খুলনায় সাবেক যুবদল নেতা কামরুজ্জামান টুকুকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে গত রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজন সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন টুকুর বড় ছেলে তাসজিদ জামান সামিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হেলেনা পারভীন ও লুৎফুন্নেসা।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, কামরুজ্জামান টুকু একজন সাধারণ ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি দাকোপের বটিবুনিয়া নামক স্থানে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। একসময় তিনি ৩১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
বিগত সরকারের আমলে তিনি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা ও নির্যাতনেট শিকার হন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় কমপক্ষে ৭/৮টি রাজনৈতিক মামলা করা হয়েছিল।
যা আইনীভাবে মোকাবেলা করছেন। টুকুর বড় ছেলে বিগত জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকারি আযম খান কমার্স কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে সমন্বয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নিজের জীবনবাজী রেখে ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন। ফ্যাসিবাদ মুক্ত দেশে এখন টুকুসহ পরিবারের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার হাচ্ছেন।
সর্বশেষ গত শুক্রবার দিবাগত রাতে লবণচরা থানার ৩১ নম্বর ওয়ার্ড হাজী মালেক কবরস্থান সংলগ্ন বাড়িতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালানো সময় টুকুর পরিবারের সাথে দুর্ব্যবহার ও তার ছেলেকে মারপিট করে।
কোন কারণ ছাড়া টুকুকে তুলে নিয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টুকুর স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।
টুকুর ছেলে বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমাদের ঘর থেকে একটি একনলা বন্দুক, ৯ রাউন্ড গুলি ও একটি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো নাটক ছাড়া কিছু না। বর্তমানে কামরুজ্জামান টুকুর পরিবার-পরিজন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
খুলনা নগরীর ৩১ নং ওয়ার্ড সাবেক যুবদলের নেতা টুকুকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
খুলনা নগরীর ৩১ নং ওয়ার্ড সাবেক যুবদলের নেতা টুকুকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
খুলনায় সাবেক যুবদল নেতা কামরুজ্জামান টুকুকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে গত রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজন সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন টুকুর বড় ছেলে তাসজিদ জামান সামিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হেলেনা পারভীন ও লুৎফুন্নেসা। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, কামরুজ্জামান টুকু একজন সাধারণ ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি দাকোপের বটিবুনিয়া নামক স্থানে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। একসময় তিনি ৩১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। বিগত সরকারের আমলে তিনি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা ও নির্যাতনেট শিকার
হন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় কমপক্ষে ৭/৮টি রাজনৈতিক মামলা করা হয়েছিল। যা আইনীভাবে মোকাবেলা করছেন। টুকুর বড় ছেলে বিগত জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকারি আযম খান কমার্স কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে সমন্বয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নিজের জীবনবাজী রেখে ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন। ফ্যাসিবাদ মুক্ত দেশে এখন টুকুসহ পরিবারের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার হাচ্ছেন। সর্বশেষ গত শুক্রবার দিবাগত রাতে লবণচরা থানার ৩১ নম্বর ওয়ার্ড হাজী মালেক কবরস্থান সংলগ্ন বাড়িতে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী অভিযান চালানো সময় টুকুর পরিবারের সাথে দুর্ব্যবহার ও তার ছেলেকে মারপিট করে। কোন কারণ ছাড়া টুকুকে তুলে নিয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টুকুর স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। টুকুর ছেলে বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমাদের ঘর থেকে একটি একনলা বন্দুক, ৯ রাউন্ড গুলি ও একটি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো নাটক ছাড়া কিছু না। বর্তমানে কামরুজ্জামান টুকুর পরিবার-পরিজন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত