নিহত শামীমের লাশ উদ্ধার করে সুরোতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছেন।জানা যায়, ডুমুরিয়া উপজেলার আঠারোমাইল গ্রামের গফফার শেখের ছেলে এস এম শামীম(৩৫) দুই বছর আগে আঠারোমাইল বাজারে মোটরসাইকেল মিস্ত্রির কাজ করতেন তিনি। তাদের তিনতলা বিশিষ্ট বাড়ির নিচতলা ভাড়া দেওয়া। সেখানে ভাড়াটিয়ারা থাকেন। দ্বিতলায় থাকতেন শামীম ও তার পরিবার। ভবনের তিনতলায় কেউ থাকতেন না।
সেখানে প্রতিরাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগত মাদক সেবীদের আড্ডা বসত। ঘটনার রাতে তিন তলার একটি কক্ষে মাদক সেবীদের সাথে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় খুন হয় শামীম। শামীমের পিতার সাথে তার মায়ের অনুমান ২০ বছর আগে বিচ্ছেদ হয়। তার পিতা এবং মাতা রশিদা বেগম প্রাইমারি স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। শামীমের মায়ের হাতে ছিল তাদের সংসার। প্রায় ২৫ বছর আগে তালার উথালিগ্রাম থেকে আঠারোমাইল এসে বসবাস করছেন তারা।শামীমের মা রশিদা বেগম জানান, প্রতিরাতে বাসায় বহিরাগত লোকজন আসতো। শুনেছি ওরা মাদকের নেশা করত। ঘরে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে আনন্দ উল্লাস করত। সেখানে পরিবারের কাউকে যেতে দিত না। ঘটনার দিন রাতে এজাজুল ও শরিফুল নামের দুই ব্যক্তি এসেছিল। প্রায়ই তারা আসতো। কেন আমার ছেলেকে হত্যা করেছে আমি কিছুই বলতে পারলাম না বলে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মা রশিদা বেগম।শামীমের একমাত্র ছেলে তাজ (১২) পঞ্চম
শ্রেণীর ছাত্র। ঘটনার বিষয় সে জানায়,শরিফুল ও এজাজ বাবার সাথে তিনতলায় ছিলো। ওরা প্রায়ই আসতো। আমি বাবাকে নিষেধ করতাম, কিন্তু তিনি শুনতেন না। শামিমের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বৃষ্টি জানান,স্বামীকে নেশা করতে বহুবার নিষেধ করেছি। কিন্তু সে আমাদেরকে ধমক দিত। মা বলতেন (শ্বাশুড়ি) ওকে কিছু বলো না। শুক্রববার রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে স্বামীকে হত্যা করেছে।এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাসুদ রানা জানান, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শামীম হত্যার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় শরিফুল ও আজিজুল নামের দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে শামীমের পরিবার মানসিকভাবে অসুস্থ থাকায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অনেকেই জানান শামীমের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বৃষ্টি ইয়াবার ব্যবসা করতেন। নিহত শামীম তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত