ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল, বগাবাড়ি, ইউনিক, জামগড়া, নরসিংহপুর ও কাঠগড়া এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সরকারি আইন অমান্য করে প্রকাশ্যে গরু জবাই ও মাংস বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ হচ্ছে, অন্যদিকে স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর ২০২৫) সকালে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল–আবদুল্লাহপুর সড়কের বাইপাইল, বগাবাড়ি, ইউনিক, জামগড়া, নরসিংহপুর ও কাঠগড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্দিষ্ট স্লটারহাউসের বাইরে খোলা জায়গায় পশু জবাই করা হচ্ছে। রক্ত ও বর্জ্য ঠিকমতো অপসারণ না করায় আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
দামেও দেখা গেছে বড় ধরনের অস্থিরতা। রাস্তার পাশে ও বাহিরের দোকানদাররা প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। অন্যদিকে মার্কেটের ভেতরের দোকানগুলোতে একই মাংস প্রতি কেজি ৭৮০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিয়মিত তদারকি না থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী যেখানে-সেখানে পশু জবাই করছে। এতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, নির্দিষ্ট স্লটারহাউস ব্যবহারে বাধ্য করা এবং নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর ২০২৫) সকালে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল–আবদুল্লাহপুর সড়কের বাইপাইল, বগাবাড়ি, ইউনিক, জামগড়া, নরসিংহপুর ও কাঠগড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্দিষ্ট স্লটারহাউসের বাইরে খোলা জায়গায় পশু জবাই করা হচ্ছে। রক্ত ও বর্জ্য ঠিকমতো অপসারণ না করায় আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
দামেও দেখা গেছে বড় ধরনের অস্থিরতা। রাস্তার পাশে ও বাহিরের দোকানদাররা প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। অন্যদিকে মার্কেটের ভেতরের দোকানগুলোতে একই মাংস প্রতি কেজি ৭৮০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিয়মিত তদারকি না থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী যেখানে-সেখানে পশু জবাই করছে। এতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, নির্দিষ্ট স্লটারহাউস ব্যবহারে বাধ্য করা এবং নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল।