খুলনা মহানগরীর রূপসা ট্রাফিক মোড় থেকে খানজাহান আলী (রূপসা) সেতু পর্যন্ত লবনচরা শিপইয়ার্ড সড়কটির দুরবস্থা প্রায় একযুগ ধরে চলমান। দীর্ঘদিনের এই বেহাল সড়ক সংস্কারের দায়িত্বে ছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহাবুব ব্রাদার্স।
কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরুর পর দীর্ঘদিন ফেলে রাখায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বেড়েই চলছিল। লোক দেখানো সংস্কারে ক্ষোভস্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রতিবছর বর্ষাকালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লোক দেখানো সংস্কার করে থাকে। মানহীন ইটের আদলা ফেলে অস্থায়ী মেরামতের নাম করে শুধু দায়সারা কাজ চালানো হয়।
ফলে বর্ষা শেষে রাস্তা আবারো আগের অবস্থায় ফিরে যায়।ভোগান্তি আমাদেরই’ প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। খানা-খন্দে ভরা রাস্তা, ধুলোবালি ও যানজটের কারণে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও রোগীদের যাতায়াত চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
লবনচরা এলাকার একজন ক্ষুব্ধ বাসিন্দা বলেন, “বছরের পর বছর সংস্কারের নামে ভোগান্তি চলছে। কাজ শুরু হয়, আবার বন্ধ হয়ে যায়। অথচ কষ্ট আমাদেরই পোহাতে হচ্ছে।”গত ৭ আগস্ট কাজের নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম হওয়া এবং কাজ সম্পূর্ণ না করায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) মাহাবুব ব্রাদার্সের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে।
ফলে শিপইয়ার্ড সড়কের সংস্কারের পাশাপাশি লবণচরা সুইচ গেট সেতু ও মতিয়াখালী সুইচগেটের নির্মাণ কাজও মাঝপথে বন্ধ হয়ে গেছে। এখনও নতুন কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগের ঘোষণা না আসায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে।
কবে কাজ শুরু হবে তা নিয়ে কেউ স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারছে না। উক্ত এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। খানা-খন্দে ভরা রাস্তা, ধুলোবালি ও যানজটের কারণে সাধারণ মানুষকে নিত্যদিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও রোগীদের যাতায়াত সবচেয়ে বেশি বিঘ্নিত হচ্ছে। একজন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জানান, “বছরের পর বছর এই সড়ক সংস্কারের নামে হয়রানি চলছে। কাজ শুরু হয়, আবার বন্ধ হয়ে যায়।
অথচ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে আমাদেরই।”অন্যদিকে কেডিএ সূত্র জানায়, চুক্তি বাতিলের পর নতুনভাবে টেন্ডার আহ্বান করে দ্রুত কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে কবে নাগাদ কাজ পুনরায় শুরু হতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।
এ অবস্থায়, লবনচরা শিপইয়ার্ড সড়ক, লবণচরা সুইচ গেট সেতু ও মতিয়াখালী সুইচগেটের কাজ বন্ধ থাকায় ওই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
খুলনা মহানগরীর লবনচরা শিপইয়ার্ড সড়ক সংস্কার কাজে মাঝপথেই স্থবিরতা. জনদুর্ভোগ চরমে
খুলনা মহানগরীর লবনচরা শিপইয়ার্ড সড়ক সংস্কার কাজে মাঝপথেই স্থবিরতা. জনদুর্ভোগ চরমে
খুলনা মহানগরীর রূপসা ট্রাফিক মোড় থেকে খানজাহান আলী (রূপসা) সেতু পর্যন্ত লবনচরা শিপইয়ার্ড সড়কটির দুরবস্থা প্রায় একযুগ ধরে চলমান। দীর্ঘদিনের এই বেহাল সড়ক সংস্কারের দায়িত্বে ছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহাবুব ব্রাদার্স। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরুর পর দীর্ঘদিন ফেলে রাখায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বেড়েই চলছিল। লোক দেখানো সংস্কারে ক্ষোভস্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রতিবছর বর্ষাকালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লোক দেখানো সংস্কার করে থাকে। মানহীন ইটের আদলা ফেলে অস্থায়ী মেরামতের নাম করে শুধু দায়সারা কাজ চালানো হয়। ফলে বর্ষা শেষে রাস্তা আবারো আগের অবস্থায় ফিরে যায়।ভোগান্তি আমাদেরই’ প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। খানা-খন্দে ভরা রাস্তা, ধুলোবালি ও যানজটের কারণে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও রোগীদের যাতায়াত চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।লবনচরা এলাকার একজন
ক্ষুব্ধ বাসিন্দা বলেন, “বছরের পর বছর সংস্কারের নামে ভোগান্তি চলছে। কাজ শুরু হয়, আবার বন্ধ হয়ে যায়। অথচ কষ্ট আমাদেরই পোহাতে হচ্ছে।”গত ৭ আগস্ট কাজের নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম হওয়া এবং কাজ সম্পূর্ণ না করায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) মাহাবুব ব্রাদার্সের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে। ফলে শিপইয়ার্ড সড়কের সংস্কারের পাশাপাশি লবণচরা সুইচ গেট সেতু ও মতিয়াখালী সুইচগেটের নির্মাণ কাজও মাঝপথে বন্ধ হয়ে গেছে। এখনও নতুন কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগের ঘোষণা না আসায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে। কবে কাজ শুরু হবে তা নিয়ে কেউ স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারছে না। উক্ত এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে। খানা-খন্দে ভরা রাস্তা, ধুলোবালি
ও যানজটের কারণে সাধারণ মানুষকে নিত্যদিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও রোগীদের যাতায়াত সবচেয়ে বেশি বিঘ্নিত হচ্ছে। একজন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জানান, “বছরের পর বছর এই সড়ক সংস্কারের নামে হয়রানি চলছে। কাজ শুরু হয়, আবার বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে আমাদেরই।”অন্যদিকে কেডিএ সূত্র জানায়, চুক্তি বাতিলের পর নতুনভাবে টেন্ডার আহ্বান করে দ্রুত কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে কবে নাগাদ কাজ পুনরায় শুরু হতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।এ অবস্থায়, লবনচরা শিপইয়ার্ড সড়ক, লবণচরা সুইচ গেট সেতু ও মতিয়াখালী সুইচগেটের কাজ বন্ধ থাকায় ওই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত