ঢাকার আশুলিয়ায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর চালানো নৃশংস হামলা, গুলি করে হত্যা এবং ছয়টি লাশ পুড়িয়ে ফেলার ভয়াবহ ঘটনার তদন্তে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। অর্ধশতাধিক হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে ‘মামলা বাণিজ্য’ চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় দায়িত্বরত এক পুলিশ অফিসার আদালতে স্বাক্ষ্য প্রদান করে জানিয়েছেন-সাবেক আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এফ এম সায়েদ-এর নির্দেশে ওই সময়ের বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য সরাসরি হামলা, গুলি এবং পরবর্তী লাশ পোড়ানোর ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
স্বাক্ষ্যদাতা পুলিশ সদস্যের মতে, ঘটনাটির পর প্রকৃত ঘটনার পরিবর্তে সাজানো মামলা, ইচ্ছেমতো আসামি করা, মামলা প্রত্যাহার বা নাম কাটানো-এসবকে ঘিরে প্রভাবশালী একটি চক্র গোপনে অর্থ-বাণিজ্য করছে। এতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং তদন্তের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
এদিকে নিহতদের পরিবার এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা দাবি করেছেন, “হত্যাকারী ও সরাসরি লাশ পোড়ানোর সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের আইনের আওতায় আনা না হলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে না।” তারা পুরো ঘটনার পুনঃতদন্ত এবং স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আইন–শৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানানো হলেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত কমিটির ঘোষণা পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসীর মতে, ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। এদিকে একাধিক ভুয়া বাদী সায়েব আলী জলিল, রবিউলসহ সৈরাচারমুক্ত সুবিধাবাদ বিরোধী এক্সপ্রেস ব্যবহারকারী সিন্ডিকেট নিজেরা আওয়ামী লীগ নেতা। তারা কখনো আওয়ামী লীগ, কখনো বিএনপি, কখনো ২০২৪ এর বিপ্লব ও কখনো জামায়াতে ইসলামী সেজে সম্মানিত ব্যক্তিদের ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের এক একজনের নামে একাধিক জিডি ও ৫-৬টি মামলা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এইসব সিন্ডিকেটের সদস্যদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া থানার (এসআই) মাসুদ আল মামুন। তিনি বলেন, অপরাধী যেইহোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
এ ঘটনায় দায়িত্বরত এক পুলিশ অফিসার আদালতে স্বাক্ষ্য প্রদান করে জানিয়েছেন-সাবেক আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এফ এম সায়েদ-এর নির্দেশে ওই সময়ের বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য সরাসরি হামলা, গুলি এবং পরবর্তী লাশ পোড়ানোর ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
স্বাক্ষ্যদাতা পুলিশ সদস্যের মতে, ঘটনাটির পর প্রকৃত ঘটনার পরিবর্তে সাজানো মামলা, ইচ্ছেমতো আসামি করা, মামলা প্রত্যাহার বা নাম কাটানো-এসবকে ঘিরে প্রভাবশালী একটি চক্র গোপনে অর্থ-বাণিজ্য করছে। এতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং তদন্তের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
এদিকে নিহতদের পরিবার এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা দাবি করেছেন, “হত্যাকারী ও সরাসরি লাশ পোড়ানোর সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের আইনের আওতায় আনা না হলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে না।” তারা পুরো ঘটনার পুনঃতদন্ত এবং স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আইন–শৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানানো হলেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত কমিটির ঘোষণা পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসীর মতে, ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। এদিকে একাধিক ভুয়া বাদী সায়েব আলী জলিল, রবিউলসহ সৈরাচারমুক্ত সুবিধাবাদ বিরোধী এক্সপ্রেস ব্যবহারকারী সিন্ডিকেট নিজেরা আওয়ামী লীগ নেতা। তারা কখনো আওয়ামী লীগ, কখনো বিএনপি, কখনো ২০২৪ এর বিপ্লব ও কখনো জামায়াতে ইসলামী সেজে সম্মানিত ব্যক্তিদের ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের এক একজনের নামে একাধিক জিডি ও ৫-৬টি মামলা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এইসব সিন্ডিকেটের সদস্যদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া থানার (এসআই) মাসুদ আল মামুন। তিনি বলেন, অপরাধী যেইহোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব