ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসীরা নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলেছে। এসব এলাকায় কথিত কামারের আড়ালে গড়ে উঠেছে দেশীয় অস্ত্র তৈরির কারখানাও। সেখানকার তৈরি অস্ত্র ব্যবহার করে সন্ত্রাসীরা ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ নানান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আশুলিয়ার পাড়াগাঁও, পুরাতন আশুলিয়া ইউনিয়ন, ইয়ারপুর ইউনিয়ন, ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল পাবনারটেক রূপায়ন আবাসন মাঠের ভেতরসহ আশপাশের এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে, আশুলিয়ায় শত শত পোশাক কারখানায় কয়েক লাখ শ্রমিক প্রতি মাসে ৫-১০ তারিখে বেতন ভাতা পাওয়ার পর রাস্তায় থামিয়ে গতিরোধ করে তাদের কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাই করে এসব সন্ত্রাসীরা। এইসবের কারণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, গত পাঁচ মাসে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার শতাধিক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র।
তিনি বলেন, “অভিযান চলমান রয়েছে। অপরাধী যেই হোক না কেন তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।”
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
স্থানীয়দের অভিযোগ, আশুলিয়ার পাড়াগাঁও, পুরাতন আশুলিয়া ইউনিয়ন, ইয়ারপুর ইউনিয়ন, ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল পাবনারটেক রূপায়ন আবাসন মাঠের ভেতরসহ আশপাশের এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে, আশুলিয়ায় শত শত পোশাক কারখানায় কয়েক লাখ শ্রমিক প্রতি মাসে ৫-১০ তারিখে বেতন ভাতা পাওয়ার পর রাস্তায় থামিয়ে গতিরোধ করে তাদের কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাই করে এসব সন্ত্রাসীরা। এইসবের কারণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, গত পাঁচ মাসে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার শতাধিক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র।
তিনি বলেন, “অভিযান চলমান রয়েছে। অপরাধী যেই হোক না কেন তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।”
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব