খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির উদ্যোগে ‘থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা কর্মসূচি’ এর অংশ হিসেবে এক সেমিনার আজ রোববার ২৭ জুলাই ইউআরপি লেকচার থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে উদ্বেগজনক হারে থ্যালাসেমিয়ার বাহক সংখ্যা বাড়ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে তরুণদের এখন থেকেই সচেতন হতে হবে। তিনি আরও বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য খুব শিগগিরই উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা এই রোগমুক্ত থাকতে পারে এবং থ্যালাসেমিয়ামুক্ত বাংলাদেশ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
সেমিনারে রিসোর্স পারসন হিসেবে থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী ড. এম এ মতিন। তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সবচেয়ে জরুরি হলো সচেতনতা। বিবাহের আগে অন্তত রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন যে কেউ থ্যালাসেমিয়ার
বাহক কি না।
তিনি এ রোগ প্রতিরোধে উন্নত বিশ্বের অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের বাস্তবতা তুলে ধরেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ দীদার বখত এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ আশরাফুল আলম।
সভাপতিত্ব করেন নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা (ইউআরপি) ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ জাকির হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ সালাউদ্দীন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ এ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়েতে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়েতে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির উদ্যোগে ‘থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা কর্মসূচি’ এর অংশ হিসেবে এক সেমিনার আজ রোববার ২৭ জুলাই ইউআরপি লেকচার থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে উদ্বেগজনক হারে থ্যালাসেমিয়ার বাহক সংখ্যা বাড়ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে তরুণদের এখন থেকেই সচেতন হতে হবে। তিনি আরও বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য খুব শিগগিরই উদ্যোগ
নেওয়া হবে, যাতে তারা এই রোগমুক্ত থাকতে পারে এবং থ্যালাসেমিয়ামুক্ত বাংলাদেশ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।সেমিনারে রিসোর্স পারসন হিসেবে থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী ড. এম এ মতিন। তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সবচেয়ে জরুরি হলো সচেতনতা। বিবাহের আগে অন্তত রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন যে কেউ থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না। তিনি এ রোগ প্রতিরোধে উন্নত বিশ্বের অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের বাস্তবতা তুলে ধরেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ দীদার বখত এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ আশরাফুল আলম। সভাপতিত্ব করেন নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা (ইউআরপি) ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ জাকির হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ সালাউদ্দীন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ এ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত