Logo
আজঃ Friday ০২ December 2০২2
শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানির শীর্ষে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Thursday ২৪ November ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০২ December 2০২2 | ৫১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক;  যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভিয়েতনাম, পাকিস্তান এবং মেক্সিকোকে পেছনে ফেলে শীর্ষ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ এখন বাংলাদেশ। গত নয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ ৭৩ কোটি ৮৭ লাখ ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫২ কোটি ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার। সেই হিসাবে গত বছরের তুলনায় এ বছর যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকপণ্য রপ্তানি বেড়েছে ২১ কোটি ৮৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার। যা শতাংশের হিসাবে ৪২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে।

ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মোট ৩২৪ কোটি ৯৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার মূল্যের পোশাক আমদানি করা হয়েছে। যা ২০২১ সালের একই সময়ে ছিল ২৫৪ কোটি ৩০ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আর্থাৎ আগের বছরের চেয়ে পোশাক আমদানি ৭০ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার ডলার বেড়েছে। শতাংশের হিসাবে যা ২৭.৭৮

শতাংশ বৃদ্ধি। এই বাজারে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি করেছে।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মেক্সিকো। দেশটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজারে চলতি বছরের ৫৬ কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার পণ্য রপ্তানি হয়েছে। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪৭ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ডলার। অর্থাৎ আগের বছরের চেয়ে ৯ কোটি ডলার বা ১৯ শতাংশ বেড়েছে পোশাক রপ্তানি। আর রপ্তানির তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। দেশটি থেকে গত ৯ মাসে ৩৭ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ২৭ কোটি ৫৯ লাখ ইউএস ডলার। যা শতাংশের হিসাবে ৩৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়েছে। অপরদিকে ৩৪ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার মূল্যের পোশাক রপ্তানি করে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম। দেশটি বাজারটিতে ২০২১ সালের একই সময়ে পণ্য রপ্তানি করেছে ২৭ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার ডলারের।

এই সময়ে চীনের পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৬ শতাংশ। গত ৯ মাসে দেশটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২৯১ কোটি ১৪ লাখ ৫০ হাজার ডলারের। যা এর আগের বছর ছিল ২৭ কোটি ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

পোশাকসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ ডেনিম গার্মেন্টস সোর্সিংয়ের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়েছে প্রধানত একটি শক্তিশালী ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ এবং প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্যের প্রাপ্যতার কারণে। এ ছাড়া বাংলাদেশ সবুজ শিল্পে বিনিয়োগ করছে, যা আমদানিকারকদের জন্য আরেকটি প্রণোদনা হিসেবে কাজ করে।


আরও খবর