খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)'র অর্থায়নে মৃত মুসলিম মানুষের গোসলের জন্য স্থায়ীভাবে একটি আধুনিক স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
খুলনা নগরীর তারের পুকুরস্থ আল-হেরা জামে মসজিদের পাশেই নির্মাণ হতে যাচ্ছে আধুনিক ওই গোসলের স্থান। ১০লাখ টাকা ব্যয়ে কেসিসি এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। এতে করে ওই এলাকাসহ আশপাশের এলাকার মুসলিম মৃত মানুষের গোসলের জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা হতে যাচ্ছে।
এবিষয়ে আল-হেরা জামে মসজিদের মুসল্লীসহ স্থানীয়রা খুলনা সিটি করপোরেশনের কর্তৃপক্ষকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তারা বলছেন এটি বাস্তবায়ন হয়ে গেলে, অন্তত আশপাশের এলাকার মুসলিম মানুষের জানাযা ও দাফনের পুর্বে গোসলের জন্য চিন্তায় পড়তে হবে না।
এলাকাবাসী বলেন, শহরে প্রতিটি বাড়িই এখন ভবনের কারনে ফাঁকা যায়গা থাকে না। একজন মানুষের মৃত্যুর পর তার স্বজনরা কোথায় গোসলের ব্যবস্থা করবেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান।
এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে এই এলাকার মানুষের। সিটি এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ে এধরনের ব্যবস্থা থাকলে সাধারণ মানুষ আরো বেশি উপকৃত হবেন বলে জানান এলাকাবাসী।
এবিষয়ে খুলনা সিটি করপোরেশনের শিক্ষা কর্মকর্তা এস কে এস তাসাদুজ্জামান বলেন, এলাকাবাসী ও মসজিদ কমিটির দীর্ঘ দিনের একটি দাবী ছিলো এটি। ১০লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। প্রকল্পের স্থান পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ আজকে পরিদর্শন করেছি। আশাকরছি দ্রুত এর সুফল পাবেন এলাকাবাসী।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
কে সিসির উদ্যোগে মৃত মুসলিম মানুষের গোসলের জন্য স্থয়ীভাবে আধুনিক স্থান নির্ধারণ
কে সিসির উদ্যোগে মৃত মুসলিম মানুষের গোসলের জন্য স্থয়ীভাবে আধুনিক স্থান নির্ধারণ
খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)'র অর্থায়নে মৃত মুসলিম মানুষের গোসলের জন্য স্থায়ীভাবে একটি আধুনিক স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। খুলনা নগরীর তারের পুকুরস্থ আল-হেরা জামে মসজিদের পাশেই নির্মাণ হতে যাচ্ছে আধুনিক ওই গোসলের স্থান। ১০লাখ টাকা ব্যয়ে কেসিসি এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। এতে করে ওই এলাকাসহ আশপাশের এলাকার মুসলিম মৃত মানুষের গোসলের জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা হতে যাচ্ছে। এবিষয়ে আল-হেরা জামে মসজিদের মুসল্লীসহ স্থানীয়রা খুলনা সিটি
করপোরেশনের কর্তৃপক্ষকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তারা বলছেন এটি বাস্তবায়ন হয়ে গেলে, অন্তত আশপাশের এলাকার মুসলিম মানুষের জানাযা ও দাফনের পুর্বে গোসলের জন্য চিন্তায় পড়তে হবে না। এলাকাবাসী বলেন, শহরে প্রতিটি বাড়িই এখন ভবনের কারনে ফাঁকা যায়গা থাকে না। একজন মানুষের মৃত্যুর পর তার স্বজনরা কোথায় গোসলের ব্যবস্থা করবেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে এই এলাকার মানুষের। সিটি
এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ে এধরনের ব্যবস্থা থাকলে সাধারণ মানুষ আরো বেশি উপকৃত হবেন বলে জানান এলাকাবাসী। এবিষয়ে খুলনা সিটি করপোরেশনের শিক্ষা কর্মকর্তা এস কে এস তাসাদুজ্জামান বলেন, এলাকাবাসী ও মসজিদ কমিটির দীর্ঘ দিনের একটি দাবী ছিলো এটি। ১০লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। প্রকল্পের স্থান পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ আজকে পরিদর্শন করেছি। আশাকরছি দ্রুত এর সুফল পাবেন এলাকাবাসী।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত