বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে গত ৩ থেকে ৪ টি জাতীয় নির্বাচনে সাংবাদিকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড তেমন দেওয়া হয়নি। আর যাও দেওয়া হয়েছিলো তাও আবার বেছে বেছে ফ্যাসিবাদ আওয়ামী দালাল সাংবাদিক ও আওয়ামী দালাল মিডিয়ার সাংবাদিকরা পেয়েছিলো। অবাধ, নিরপেক্ষ, স্বাধীন নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সাংবাদিকদেরও মুখ্য ভুমিকা রয়েছে বলে আমি মনে করি।
বিগত দিনে রাতের ভোটের কারনে এবং নির্বাচনে যা খুশি সেটা করার জন্যই বিগত নির্বাচন গুলোতে সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষক কার্ডের নীতিমালা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম করা হয়েছিলো। যেটা শুধু মাত্র ছিলো ফ্যাসিস্ট পতিত আওয়ামী লীগের খামখেয়ালীপনা ছাড়া আর কিছুই নয়। শুধু জাতীয় নির্বাচন নয়।
এ নিয়ম ছিলো ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনেও। ভোট কেন্দ্র দখল, জাল ভোট দেওয়া, সাধারণ ভোটারদেরকে কেন্দ্রে হেনস্তা করা, হুমকি ধামকি দেওয়া সহ আরো অনেক কারন ছিলো বলেই সাংবাদিকদেরকে অবাধে নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার উপর ছিলো নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা।
সাংবাদিকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ডের ব্যাপারে পতিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের যে নিষেধাজ্ঞা ছিলো তার থেকেও বেশি প্রতিফলন ঘটিয়েছিলো অতি উৎসাহি কিছু জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা।
তারা পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে খুশি করতেই সাংবাদিকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ডের ব্যাপারে আরো বেশি কড়াকড়ি নিয়ম আরোপ করেছিলো। এবং হাতে গোনা কিছু দালাল মিডিয়ার সংবাদকর্মীকে পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়া হতো।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের বা তাদের এজেন্টদের নির্বাচনী কার্ড নিতে কোন বেগ পেতে না হলেও। নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্যান্য দলীয় প্রার্থীদের বা তাদের এজেন্টদের কার্ড নিতে নানা ভাবে বেগ পেতে হয়েছে। এমনকি বিভিন্ন হুমকি-ধামকিসহ লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে অনেক।
বেশকিছু সাংবাদিক নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ কার্ড পেলেও অনেক ভোট কেন্দ্রে তাদেরকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এমন নজির রয়েছে ভুরি ভুরি। সাংবাদিকরা নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড নিয়ে গেলেও তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি সহ লাঞ্ছিতও করা হয়েছে।
এমনকি তাদেরকে জোরপুর্বক ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ারও ঘটনা ঘটেছে অনেক। এমনকি ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিকরা প্রবেশ করতে চাইলে তাদের উপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। বিগত ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের ভোটের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে চাই।
বর্তমান সরকার যদি একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠ নির্বাচনের আয়োজন করতে চায়। তাহলে অবশ্যই সাংবাদিক বা গণমাধ্যম কর্মীদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে। সাংবাদিকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষন কার্ড দেওয়ার ব্যাপারে কোন কড়াকড়ি আইন প্রনয়ন বা প্রয়োগ না করে স্বচ্ছতার মাধ্যমে তাদের অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হবে। তা হলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা ফিরে আসবে।
ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিক পর্যবেক্ষক উপস্থিত থাকলে জালভোট, কেন্দ্র দখল, ভোটারদের হুমকি-ধামকিসহ কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তা মুহূর্তের মধ্যেই জানা যাবে। এতে করে নির্বাচন কমিশন সহ বর্তমান সরকারেরও উপকার হবে বলে আমি মনে করি।
আমি আশা ও বিশ্বাস করি। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করছে। এ নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও জবাবদিহি মুলক হয় সে কারনেই সাংবাদিক বা গণমাধ্যম কর্মীদের অংশগ্রহণ খুবই জরুরী।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশাধিকার অবশ্যই সুরক্ষিত রাখতে হবে। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের আগে সাংবাদিকদের অবহিত করার যে বাধ্যবাধকতা বা শর্ত রাখা হয়েছে, সেটি হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।
ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারে যে শর্ত আরোপ করা হয়েছে, তা ঝুঁকি তৈরি করছে। এ বাধা অপসারণ করা দরকার। তবে সেটি না হলেও সাংবাদিকদের নিজেদের অবস্থান থেকে, আইন ও নীতিমালার মধ্যে থেকে সম্মিলিত ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তাই সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষক কার্ডের ব্যাপারে কোন কঠোর আইন তৈরি না করে শিথিলতার মাধ্যমে সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়া উচিত। আশা করছি বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন বিষয়টি অতি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে।
বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বনাম সাংবাদিকতা
বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বনাম সাংবাদিকতা
বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে গত ৩ থেকে ৪ টি জাতীয় নির্বাচনে সাংবাদিকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড তেমন দেওয়া হয়নি। আর যাও দেওয়া হয়েছিলো তাও আবার বেছে বেছে ফ্যাসিবাদ আওয়ামী দালাল সাংবাদিক ও আওয়ামী দালাল মিডিয়ার সাংবাদিকরা পেয়েছিলো। অবাধ, নিরপেক্ষ, স্বাধীন নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সাংবাদিকদেরও মুখ্য ভুমিকা রয়েছে বলে আমি মনে করি। বিগত দিনে রাতের ভোটের কারনে এবং নির্বাচনে যা খুশি সেটা করার জন্যই বিগত নির্বাচন গুলোতে সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষক কার্ডের নীতিমালা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম করা হয়েছিলো। যেটা শুধু মাত্র ছিলো ফ্যাসিস্ট পতিত আওয়ামী লীগের খামখেয়ালীপনা ছাড়া আর কিছুই নয়। শুধু জাতীয় নির্বাচন নয়। এ নিয়ম ছিলো ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনেও। ভোট কেন্দ্র দখল, জাল ভোট দেওয়া, সাধারণ ভোটারদেরকে কেন্দ্রে হেনস্তা করা, হুমকি ধামকি দেওয়া সহ আরো অনেক কারন ছিলো বলেই সাংবাদিকদেরকে অবাধে নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার উপর ছিলো নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা। সাংবাদিকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ডের ব্যাপারে পতিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের যে নিষেধাজ্ঞা ছিলো তার থেকেও বেশি প্রতিফলন ঘটিয়েছিলো অতি উৎসাহি কিছু জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা। তারা পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে খুশি করতেই সাংবাদিকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ডের ব্যাপারে
আরো বেশি কড়াকড়ি নিয়ম আরোপ করেছিলো। এবং হাতে গোনা কিছু দালাল মিডিয়ার সংবাদকর্মীকে পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়া হতো। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের বা তাদের এজেন্টদের নির্বাচনী কার্ড নিতে কোন বেগ পেতে না হলেও। নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্যান্য দলীয় প্রার্থীদের বা তাদের এজেন্টদের কার্ড নিতে নানা ভাবে বেগ পেতে হয়েছে। এমনকি বিভিন্ন হুমকি-ধামকিসহ লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে অনেক। বেশকিছু সাংবাদিক নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ কার্ড পেলেও অনেক ভোট কেন্দ্রে তাদেরকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এমন নজির রয়েছে ভুরি ভুরি। সাংবাদিকরা নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড নিয়ে গেলেও তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি সহ লাঞ্ছিতও করা হয়েছে। এমনকি তাদেরকে জোরপুর্বক ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ারও ঘটনা ঘটেছে অনেক। এমনকি ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিকরা প্রবেশ করতে চাইলে তাদের উপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। বিগত ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের ভোটের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে চাই। বর্তমান সরকার যদি একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠ নির্বাচনের আয়োজন করতে চায়। তাহলে অবশ্যই সাংবাদিক বা গণমাধ্যম কর্মীদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে। সাংবাদিকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষন কার্ড দেওয়ার ব্যাপারে কোন কড়াকড়ি আইন প্রনয়ন বা প্রয়োগ না করে স্বচ্ছতার মাধ্যমে তাদের অংশ গ্রহন নিশ্চিত করতে হবে। তা হলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা ফিরে আসবে। ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিক পর্যবেক্ষক
উপস্থিত থাকলে জালভোট, কেন্দ্র দখল, ভোটারদের হুমকি-ধামকিসহ কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তা মুহূর্তের মধ্যেই জানা যাবে। এতে করে নির্বাচন কমিশন সহ বর্তমান সরকারেরও উপকার হবে বলে আমি মনে করি।আমি আশা ও বিশ্বাস করি। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করছে। এ নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও জবাবদিহি মুলক হয় সে কারনেই সাংবাদিক বা গণমাধ্যম কর্মীদের অংশগ্রহণ খুবই জরুরী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশাধিকার অবশ্যই সুরক্ষিত রাখতে হবে। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের আগে সাংবাদিকদের অবহিত করার যে বাধ্যবাধকতা বা শর্ত রাখা হয়েছে, সেটি হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারে যে শর্ত আরোপ করা হয়েছে, তা ঝুঁকি তৈরি করছে। এ বাধা অপসারণ করা দরকার। তবে সেটি না হলেও সাংবাদিকদের নিজেদের অবস্থান থেকে, আইন ও নীতিমালার মধ্যে থেকে সম্মিলিত ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাই সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষক কার্ডের ব্যাপারে কোন কঠোর আইন তৈরি না করে শিথিলতার মাধ্যমে সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়া উচিত। আশা করছি বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন বিষয়টি অতি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত