ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় পোশাক শ্রমিক মাহফুজা আক্তার নাজমা (১৬) গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দীর্ঘ ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার পায়নি ভুক্তভোগী পরিবার। বিচারহীনতার এই দীর্ঘসূত্রতায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার।
নিহত নাজমা পাবনা জেলার সাঁথিয়া থানার কালাইছাড়া উত্তরপাড়া গ্রামের মো. আবু হানিফ ওরফে নাজমুলের মেয়ে। জীবিকার তাগিদে পরিবারসহ তিনি আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় রূপায়ন আবাসন-১ নম্বর গেট সংলগ্ন রবিউল সরদারের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। নাজমা জামগড়ার ইয়াগী বাংলাদেশ লিমিটেড নামক একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ঘটনার দিন ৫ জানুয়ারি ২০১৯ ইং, সন্ধ্যা ৭টার দিকে কারখানার ছুটি শেষে বাসায় ফেরার পথে কারখানা থেকে আনুমানিক ২০০ গজ দূরে একটি গলির মধ্যে আব্দুর রহিম নামের এক ব্যক্তি নাজমাকে ডেকে নেয়। পরে সেখানে অবস্থানরত শিপন, রিপনসহ আরও দুইজন তাকে একটি বাউন্ডারির ভেতরে নিয়ে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর নাজমা নিজেই আশুলিয়া থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর চরম মানসিক বিপর্যয়ে নাজমা বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে আশুলিয়ার সরকার মার্কেটস্থ নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরবর্তীতে আশুলিয়া থানা পুলিশ মামলা রেকর্ড করে। জনতার সহায়তায় অভিযুক্ত আব্দুর রহিমকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। মামলার দ্বিতীয় আসামি রিপন (৩৫)-এর মরদেহ পরবর্তীতে সাভার থানার বিরুলিয়া জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। আর তৃতীয় আসামি মো. ইব্রাহিম খলিল ওরফে শিপন (৩০)-কে র্যাব-১ গ্রেপ্তার করে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য দুই আসামি আজও পলাতক রয়েছে।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা নং-৩৫৩/ তারিখ: ০৭ জানুয়ারি ২০১৯ ইং রুজু করা হয়।
মামলার বাদী নিহত নাজমার বাবা আবু হানিফ বলেন, “আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু ৭ বছরেও বিচার পেলাম না। মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত। আমরা শুধু ন্যায়বিচার চাই।”
মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এই মামলার বিচার সম্পন্ন করে আসামিদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
নিহত নাজমা পাবনা জেলার সাঁথিয়া থানার কালাইছাড়া উত্তরপাড়া গ্রামের মো. আবু হানিফ ওরফে নাজমুলের মেয়ে। জীবিকার তাগিদে পরিবারসহ তিনি আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় রূপায়ন আবাসন-১ নম্বর গেট সংলগ্ন রবিউল সরদারের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। নাজমা জামগড়ার ইয়াগী বাংলাদেশ লিমিটেড নামক একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ঘটনার দিন ৫ জানুয়ারি ২০১৯ ইং, সন্ধ্যা ৭টার দিকে কারখানার ছুটি শেষে বাসায় ফেরার পথে কারখানা থেকে আনুমানিক ২০০ গজ দূরে একটি গলির মধ্যে আব্দুর রহিম নামের এক ব্যক্তি নাজমাকে ডেকে নেয়। পরে সেখানে অবস্থানরত শিপন, রিপনসহ আরও দুইজন তাকে একটি বাউন্ডারির ভেতরে নিয়ে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর নাজমা নিজেই আশুলিয়া থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর চরম মানসিক বিপর্যয়ে নাজমা বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে আশুলিয়ার সরকার মার্কেটস্থ নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরবর্তীতে আশুলিয়া থানা পুলিশ মামলা রেকর্ড করে। জনতার সহায়তায় অভিযুক্ত আব্দুর রহিমকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। মামলার দ্বিতীয় আসামি রিপন (৩৫)-এর মরদেহ পরবর্তীতে সাভার থানার বিরুলিয়া জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। আর তৃতীয় আসামি মো. ইব্রাহিম খলিল ওরফে শিপন (৩০)-কে র্যাব-১ গ্রেপ্তার করে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য দুই আসামি আজও পলাতক রয়েছে।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা নং-৩৫৩/ তারিখ: ০৭ জানুয়ারি ২০১৯ ইং রুজু করা হয়।
মামলার বাদী নিহত নাজমার বাবা আবু হানিফ বলেন, “আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু ৭ বছরেও বিচার পেলাম না। মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত। আমরা শুধু ন্যায়বিচার চাই।”
মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এই মামলার বিচার সম্পন্ন করে আসামিদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।