খুলনায় কেএমপি হেডকোয়র্টার্সের সম্মেলন কক্ষে আজ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি সকাল ১০ টায় কেএমপি’র কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা মহোদয়ের সভাপতিত্বে খুলনা নাগরিক ফোরাম।
খুলনার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় খুলনা নাগরিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, কিশোর অপরাধ, মাদক প্রতিরোধ, নাগরিক নিরাপত্তা ও পুলিশ-জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁদের মতামত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
মতবিনিময়কালে কমিশনার মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন, খুলনা মহানগরীতে রাজনৈতিক সহিংসতা বা গার্মেন্টসকেন্দ্রিক অস্থিরতা না থাকলেও এখানে চরমপন্থী, গোপন সন্ত্রাসী চক্র এবং মাদক কারবারিদের উপস্থিতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
এসব অপরাধ দমনে কেএমপি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালে খুলনা মহানগরীতে সংঘটিত ৩৬টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে ৩৩টির রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ, যা প্রায় শতভাগ সাফল্যের কাছাকাছি।
সন্ত্রাস দমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে শুধু পুলিশের অভিযানই যথেষ্ট নয়, এক্ষেত্রে সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।
কেউ তথ্য দিলে তার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রেখে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এ বিষয়ে তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করেন।
এসময় কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বিপিএম-সেবা, পিপিএম (বার), নাগরিক ফোরাম, খুলনার মহাসচীব এসএম ইকবাল হাসান তুহিন ও নাগরিক ফোরাম।
খুলনার সাংগঠনিক সচীব শাকিল আহমেদ-সহ নাগরিক ফোরামের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কেএমপি’র মান্যবর কমিশনার মহোদয়ের সাথে নাগরিক ফোরাম. খুলনার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কেএমপি’র মান্যবর কমিশনার মহোদয়ের সাথে নাগরিক ফোরাম. খুলনার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
খুলনায় কেএমপি হেডকোয়র্টার্সের সম্মেলন কক্ষে আজ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি সকাল ১০ টায় কেএমপি’র কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা মহোদয়ের সভাপতিত্বে খুলনা নাগরিক ফোরাম। খুলনার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় খুলনা নাগরিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, কিশোর অপরাধ, মাদক প্রতিরোধ, নাগরিক নিরাপত্তা ও পুলিশ-জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁদের মতামত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। মতবিনিময়কালে কমিশনার মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন, খুলনা মহানগরীতে রাজনৈতিক সহিংসতা
বা গার্মেন্টসকেন্দ্রিক অস্থিরতা না থাকলেও এখানে চরমপন্থী, গোপন সন্ত্রাসী চক্র এবং মাদক কারবারিদের উপস্থিতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এসব অপরাধ দমনে কেএমপি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালে খুলনা মহানগরীতে সংঘটিত ৩৬টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে ৩৩টির রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ, যা প্রায় শতভাগ সাফল্যের কাছাকাছি। সন্ত্রাস দমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে শুধু পুলিশের অভিযানই যথেষ্ট নয়, এক্ষেত্রে সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। সন্ত্রাসী
ও চাঁদাবাজদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। কেউ তথ্য দিলে তার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রেখে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এ বিষয়ে তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করেন। এসময় কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বিপিএম-সেবা, পিপিএম (বার), নাগরিক ফোরাম, খুলনার মহাসচীব এসএম ইকবাল হাসান তুহিন ও নাগরিক ফোরাম। খুলনার সাংগঠনিক সচীব শাকিল আহমেদ-সহ নাগরিক ফোরামের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত