প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন নতুন করে বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান ।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুরের আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে আগামী প্রজন্মের হাতে কেমন বাংলাদেশ তুলে দেওয়া হবে।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণ প্রজন্ম পাবে একটি নতুন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ কালো কালিতে লেখা হলেও প্রকৃতপক্ষে এটি লেখা হয়েছে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের রক্ত দিয়ে। এই সনদ বাস্তবায়নের একমাত্র পথ হলো গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলা।
তিনি আরও বলেন, এই গণভোটে কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়া হচ্ছে না। জনগণ যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়, তাহলে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষেই আর সংস্কার প্রক্রিয়া আটকে রাখা সম্ভব হবে না।
দীর্ঘ ষোলো বছর ধরে দেশের জনগণের অর্থ লুটপাট হয়েছে উল্লেখ করে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে অনেক ক্ষেত্রেই এই লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হবে।
ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেন আবার কোনো ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। গণভোট সেই সজাগ থাকার অন্যতম হাতিয়ার।
সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুরের আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে আগামী প্রজন্মের হাতে কেমন বাংলাদেশ তুলে দেওয়া হবে।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণ প্রজন্ম পাবে একটি নতুন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ কালো কালিতে লেখা হলেও প্রকৃতপক্ষে এটি লেখা হয়েছে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের রক্ত দিয়ে। এই সনদ বাস্তবায়নের একমাত্র পথ হলো গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলা।
তিনি আরও বলেন, এই গণভোটে কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়া হচ্ছে না। জনগণ যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়, তাহলে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষেই আর সংস্কার প্রক্রিয়া আটকে রাখা সম্ভব হবে না।
দীর্ঘ ষোলো বছর ধরে দেশের জনগণের অর্থ লুটপাট হয়েছে উল্লেখ করে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে অনেক ক্ষেত্রেই এই লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হবে।
ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেন আবার কোনো ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। গণভোট সেই সজাগ থাকার অন্যতম হাতিয়ার।
সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।