র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। সন্ত্রাসবাদ, হত্যা, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে র্যাব জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। অপরাধ দমনে র্যাবের নিরলস প্রচেষ্টা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১০ গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানাধীন পশ্চিম গাড়াখোলা এলাকায় ঘটে যাওয়া বালিশ চাপা দিয়ে স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামী সৌরভ কুমার দাস (২২)’কে দ্রæততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে র্যাব, যা সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
গত ২০/১০/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ০৫.৩০ ঘটিকা হতে ০৬.৩০ ঘটিকার মধ্যবর্তী সময় ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানাধীন পশ্চিম গাড়াখোলা জনৈক নজরুল ইসলাম খোকন এর ভাড়াটিয়া বাসায় ভিকটিম ঝর্ণা @ বন্যা (২১)’কে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে স্বামী সৌরভ কুমার দাস। ভিকটিম ঝর্ণা @ বন্যার গত চার বছর পূর্বে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বঙ্গেশ্বরদী এলাকার সৌরভ কুমার দাসের সাথে বিবাহ হয়।
তাদের পরিবারে সিদ্ধার্থ নামে দুই বছর দশ মাস বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। বিবাহের পর হতে তাদের মধ্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হতো। দাম্পত্য কলহের জের ধরে অনেকদিন ধরেই ভিকটিম ঝর্না @ বন্যা বেশ কিছুদিন যাবৎ তার মা বাবার সাথে থাকতো। ঘটনার দিন ২০/১০/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ০৫.৩০ ঘটিকায় ভিকটিমের মা শেফালী রানী জনৈক জামশেদুর রহমানের বাসায় কাজ করতে যায়।
সকাল অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় কাজ শেষে ভিকটিমের মা বাড়ি এসে ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিম ঝর্ণা @ বন্যা’কে ঘরের মেঝে বুকের উপর বালিশ রাখা অবস্থায় চিৎ হয়ে পরে থাকতে দেখেন। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে ভিকটিমের মা বুঝতে পারেন তার মেয়েকে জামাই সৌরভ কুমার দাস বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা শেফালী রানী পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ এসে ভিকটিমের লাশের সুরতহাল করে ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে প্রেরণ করেন।
পরবর্তীতে ডিসিস্টের মা বাদী হয়ে ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে মামলা নং- ০৯, তারিখ- ২১/১০/২৫ খ্রিঃ ধারা- ৩০২ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়। উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হত্যায় জড়িত আসামীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল উল্লেখিত আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ২৬/১০/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ০৭.১৫ ঘটিকায় উক্ত আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং র্যাব-৬ এর সহযোগীতায় গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি থানাধীন ভাটিয়াপাড়া মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামী সৌরভ কুমার দাস (২২), পিতা- শ্রী বাসুদেব দাস, মাতা-ঝর্ণা রানী দাস, সাং- বঙ্গেশ্বরদী, থানা- কোতয়ালী, জেলা- ফরিদপুর’কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সাম্প্রতিক সময়ে ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানাধীন পশ্চিম গাড়াখোলা এলাকায় ঘটে যাওয়া বালিশ চাপা দিয়ে স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামী সৌরভ কুমার দাস (২২)’কে দ্রæততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে র্যাব, যা সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
গত ২০/১০/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ০৫.৩০ ঘটিকা হতে ০৬.৩০ ঘটিকার মধ্যবর্তী সময় ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানাধীন পশ্চিম গাড়াখোলা জনৈক নজরুল ইসলাম খোকন এর ভাড়াটিয়া বাসায় ভিকটিম ঝর্ণা @ বন্যা (২১)’কে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে স্বামী সৌরভ কুমার দাস। ভিকটিম ঝর্ণা @ বন্যার গত চার বছর পূর্বে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বঙ্গেশ্বরদী এলাকার সৌরভ কুমার দাসের সাথে বিবাহ হয়।
তাদের পরিবারে সিদ্ধার্থ নামে দুই বছর দশ মাস বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। বিবাহের পর হতে তাদের মধ্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হতো। দাম্পত্য কলহের জের ধরে অনেকদিন ধরেই ভিকটিম ঝর্না @ বন্যা বেশ কিছুদিন যাবৎ তার মা বাবার সাথে থাকতো। ঘটনার দিন ২০/১০/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ০৫.৩০ ঘটিকায় ভিকটিমের মা শেফালী রানী জনৈক জামশেদুর রহমানের বাসায় কাজ করতে যায়।
সকাল অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় কাজ শেষে ভিকটিমের মা বাড়ি এসে ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিম ঝর্ণা @ বন্যা’কে ঘরের মেঝে বুকের উপর বালিশ রাখা অবস্থায় চিৎ হয়ে পরে থাকতে দেখেন। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে ভিকটিমের মা বুঝতে পারেন তার মেয়েকে জামাই সৌরভ কুমার দাস বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা শেফালী রানী পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ এসে ভিকটিমের লাশের সুরতহাল করে ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে প্রেরণ করেন।
পরবর্তীতে ডিসিস্টের মা বাদী হয়ে ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে মামলা নং- ০৯, তারিখ- ২১/১০/২৫ খ্রিঃ ধারা- ৩০২ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়। উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হত্যায় জড়িত আসামীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল উল্লেখিত আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ২৬/১০/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ০৭.১৫ ঘটিকায় উক্ত আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং র্যাব-৬ এর সহযোগীতায় গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি থানাধীন ভাটিয়াপাড়া মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামী সৌরভ কুমার দাস (২২), পিতা- শ্রী বাসুদেব দাস, মাতা-ঝর্ণা রানী দাস, সাং- বঙ্গেশ্বরদী, থানা- কোতয়ালী, জেলা- ফরিদপুর’কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব