পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এর নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) রামপুরা থানার উদ্যোগে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে রামপুরা এলাকায় এই মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মশাল মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, "নিষিদ্ধ দল আওয়ামিলীগ যখন অবৈধ ভাবে ক্ষমতায় ছিলো তখনও আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করে বিরোধী দলের নেতাদের ফাঁসাতো। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকে ষড়যন্ত্র করে গাড়ী পুরিয়ে আবার মানুষ হত্যা করছে নিষিদ্ধ দল আওয়ামিলীগ। গণহত্যার দায় নিয়ে পলাতক লীগ দেশের বিভিন্ন জায়গায় চোরাগোপ্তা হামলা করে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে। আওয়ামিলীগ গত ১৫ বছর মানুষের উপর দমন-পীড়ন করেছে।জুলাইয়ে ছাত্র জনতাকে হত্যা করে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারে নাই।৫ই আগষ্ট আওয়ামিলীগ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, সেই পালানোর মধ্য দিয়ে তাদের রাজনীতির চাপ্টার ক্লোজ হয়ে গেছে।
এখন আবার ককটেল মেরে, আগুন সন্ত্রাস করে আবারা রাজনীতিতে ফিরতে চাচ্ছে। একটা কথা স্পষ্ট আগুন সন্ত্রাস করে নিষিদ্ধ আ.লীগ তাদের ফেরার রাস্তা চিরতরে বন্ধ করে দিচ্ছে। আওয়ামিলীগ কে যেখানে পাবে মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। এই আওয়ামিলীগের অগ্নি সন্ত্রাস মোকাবিলা করার জন্য দেশের সাধারণ জনগণ যথেষ্ট। দেখবেন দেশে বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষ আওয়ামিলীগের মিছিলে ধাওয়া দিয়ে তাদের পালিয়ে যেতে বাধ্য করে।
ভারত এবং আওয়ামিলীগ ঐক্যবদ্ধ ভাবে বাংলাদেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে আসন্ন নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করছে।জনগণ গত ৩ টি নির্বাচনে ভোট দিতে পারে নাই। মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়। কোন অপশক্তিই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা শফিকুল ইসলাম রতন,মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, সহসভাপতি রাকিবুল হাসান,অপূর্ব আলমগীর, যুগ্ম সাধারণ ইমরান হাসান,ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি সাব্বির প্রমুখ।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
মশাল মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, "নিষিদ্ধ দল আওয়ামিলীগ যখন অবৈধ ভাবে ক্ষমতায় ছিলো তখনও আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করে বিরোধী দলের নেতাদের ফাঁসাতো। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকে ষড়যন্ত্র করে গাড়ী পুরিয়ে আবার মানুষ হত্যা করছে নিষিদ্ধ দল আওয়ামিলীগ। গণহত্যার দায় নিয়ে পলাতক লীগ দেশের বিভিন্ন জায়গায় চোরাগোপ্তা হামলা করে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে। আওয়ামিলীগ গত ১৫ বছর মানুষের উপর দমন-পীড়ন করেছে।জুলাইয়ে ছাত্র জনতাকে হত্যা করে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারে নাই।৫ই আগষ্ট আওয়ামিলীগ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, সেই পালানোর মধ্য দিয়ে তাদের রাজনীতির চাপ্টার ক্লোজ হয়ে গেছে।
এখন আবার ককটেল মেরে, আগুন সন্ত্রাস করে আবারা রাজনীতিতে ফিরতে চাচ্ছে। একটা কথা স্পষ্ট আগুন সন্ত্রাস করে নিষিদ্ধ আ.লীগ তাদের ফেরার রাস্তা চিরতরে বন্ধ করে দিচ্ছে। আওয়ামিলীগ কে যেখানে পাবে মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। এই আওয়ামিলীগের অগ্নি সন্ত্রাস মোকাবিলা করার জন্য দেশের সাধারণ জনগণ যথেষ্ট। দেখবেন দেশে বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষ আওয়ামিলীগের মিছিলে ধাওয়া দিয়ে তাদের পালিয়ে যেতে বাধ্য করে।
ভারত এবং আওয়ামিলীগ ঐক্যবদ্ধ ভাবে বাংলাদেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে আসন্ন নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করছে।জনগণ গত ৩ টি নির্বাচনে ভোট দিতে পারে নাই। মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে চায়। কোন অপশক্তিই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা শফিকুল ইসলাম রতন,মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, সহসভাপতি রাকিবুল হাসান,অপূর্ব আলমগীর, যুগ্ম সাধারণ ইমরান হাসান,ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি সাব্বির প্রমুখ।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব