রাজধানীর ৫৯ নং ওয়ার্ড কদমতলীতে বেপক চাঁদ বাজি ও সন্ত্রাসী কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে কৃষক দলের শহিদুল।
শহিদুল একজন বিদ্যুৎ মিস্ত্রি ছিলেন। তার বাবাএকজন পান দোকানদার নাম কাশেম, বাড়ি মোহাম্মদ বাগ। ৫ই আগষ্টের পরে কৃষক দলে যোগ দেয়। এবং এলাকায় বিদ্যুৎ অফিসের ঠিকাদার বলে পরিচয় দেয়।
সে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে বিদ্যুৎ মিটার এনে দেবে বলে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। এবং বলে তাকে যদি গ্রাহকরা কোন মিটার আনার জন্য টাকা দেয় তাদের কে দিনের পর দিন মিটার না এনে দিয়ে হয়রানি করে।
ভুক্তভুগী একজন গ্রাহক বলেন শহিদুল আমাদের কাছ থেকে মিটার এনে দেবে বলে টাকা নেয় কিন্তু সেই মিটার এখনো দেয় নাই।শহিদুল কে বলতে গেলে সে গ্রাহক কে উল্টো গালাগালি করে।এই শহিদুল তার ছোট ভাই মাদক সেবী সফিক কে দিয়ে রাতের আধারে মানুষের বাড়ির সংযোগ তার চুরি করায়। বিদ্যুৎতের তার ভাংগারির দোকানে বিক্রয় করে দেয়। তার ভাই এই তার চুরির টাকা দিয়ে মাদক সেবন করে।
শহিদুল যে কোন জায়গায় বলে আমি কৃষক দলের নেতা আমাকে চাঁদা না দিয়ে এলাকায় থাকতে পারবি না বলে এলাকার নিরীহ মানুষ কে প্রতিনিয়ত হুমকি দেয়। শ্যামপুর বিদ্যুৎ অফিসে শহিদুলের বিষয়ে জানতে গেলে কর্মকর্তারা বলেন শহিদুল তাদের অফিসের কোন ঠিকাদার বা অফিস কর্মচারী না। এলাকার সর্বসাধারন চায় তার হাত থেকে রেহাই পাইতে।শহিদুলের সেকেন্ড হ্যান্ড কমান্ড মুরগী আনোয়ার নামে পরিচিত তাকে দিয়ে জমি দখলের টেন্ডার নেয়।
এবং জমি দখল করার জন্য কিশোর গ্যাং কে ব্যাবহার করে।তাদের বিরুদ্ধে আরো একাদিক অপরাধের চিত্র এলাবাসির নিকট আছে।এলাবাসি তাদের ভয়ে মুখ খুলতে পারে না।তাদের কে সকল দলীয় পদ পদবী থেকে বহিষ্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিকট জোর দাবি জানাচ্ছে এরাকাবাসি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার দাবি করছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
শহিদুল একজন বিদ্যুৎ মিস্ত্রি ছিলেন। তার বাবাএকজন পান দোকানদার নাম কাশেম, বাড়ি মোহাম্মদ বাগ। ৫ই আগষ্টের পরে কৃষক দলে যোগ দেয়। এবং এলাকায় বিদ্যুৎ অফিসের ঠিকাদার বলে পরিচয় দেয়।
সে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে বিদ্যুৎ মিটার এনে দেবে বলে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। এবং বলে তাকে যদি গ্রাহকরা কোন মিটার আনার জন্য টাকা দেয় তাদের কে দিনের পর দিন মিটার না এনে দিয়ে হয়রানি করে।
ভুক্তভুগী একজন গ্রাহক বলেন শহিদুল আমাদের কাছ থেকে মিটার এনে দেবে বলে টাকা নেয় কিন্তু সেই মিটার এখনো দেয় নাই।শহিদুল কে বলতে গেলে সে গ্রাহক কে উল্টো গালাগালি করে।এই শহিদুল তার ছোট ভাই মাদক সেবী সফিক কে দিয়ে রাতের আধারে মানুষের বাড়ির সংযোগ তার চুরি করায়। বিদ্যুৎতের তার ভাংগারির দোকানে বিক্রয় করে দেয়। তার ভাই এই তার চুরির টাকা দিয়ে মাদক সেবন করে।
শহিদুল যে কোন জায়গায় বলে আমি কৃষক দলের নেতা আমাকে চাঁদা না দিয়ে এলাকায় থাকতে পারবি না বলে এলাকার নিরীহ মানুষ কে প্রতিনিয়ত হুমকি দেয়। শ্যামপুর বিদ্যুৎ অফিসে শহিদুলের বিষয়ে জানতে গেলে কর্মকর্তারা বলেন শহিদুল তাদের অফিসের কোন ঠিকাদার বা অফিস কর্মচারী না। এলাকার সর্বসাধারন চায় তার হাত থেকে রেহাই পাইতে।শহিদুলের সেকেন্ড হ্যান্ড কমান্ড মুরগী আনোয়ার নামে পরিচিত তাকে দিয়ে জমি দখলের টেন্ডার নেয়।
এবং জমি দখল করার জন্য কিশোর গ্যাং কে ব্যাবহার করে।তাদের বিরুদ্ধে আরো একাদিক অপরাধের চিত্র এলাবাসির নিকট আছে।এলাবাসি তাদের ভয়ে মুখ খুলতে পারে না।তাদের কে সকল দলীয় পদ পদবী থেকে বহিষ্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিকট জোর দাবি জানাচ্ছে এরাকাবাসি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার দাবি করছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব