Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

শাকিব খান অবশেষে ভারতীয় ভিসা পেলেন

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ অক্টোবর 20২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩২৫জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:শাকিব খান প্রথমবার প্যান ইন্ডিয়ান সিনেমায় অভিনয় করতে চলেছেন। অনন্য মামুন পরিচালিত ছবির নাম ‘দরদ’। গেল ২০ অক্টোবর ভারতের উত্তর প্রদেশের বেনারস ও এলাহাবাদে এর শুটিংয়ের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছিল। সেজন্য ১৫ অক্টোবর মুম্বাই উড়াল দেওয়ার কথা ছিল এ নায়কের। কিন্তু ভিসা জটিলতায় যেতে পারেননি এ ঢালিউড সুপারস্টার।

তবে এবার জটিলতা কেটে গেছে। ভারতের ভিসা পেয়েছেন শাকিব খান। গণমাধ্যমকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন ছবির বাংলাদেশ অংশের পরিচালক অনন্য মামুন।

তিনি বলেন, ‘শুটিংয়ের যাবতীয় কাজ শুরু হয়েছে আরও আগে। গতকাল (রোববার) রাতে শাকিব ভাইসহ বাংলাদেশ অংশের সবার ভিসা হয়েছে। ভিসা পেতে দেরি হলেও আমাদের কোনো কাজ থেমে ছিল না। বারানসিতে টিম কাজ করছে।

মামুন আরও বলেন, ‘মুম্বাইয়ে হিরোইন সোনাল চৌহানকে নিয়ে আমরা গতকাল স্ক্রিপ্ট রিডিং সেসন করেছি। কাজ কিন্তু মোটেও থেমে নেই। চলছে গানের কাজও। শাকিব ভাই আসার পর লুক সেট, হিরোইনসহ স্ক্রিপ্ট রিডিং সেসন ও ফটোশুট হবে। এরপর ২৬ অক্টোবর আমরা উড়াল দেব বারানসিতে। ২৭ অক্টোবর থেকে বারানসি ও এলাহাবাদের বিভিন্ন লোকেশনে টানা শুটিং শেষ করে তারপর দেশে ফিরব।

ছবিটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছে ভারতের এসকে মুভিজ, ওয়ান ওয়ার্ল্ড মুভিজ, বাংলাদেশের অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট ও কিবরিয়া ফিল্মস। এতে আরও অভিনয় করছেন বাংলাদেশের শহীদুজ্জামান সেলিম, এলিনা শাম্মী, জেসিয়া ইসলাম, ভারতের রাহুল দেব প্রমুখ। বাংলা, হিন্দি, তামিল, মালয়ালম এই চার ভাষায় ছবিটি তৈরির কথা।


আরও খবর



চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফর নিয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলন করবেন। বিকেল ৪টায় গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস এ তথ্য জানিয়েছেন।

চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে ৮ জুলাই বেইজিং সফর শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু রাষ্ট্রীয় সব কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর সফরসূচিতে পরিবর্তন এনে একদিন আগে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।

বেইজিং এ প্রধানমন্ত্রী ৮ থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত অবস্থানকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদি সম্পন্ন করেন।

সফরের শেষ দিন ১০ জুলাই বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও চীনের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একটি প্রতিনিধি পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর দুদেশ ২১টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে এবং সাতটি প্রকল্পের ঘোষণা দেয়।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ জুলাই চীনে যাবেন

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৮ থেকে ১১ জুলাই চীন সফরে যেতে পারেন বলে।

সোমবার (২৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে সফররত চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লি জিয়ানছাওয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর এসব কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামী ৮-১১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সম্ভাবনা বেশি। উন্নয়নে অনেক ক্ষেত্রে চীনের গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামনে প্রধানমন্ত্রীর সফরে গুরত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে, সেটি আমরা প্রত্যাশা করেছি। আমরা এই সফরের দিকে তাকিয়ে আছি।

চীনা মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে হাছান মাহমুদ জানান, চীন আমাদের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী এবং বড় বাণিজ্য সহযোগী। আমরা বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা চীন থেকে ইমপোর্ট করি প্রায় ১৩ বিলিয়ন। আর এক্সপোর্ট করি পৌনে ১ বিলিয়ন।

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ওষুধ, চামড়া ও সিরামিক পণ্যগুলো চীন আমাদের থেকে নিতে পারে যোগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা চাওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা চেয়েছি। আমরা গাজা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছি। এ ব্যাপারে আমরা চীনকে অ্যাকটিভ রোল প্লে করার প্রত্যাশা করি।


আরও খবর



আমতলীতে ব্রীজ ভেঙ্গে বিয়ের নয় কনেযাত্রী নিহত, ঠিকাদারের শাস্তির দাবীতে বিক্ষোভ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪৯জন দেখেছেন

Image

আব্দুল্লাহ আল নোমান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:আমতলী উপজেলা চাওড়া নদীর উপর নির্মিত হলদিয়া হাট ব্রীজ ভেঙ্গে বিয়ের নয় কনে যাত্রী নিহত হয়েছে। নিহতের মধ্যে এক পরিবারের তিনজন। অপর নিহতরা সকলেই পরস্পর আত্মীয়স্বজন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারীতে আকাশ ভারী হয়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধা দায়সারা ব্রীজ নির্মাণ করেছে। ফলে নির্মাণের ৫ বছরের মাথায় ব্রীজের মাঝখানের ভীম ভেঙ্গে যায়। গত ১০ বছর ধরে এ ভাঙ্গা নরবরে ব্রীজের উপর দিয়ে হলদিয়া ইউনিয়ন ও চাওড়াসহ উপজেলার অন্তত অর্ধ লক্ষ মানুষ চলাচল করতো। ব্রীজ নির্মাণকারী ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধার শাস্তি দাবীতে  এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করেছে।  ঘটনা ঘটেছে শনিবার দুপুর দেরটার দিকে।  

জানাগেছে, আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তর ২০০৮-০৯ অর্ধ বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার চাওড়া ও হলদিয়া ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত চাওড়া  নদীর উপর হলদিয়া হাট এলাকায় আয়রণ ব্রীজ নির্মাণের দরপত্র আহবান করে। ওই ব্রীজের নির্মাণের পাঁচ বছরের মাথায় ব্রীজের মাঝের ভীম ভেঙ্গে যায়। গত ১০ বছর ধরে ওই ভাঙ্গা ব্রীজ দিয়ে  হলদিয়া ইউনিয়ন ও চাওড়াসহ উপজেলার অন্তত অর্ধ লক্ষ মানুষ চলাচল করে আসছে।  শনিবার দুপুর দেরটার দিকে কাউনিয়া ই্ব্রাহিম একাডেমির সহকারী শিক্ষক উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের মাসুম বিল্লাহ মনিরের মেয়ে হুমায়রা আক্তারের সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমতলী পৌর শহরের খোন্তাকাটা এলাকার বাসিন্দা সেলিম মাহমুদের ছেলে ডাঃ সোহাগের বিয়ে হয়। গত শুক্রবার ওই কনেকে বরের বাড়ী তুলে আনেন। শনিবার মেয়ের পক্ষের লোকজন বরের বাড়ীতে মাইক্রো এবং অটো গাড়ীতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে হলদিয়া ব্রীজ পাড় হওয়ার সময় ব্রীজের মাঝের অংশ ভেঙ্গে যায়। এতে মাইক্রোবাস ও অটো গাড়ী নদীতে পড়ে যায়। অটোতে থাকা যাত্রীরা সকলে সাতরে কিনারে উঠতে পারলেও মাইক্রোবাসের যাত্রীরা নদীতে তলিয়ে যায়। তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা ওই মাইক্রোতে থাকা লোকজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী নাশির উদ্দিন। খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। ততক্ষণে মাইক্রোবাসে থাকা কনে পক্ষের ৯ যাত্রী নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন রুবিয়া (৪৫), রাইতি (২২), ফাতেমা (৫৫), জাকিয়া (৩৫), রুকাইয়াত ইসলাম (৪), তাহিয়া মেহজাবিন আজাদ (৭), তাসফিয়া (১৪), ঋধি (৪) ও রুবি বেগম (৩৫)। এদের মধ্যে রুকাইয়াত ইসলাম ও জাকিয়ার বাড়ী উপজেলার দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া গ্রামে। অপর নিহত ৭ জনের বাড়ী মাদারিপুর জেলার শিবচর উপজেলার কোকরার চর গ্রামের বাসিন্দা। এরা কনে হুমায়রার মামা বাড়ীর আত্মীয়স্বজন। নিহতদের আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনার পরপর ব্রীজ নির্মাণকারী ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধার বিচার দাবীতে কয়েক হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে। খবর পেয়ে বরগুনা-১ আসনের সাংসদ গোলাম সরোয়ার টুকু, জেলা প্রশাসক মোহাঃ রফিকুল ইসলাম,  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম সরোয়ার ফোরকান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) তারেক হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন। 

মাইক্রোবাসে থাকা সোহেল মিয়া বলেন, মাইক্রোবাসে কনে পক্ষের ১৬ জন যাত্রী বরের বাড়ীতে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে হলদিয়া হাট ব্রীজের উঠামাত্রই ব্রীজ মাঝখান দিয়ে ভেঙ্গে মাইক্রোবাসটি নদীতে পড়ে যায়। আমিসহ ৩ জন সাতরে কিনারে উঠতে পেরেছি। পরে স্থানীয়, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম স্বপন ও নাশির উদ্দিন বলেন, মাইক্রোবাস ও অটোগাড়ীটি ব্রীজের মাঝখানের আসা মাত্রই ধপাস করে ব্রীজ ভেঙ্গে নদীতে পড়ে যায়। তাৎক্ষনিক আমরা স্থানীয়দের নিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা চালাই। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ এসে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।

একই পরিবারের তিন নিহতের স্বজন আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমার কিছুই রইলো না। আমার দুই কন্যা ও স্ত্রী মারা গেছে। সব হারিয়ে আমি এখন অসহায়। হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক বলেন, ব্রীজ নির্মাণ কালে ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধা দায়সারা ব্রীজ নির্মাণ করেছে। ফলে নির্মাণের অল্প দিনের মধ্যেই ব্রীজের মাখঝানের ভীম ভেঙ্গে গেছে। ওই ভাঙ্গা ব্রীজ দিয়ে অন্তত অর্ধলক্ষ মানুষ চলাচল করতো। তিনি আরো বলেন, এই ভাঙ্গা ব্রীজ মেরামতের জন্য আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে বহুবার জানিয়েছি কিন্তু তিনি আমলে নেয়নি। যার ফলে আজ ৯ জনের প্রাণ গেল। ঠিকাদার দায়সারা ব্রীজ নির্মাণ করায় এবং উপজেলা প্রকৌশলী ব্রীজ সংস্কার না করায় তাদের শাস্তি দাবী করছি।

আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ব্রীজ ভেঙ্গে মাইক্রোবাস নদীতে ডুবে নিয়ে বিয়ের কনে পক্ষের ৯ জন মানুষ মারা গেছে। নিহতদের ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। 

ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম মৃধা বলেন, আমি যথাযথ ভাবেই ব্রীজ নির্মাণ করেছি। ব্রীজ নির্মাণ কাজে কোন অনিয়ম করিনি। 

আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ওয়ার ইনচার্জ মোঃ হানিফ বলেন, চার ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে মাইক্রোবাস উদ্ধার করতে পারিনি। উদ্ধার চেষ্টা অব্যহত আছে। 

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ব্রীজ ভেঙ্গে নিহত ৯ জনই হাসপাতালে আনার পুর্বেই মারা গেছেন। 

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী  আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমতলীতে আমার যোগদানের পুর্বে এ ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমার কিছুই জানিনা।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) তারেক হাসান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছি। উদ্ধার কাজের তদারকি করছি। 

বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছি। এ ব্রীজ নির্মাণ যে ঠিকাদার অনিয়ম করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।  

বরগুনা-১ আসনের সাংসদ গোলাম সরোয়ার টুকু বলেন, নিহতের স্বজনদের হাসপাতালে সমবেদনা জানিয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছি। ঘটনাস্থলে বিক্ষুদ্ধ মানুষকে শান্ত করেছি। তিনি আরো বলেন,  ব্রীজ নির্মাণে অনিয়মের কারনে এমন ঘটনা ঘটে থাকলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিহতের পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করা হবে।


আরও খবর



তানোরে বিদ্যুৎ মিটার স্থানান্তর থানায় অভিযোগ, গায়েব

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর প্রতিনিধি:রাজশাহীর তানোরে পল্লী বিদ্যুতের মিটারের সিল কেটে অবৈধ মিটার স্থানান্তর চক্রের মুলহোতা জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) মাদারিপুর গ্রামের বাসিন্দা জয়মতুল্লাহর পুত্র জাহাঙ্গীর আলম। এদিকে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ এবিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, উল্টো ঘটনা ধাঁমাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কারণ পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ করেছেন অপরাধীর শাস্তির জন্য। কিন্ত্ত পুলিশ এখানো কোনো তদন্তই করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, চলতি বছরের  গত ২৪ মার্চ অভিযোগ করা হলেও রহস্যজনক কারনে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো গ্রাহককে মিমাংসা করার নির্দেশ দেন মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা এসআই মজিবুর বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। এতে দুই গ্রাহক বিচার তো পাইনি উল্টো চরম বেকায়দায় পড়েছেন। ফলে অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জোর দাবি তুলেছেন ভুক্তভোগী দুই গ্রাহকসহ পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্যাডে ১৯৬ নম্বর স্বারকের প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, জাহাঙ্গীর পিতা জয়মতুল্লাহ সাং মাদারিপুর, উক্ত ব্যক্তি তানোর জোনাল অফিসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় অর্থের বিনিময়ে অবৈ ভাবে বৈদ্যুতিক মিটার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে দিচ্ছেন। যেমন হিসাব নম্বর ৪৬৪-২৬২০ গ্রাহকের নাম আব্দুর রশিদ পিতা বদের আলী ও হিসাব নম্বর  ৪৬৪-২৬৫০ গ্রাহক বদের আলী পিতা মাশি উভয়ের গ্রাম, ধানোরা। এদুজন গ্রাহকের আবাসিক মিটার অফিসকে অবহিত না করে অবৈধভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে দিয়েছেন। যা বিদ্যুৎ আইন ২০১৮ অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত বৈদ্যুতিক স্থাপনা/ইক্যুইপমেন্টে দন্ডনীয় অপরাধ।  

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কামারগাঁ ইউপির ধানোরা গ্রামের রশিদ ও তার পিতা বদের আলীর ঘর ওয়ারিং শেষে মিটারের সিল কেটে অন্যত্র স্থানান্তর করেন জাহাঙ্গীর। বিদ্যুৎ বিল দেয়ার জন্য মিটার রিডার এসে এঅবস্থা দেখে গ্রাহককে জিজ্ঞেস করেন কে করেছে মিটারের এঅবস্থা। গ্রাহকরা বলেন জাহাঙ্গীর। মিটার রিডার বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। বিষয়টি জানার পর ডিজিএম ওই দুজন গ্রাহককে অফিসে তলব করেন এবং মিটারের সিল কাটার বিষয়টি ডিজিএমকে খুলে বলেন। এসময় দুজন গ্রাহকক লিখিত অভিযোগ দেন ডিজিএম বরাবর। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডিজিএম থানায় লিখিত অভিযোগ  করেন জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে।এছাড়াও জাহাঙ্গীরের ছোট ভাই তানোর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইলেক্ট্রিশিয়ান  লিটন অধিক টাকার বিনিময়ে এবং কর্তৃপক্ষের নাম করে আর্থিক সুবিধা নিয়ে বিদ্যুৎ লাইন পাইয়ে দিতেন। ঘটনা বুঝতে পেরে এবং টাকার বিষয়টি প্রমান পাওয়ায় তাকে পল্লী বিদ্যুৎ তানোর জোনাল অফিস থেকে বহিষ্কার করেন । লিটন এখনো বহিষ্কার অবস্থায় আছেন। সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে তার বড় ভাই একই কায়দায় বৈদ্যুতিক মিটার টাকার বিনিময়ে স্থানান্তর করে থাকেন। স্থানীয়রা জানান, জাহাঙ্গীর ও লিটন তারা দুই ভাই পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকের কাছে এখন মুর্তিমান আতঙ্ক। তারা আরো বলেন, তাদের কথা মতো তাদের দিয়ে কাজ না করালে তারা গোপণে রাঁতের আঁধারে মিটারের সিলকাটা, সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ নানাভাবে সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানি করে। এবিষয়ে 
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মজিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি তারা আপোষ-মিমাংসা করে নিয়েছেন। তবে পুলিশ তদন্ত করে কি পেয়েছেন জানতে চাইলে তিনি কোনো সদোত্তর না দিয়ে এড়িয়ে গেছেন।

এবিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তাকে বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এবিষয়ে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা দুই ভাই ষড়যন্ত্রের শিকার। এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা (ডিজিএম) জহুরুল ইসলাম বলেন, তারা থানায় অভিযোগ করেছেন অপরাধীর শাস্তির জন্য, এখানে আপোষের কথা আসছে কেন ? আর বাদি পল্লী বিদ্যুৎ তারা আপোষ করলো কার সঙ্গে।

আরও খবর



পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন ৩৯২০ জন‌, মৃত্যু হয়েছে ৩৫ বাংলাদেশির

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:হজ পালন শেষে দেশে ফিরছেন হাজিরা। গত ২০ জুন থেকে শুরু হয়েছে ফিরতি ফ্লাইট। শনিবার (২২ জুন) ১০টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৩৯২০ জন। এদিকে হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবের মোট ৩৫ জন বাংলাদেশি হাজীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২২ জুন) ধর্ম-মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছ। বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রের বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে হেল্পডেস্ক।

হেল্পডেস্কের তথ্যমতে, বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজী নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ফ্লাইটটি সৌদির কিং আবদুল আজিজ বিমানবন্দর ছেড়ে আসে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায়। পরদিন তিনটি বিমান সংস্থার আরও ১০টি ফ্লাইট ৪০৩৭ জন হাজী নিয়ে দেশে ফিরেছে।‌ হাজী নিয়ে শেষ ফ্লাইটটি দেশে ফিরবে ২২ জুলাই।

এবার বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। গত ৯ মে থেকে ১২ জুন পর্যন্ত সৌদি আরব যাওয়ার ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে ২১৮টি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট সংখ্যা ১০৬টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স পরিচালিত ফ্লাইট ৭৫টি ও ফ্লাইনাসের ফ্লাইট ৩৭টি।

ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ২২ জুলাই। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স অর্ধেক হজযাত্রী পরিবহন করবে। বাকি অর্ধেক পরিবহন করবে সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স।


আরও খবর