ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ায় ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার উদ্দেশ্যে দি-রোজ নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার জেনারেল ম্যানেজার সাধনকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তা নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় জীবনযাপন করছেন। তবে সন্ত্রাসীদের ভয়ে জীবনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তিনি থানায় অভিযোগও করছেন না। শনিবার সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করেছেন, শ্রমিকদের দাবি জিএম সাধন স্যারের কিছু হলে আমরা কাজ বন্ধ করে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করবো।
বিষয়টি জানতে গতকাল শুক্রবার বিকেলে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় অবস্থিত দি রোজ ড্রেসেস লিমিটেড কারখানার জেনারেল ম্যানেজার সাধন কুমার দে’র মুঠোফোনে কল করা হলে ঝুটের জন্য তাকে তুলে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা স্বীকার করেন তিনি। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে কারখানা থেকে বের হলে তাকে তুলে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও কারখানার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জামগড়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামগড়া এলাকায় অবস্থিত দি রোজ ড্রেসেস লিমিটেড কারখানায় দায়িত্ব পালন শেষে সাধন কুমার দে নিজ প্রাইভেটকারে বাসার উদ্দেশ্যে বের হচ্ছিলেন। এ সময় ৮-৯ জন সন্ত্রাসী তার গাড়ির গতিরোধ করে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে জোরপূর্বক তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে প্রায় তিন ঘণ্টা বিভিন্ন স্থানে ঘোরানোর পর তারা কারখানার ঝুট ব্যবসা তাদের মনোনীত ব্যক্তিদের না দিলে হত্যার হুমকি দিয়ে কারখানার গেটে নামিয়ে দিয়ে যায় বলে তিনি জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কারখানার একজন কর্মকর্তা বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকার তৈরি পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসাসহ অন্যান্য ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ দেখা দিতো। এক পর্যায়ে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুর মনোনীত সাবেক ছাত্রদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান রনির সঙ্গে দি রোজ ড্রেসেস কারখানার ঝুট ব্যবসার একটি চুক্তিও হয়।
পরবর্তীতে রনি ঝুট নিতে এলে তাদের প্রতিপক্ষ আশুলিয়া থানা তাঁতীদলের সহ-সভাপতি বকুল ভূঁইয়া ও বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন টুকুর ভাই পরিচয়ে টাঙ্গাইলের আতিকুর রহমান উজ্জ্বল ও তাদের লোকজন বাধা প্রদান করলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলাগুলির ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে কারখানা কর্তৃপক্ষ কাউকে ঝুট না দিয়ে নিজেরাই বিক্রি করছেন।
অপহরণের শিকার জেনারেল ম্যানেজার সাধন কুমার দে বলেন, “৮-৯ জন দুর্বৃত্ত আমাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা কারখানার ঝুট ব্যবসা দাবি করে এবং তাদের মনোনীত লোককে ঝুট না দিলে হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় আমি নিজে ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আতঙ্কে আছি। ভয়ে থানায় যেতে পারছি না। অভিযোগ করলে তারা আবারও ক্ষতি করতে পারে।”
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান গণমাধ্যমকে বলেন, “অপহরণ কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শন-যাই হোক না কেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” আর অপরাধী যেইহোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
বিষয়টি জানতে গতকাল শুক্রবার বিকেলে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় অবস্থিত দি রোজ ড্রেসেস লিমিটেড কারখানার জেনারেল ম্যানেজার সাধন কুমার দে’র মুঠোফোনে কল করা হলে ঝুটের জন্য তাকে তুলে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা স্বীকার করেন তিনি। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে কারখানা থেকে বের হলে তাকে তুলে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও কারখানার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জামগড়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামগড়া এলাকায় অবস্থিত দি রোজ ড্রেসেস লিমিটেড কারখানায় দায়িত্ব পালন শেষে সাধন কুমার দে নিজ প্রাইভেটকারে বাসার উদ্দেশ্যে বের হচ্ছিলেন। এ সময় ৮-৯ জন সন্ত্রাসী তার গাড়ির গতিরোধ করে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে জোরপূর্বক তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে প্রায় তিন ঘণ্টা বিভিন্ন স্থানে ঘোরানোর পর তারা কারখানার ঝুট ব্যবসা তাদের মনোনীত ব্যক্তিদের না দিলে হত্যার হুমকি দিয়ে কারখানার গেটে নামিয়ে দিয়ে যায় বলে তিনি জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কারখানার একজন কর্মকর্তা বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকার তৈরি পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসাসহ অন্যান্য ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ দেখা দিতো। এক পর্যায়ে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুর মনোনীত সাবেক ছাত্রদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান রনির সঙ্গে দি রোজ ড্রেসেস কারখানার ঝুট ব্যবসার একটি চুক্তিও হয়।
পরবর্তীতে রনি ঝুট নিতে এলে তাদের প্রতিপক্ষ আশুলিয়া থানা তাঁতীদলের সহ-সভাপতি বকুল ভূঁইয়া ও বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন টুকুর ভাই পরিচয়ে টাঙ্গাইলের আতিকুর রহমান উজ্জ্বল ও তাদের লোকজন বাধা প্রদান করলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলাগুলির ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে কারখানা কর্তৃপক্ষ কাউকে ঝুট না দিয়ে নিজেরাই বিক্রি করছেন।
অপহরণের শিকার জেনারেল ম্যানেজার সাধন কুমার দে বলেন, “৮-৯ জন দুর্বৃত্ত আমাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা কারখানার ঝুট ব্যবসা দাবি করে এবং তাদের মনোনীত লোককে ঝুট না দিলে হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় আমি নিজে ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আতঙ্কে আছি। ভয়ে থানায় যেতে পারছি না। অভিযোগ করলে তারা আবারও ক্ষতি করতে পারে।”
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান গণমাধ্যমকে বলেন, “অপহরণ কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শন-যাই হোক না কেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” আর অপরাধী যেইহোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব