ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার জামেয়া নগর ৪নং পঞ্চায়েতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে স্থানীয় বাড়িওয়ালাদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার রাতে কতুবখালী এলাকায় এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ারী বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. আকরামুল হাসান। তিনি এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে স্থানীয়দের সচেতনতা ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মো. আকরামুল হাসান বলেন, “মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও দখলদারদের ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। স্থানীয়দের সচেতনতা ও সহযোগিতা ছাড়া এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, যাত্রাবাড়ী ঢাকার প্রবেশদ্বার হওয়ায় এই এলাকায় অপরাধ প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। এখানে ভাসমান ও নিম্নআয়ের মানুষের বসবাসের কারণে অপরাধীরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করে এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে মূল অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা প্রায়ই কঠিন হয়ে পড়ে।
সভায় পঞ্চায়েত সর্দার জিয়া উদ্দিনের নেতৃত্বে স্থানীয় বাড়িওয়ালারা একত্রিত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। জিয়া উদ্দিন বলেন, “আমরা সকলে একসঙ্গে কাজ করলে এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আমাদের প্রতিবেশীদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে এবং কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে।”
যাত্রাবাড়ীতে ঘন ঘন মাদক কারবার, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই সভায় বাড়িওয়ালারা এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। তারা এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, রাত্রিকালীন টহল বৃদ্ধি এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহের মতো উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা করেন।
সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা জানান, স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক পদক্ষেপের মাধ্যমে যাত্রাবাড়ীকে একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত এলাকায় রূপান্তর করা সম্ভব। এই উদ্যোগকে সফল করতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে নিবিড় সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়।
এই সভা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে এবং যাত্রাবাড়ীকে অপরাধমুক্ত করার লক্ষ্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
মো. আকরামুল হাসান বলেন, “মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও দখলদারদের ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। স্থানীয়দের সচেতনতা ও সহযোগিতা ছাড়া এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, যাত্রাবাড়ী ঢাকার প্রবেশদ্বার হওয়ায় এই এলাকায় অপরাধ প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। এখানে ভাসমান ও নিম্নআয়ের মানুষের বসবাসের কারণে অপরাধীরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করে এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে মূল অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা প্রায়ই কঠিন হয়ে পড়ে।
সভায় পঞ্চায়েত সর্দার জিয়া উদ্দিনের নেতৃত্বে স্থানীয় বাড়িওয়ালারা একত্রিত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। জিয়া উদ্দিন বলেন, “আমরা সকলে একসঙ্গে কাজ করলে এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আমাদের প্রতিবেশীদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে এবং কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে।”
যাত্রাবাড়ীতে ঘন ঘন মাদক কারবার, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই সভায় বাড়িওয়ালারা এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। তারা এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, রাত্রিকালীন টহল বৃদ্ধি এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহের মতো উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা করেন।
সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা জানান, স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক পদক্ষেপের মাধ্যমে যাত্রাবাড়ীকে একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত এলাকায় রূপান্তর করা সম্ভব। এই উদ্যোগকে সফল করতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে নিবিড় সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়।
এই সভা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে এবং যাত্রাবাড়ীকে অপরাধমুক্ত করার লক্ষ্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব