Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

আবারও গানের ভুবনে ফিরতে চান জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী রিংকু

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:উত্তর জনপদের মৎস্য, শষ্য ও আমের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় জন্ম এক সময়ের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী মশিউর রহমান রিংকুর। চার বার স্ট্্েরাক করে অসুস্থ্য রিংকু বর্তমানে আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলেও পারছে না আগের মত আর গান গাইতে। কিন্ত মনবল রয়েছে তার, আবারও ফিরতে চান গানের ভুবনে।

২০১৬ ইতালিতে শো করার সময় প্রথমবার স্ট্রোক করেন। এরপর দেশে এসে চিকিৎসা নিয়ে আবারো গান গাওয়া শুরু করেন। কিন্তু ২০১৮ সালে আরেকবার স্ট্রোক করেন। শেষে ২০২০ সালে পরপর দুইবার স্ট্রোক করে শরীরের বাঁ পাশ অবশ হয়ে যায় তার। বর্তমানে আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন রিংকু। আবারও ফিরতে চান গানের ভ্বুনে।

এক সময় স্টেজ শো, অ্যালবাম প্রকাশ,পথে-প্রান্তরে ছুটে বেড়িয়েছেন গান ভালোবেসে নিজের কন্ঠে শ্রোতাদের মুগ্ধ করতে কিন্তু এখন পুরোপুরি অবসর রিংকু, নেই আগের মত কোনো ব্যস্ততা।

ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় বাজিমাতের মাধ্যমে সংগীত জগতে নিজের জায়গা করে নেন রিংকু। ব্যস্ত হয়ে পড়েন স্টেজ শো ও অ্যালবাম প্রকাশে। ‘পাগলা ঘণ্টা’, ‘বাউল মন’ ও ‘জগৎ বন্ধু’ নামের তিনটি অডিও অ্যালবাম বের করেছিলেন। গানের মাধ্যমে শ্রোতাদের মনে যায়গা করে জনপ্রিয়তার শীর্ষে গিয়েছেন কিন্তু এতো জনপ্রিয়তা অর্জন করার পড়েও রিংকু এখন পুরোপুরি অবসরে আগের মতো নেই কোন ব্যস্ততা, অসুস্থ হওয়ার কারণে গানের জগৎ থেকে এখন দূরেই রয়েছেন এই শিল্পী।

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বড় সাওতা গ্রামের মহসীন আলী মৃধার ছেলে মশিউর রহমান রিংকু। বর্তমানে সেখানেই রয়েছেন তিনি। ২০০৫ সালে ক্লোজআপ ওয়ান সংগীত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিনি নজর কাড়েন দেশজুড়ে এমনকি জায়গা করে নিয়েছিলেন সেরা পাঁচে। তাঁর কণ্ঠে লোকগান ও বাউলগান শ্রোতামহলে ব্যাপক জনপ্রিয়।

তিনি বলেন, একটা সময় স্টেজ মাতিয়েছি। নতুন নতুন গান করেছি। কিন্তু এখন সব বন্ধ। আমাকে অনেকেই ডাকে গানের জন্য। কিন্তু আমি এ অবস্থায় গাইতে চাই না। আমার  জন্য সবাই দোয়া করবেন যেন আগের মতো গান গাইতে পারি। জানি আগের মতো গান গাওয়া সম্ভব না। তারপরও চেষ্টা করবো।

স্থানীয় এলাকাবাসীদের সাথে কথা হলে তারা জানান, যদি এই শিল্পীকে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করা হতো, তাহলে আবারও আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি। উল্লেখ্য, ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় লালন শাহের ‘এসব দেখি কানার হাট-বাজার’ গান গেয়ে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছিলেন রিংকু। এরপর ধীরে ধীরে তিনি ‘পাগলা ঘণ্টা’, ‘বাউল মন’, ও ‘জগৎ বন্ধু’ নামের অডিও অ্যালবাম বের করেছিলেন। ‘বাউল মন’ অ্যালবামের ‘নারী হয় লজ্জাতে লাল, ফালগুনে লাল শিমুল বন’ গানটি সবাইকে আকৃষ্ট করে। লালনের ১০০ গানের পাশাপাশি নানাস্থানে ছড়িয়ে থাকা লোকগান সংগ্রহ করে কাজ করছেন তিনি। ‘সম্পর্ক’ নামে একটি গানের প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছিলেন রাজধানীর মগবাজারে।


আরও খবর



ঢাকা থেকে হাতিয়াগামী লঞ্চের সময়সূচী পরিবর্তনের দাবি তুলেছেন যাত্রী সাধারণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১৬০জন দেখেছেন

Image

আজাদ হোসেনঃহাতিয়া থেকে লঞ্চ ছাড়ার সময়সূচী পরিবর্তন করার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। বর্তমান সিডিউল পরিবর্তন করে পাঁচটা থেকে ছয়টার মধ্যে করার প্রস্তাব তুলেছেন তারা। হাতিয়া থেকে ঢাকায় চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চ গুলোকে মানুষের কল্যাণের কথা মাথায় রাখতে হবে বলেও জানান তারা। হাতিয়াবাসীর দাবিঃ হাতিয়া থেকে লঞ্চ বিকাল ৫ টা থেকে ৬ টার মধ্যে ছাড়তে হবে। এই সময়সূচির মধ্যে লঞ্চ পরিচালনা করলে চাকরিজীবীরা তাদের কাজ সেরে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারবে। বর্তমান সিডিউল অনুযায়ী মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বারোটা থেকে একটার মধ্যে লঞ্চ ছাড়ার কারণে যাত্রীদের অর্ধ দিবস কর্ম বিরতি দিয়ে তাড়াহুড়ো করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হয়। বর্তমান লঞ্চের সিডিউল বাস্তবসম্মত নয়।

সাধারণ মানুষদের একদিনের বেশি সময় লঞ্চে অবস্থান করতে হয় যা যাত্রী সাধারণের সময় এবং কাজ দুটোই নষ্ট হয়। ডেক যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ ডেকে বসে ভোগান্তি পোহাতে হয়। অন্যদিকে রাত তিনটা বা চারটার দিকে লঞ্চ সদরঘাটে এসে পৌঁছায়। সেই সময়টা যাত্রীদের জন্য গন্তব্যে পৌঁছানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। যদি লঞ্চগুলো ছয়টা বা সকাল সাতটার দিকে ঘাটে পৌছাতো তাহলে অফিসের কাজকর্ম অন্যান্য কাজকর্ম সুস্টভাবে সম্পাদন করার পরিবেশ তৈরি হতো। এতে একদিকে যেমন সময়ের সাশ্রয় হতো অন্যদিকে যাত্রী ভোগান্তি লাঘব হতো। ঢাকার সদরঘাট থেকে হাতিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চগুলো সাড়ে পাঁচটা অথবা ছয়টায় রওনা হয়ে ভোরবেলায় হাতিয়া পৌঁছায়, আবার বারোটা একটার দিকে লঞ্চগুলো তাড়াহুড়ো করে ঢাকায় রওয়ানা দিয়ে ফিরে আসে। এটা যাত্রীদের জন্য অনেকটা অবিচার। তাই যাত্রীদের কথা চিন্তা করে হাতিয়া থেকে বিকাল ৫ঃ০০ টা থেকে ছয়টার মধ্যে লঞ্চ ছেড়ে আসলে দুর্ভোগ অনেকটাই কমে যেত বলে তাদের বিশ্বাস। এ কারণে যাত্রী সাধারণ হাতিয়া থেকে ঢাকা গামী লঞ্চ গুলোর সিডিউল পরিবর্তন করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন।


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় ডা: লিজা নার্সিং ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীদের নবীন বরন অনুষ্ঠান

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়ায় ডা: লিজা নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের নবীন বরন অনুষ্ঠান ১৩ মে ২০২৪ইং সোমবার সকালে কুষ্টিয়ার ডা: লিজা নার্সিং ইনস্টিটিউট গ্যালারীতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডা: লিজা নার্সিং ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ডা: এএফএম আমিনুল হক রতনের সভাপতিত্বে ও ডা: লিজা-ডা: রতন ম্যাটসের চেয়ারম্যান ডা: আসমা জাহান লিজার সার্বিক পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা: আকুল উদ্দিন, জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাফসিরুল হক মুন, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আরএমও ডা: তাপস কুমার সরকার, নার্সিং ইনস্টিটিউট কুষ্টিয়ার নার্সিং ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ স্মৃতি কনা রাণী, নাসিবের পরিচালক আব্দুস সাত্তার, প্রাইভেট ক্লিনিক ওনার্স এসোসিয়েশন কুষ্টিয়ার সাধারণ সম্পাদক আরাফাত জামান তপন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসকের আগে নার্সরাই এগিয়ে আসে। রোগীদের সেবাযত্মে নিজেকে নিয়োজিত রাখে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পাশাপাশি নার্সদেরও গুরুত্বও কোন অংশে কম নয়। তাই নার্সিং এর পেশার প্রতি শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দিতে হবে এবং এ পেশার প্রতি ভালোবাসা থাকতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলায় বিশেষ অবদান রেখে চলেছে কুষ্টিয়ার এই ডা: লিজা নার্সিং ইনস্টিটিউট। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তারা ব'লেন, এখান থেকে পড়াশোনা শেষে আপনাদের চাকরি হলে সেটা হবে সেবক/সেবিকা। আর সেবক হিসেবে আপনারা মানুষকে সেবা প্রদান করবেন। কারন, সেবক সেবিকারা অসুস্থ রোগীদের সুস্থ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যোগ্য সেবক/সেবিকা হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে বলেও জানান বক্তারা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডা: লিজা নার্সিং ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ আসমা খাতুন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তিমন মন্ডল ও বৃষ্টি সরকার।পবিত্র কোরআন তেলোয়াত ও  জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হয় এ অনুষ্ঠান। এরপর অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পাশাপাশি নবীন শিক্ষার্থীরা মোমবাতি প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে এবং তাদের ফুল ও মিষ্টিমুখ করিয়ে শুভেচ্ছা জানান অতিথিবৃন্দ। পরে মনোজ্ঞ সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমাপ্তি হয় ।

আরও খবর



দেশে বিস্তৃত ইভি লাইনআপ উন্মোচন করলো মার্সিডিজ-বেঞ্জ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:মার্সিডিজ-বেঞ্জের অফিসিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর র‍্যানকন মোটরস লিমিটেড বাংলাদেশে মার্সিডিজ-বেঞ্জ ইকিউ লাইনআপের ছয়টি ভিন্ন মডেল চালু করেছে।এ উপলক্ষে সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মার্সিডিজ-বেঞ্জের আধুনিক এবং ক্লাসিক উভয় ধরনের গাড়ি নিয়ে একটি দিনব্যাপী মোটরশো ছিল অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষন। এই পর্বে একটি কনসার্টের আয়োজন করা হয়। এতে পারফর্ম করে রক ব্যান্ড ওয়ারফেজ, নেমেসিস এবং সংগীতশিল্পী প্রিতম।

আলাদা একটি গালা ইভেন্টে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং বিজনেস টাইকুনদের উপস্থিতিতে আকর্ষণীয় লেজার শো মাধ্যমে ইকিউ লাইনআপটি উন্মোচন করা হয়। এই পর্বে নেমেসিস এবং জেফারের লাইভ সঙ্গীত সমন্বিত একটি ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রোমো রউফ চৌধুরী, বিভাগীয় পরিচালক ইমরান জামান খান, সিইও রেদওয়ানুল জিয়া।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করা 4 SUV এবং 2 Sedan মডেলগুলো হলো: EQS 450 4matic SUV, EQS 450+ Sedan, EQE 350+ SUV, EQE 53 AMG SUV, EQE 350+ Sedan এবং EQB৷

অনুষ্ঠানে ইমরান জামান খান তার বক্তব্যে বলেন, বৈদ্যুতিক যানবাহন স্বয়ংচালিত শিল্পের ভবিষ্যৎ। প্রযুক্তি কারও জন্য অপেক্ষা করে না। আমাদের পরিকল্পনা করে এখনই কাজে নেমে পড়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, মার্সিডিজ-বেঞ্জ বাংলাদেশ, জেনেক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের সহযোগিতায় দেশব্যাপী চার্জিং স্টেশন নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য কাজ করছে। বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেটে মোট ৭টি চার্জিং স্টেশন লাইভ রয়েছে। ২০২৪ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মোট ২১টি স্টেশনের চালুর কাজ চলমান রয়েছে।

অডি, বিএমডব্লিউ এবং বিওয়াইডির মতো অন্যান্য ব্র্যান্ডের অনুসরণে বাংলাদেশে ইভি বিপ্লবে সম্পৃক্ত হওয়ার সর্বশেষ সংযোজন হলো মার্সিডিজ-বেঞ্জ। মার্সিডিজ-বেঞ্জ বর্তমানে মোট ৬টি নতুন ইভি মডেল সরবরাহ করছে। এর সাথে এখন থেকে গ্রাহকদের সবচেয়ে বিস্তৃত ইভি মডেলের সুবিধা দিতে যাচ্ছে ৷


আরও খবর



রসুল নগর যুব সংসদের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন বিতরণ

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১৭০জন দেখেছেন

Image

মুশফিকুর রহমানঃরাজধানীর ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া হাজী নগর এলাকার নব মল্লিকাএকাডেমী'তে রসুল নগর যুব সংসদের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এডভোকেট মলি আক্তার রিতা । সভাপতিত্ব করেন রসূল নগর যুব সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পেয়ার আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন তুষার। এতে অন্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন রসূল নগর যুব সংসদের অর্থ সম্পাদক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নেয়ামত উল্লাহ, ডেমরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ ইমরান হোসেন, হাজী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মোঃ মজিবুর রহমান মন্টু, সুলাইমান মৃধা, নবমল্লিকা মডেল একাডেমির প্রধান শিক্ষিকা রীমা হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ৬৬নং ওয়ার্ড ডগাইড় উত্তর ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুর রহমান ফয়সাল সহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রী দের মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরন করা হয়।ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ৬৭,৬৮,৬৯ নম্বর ওয়ার্ডকে ডিজিটাল হিসাবে গড়তে চান এডভোকেট মলি আক্তার রিতা।নাগরিকের অধিকার সর্বোচ্চ বজায় রাখতে চান তিনি।নারীদের আত্মকর্মসংস্থান তৈরির জন্য নিরলস ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বহু নারীকে কর্মসংস্থান ব্যবস্হা করেছেন মলি আক্তার রিতা।তিনি অসহায় গরীব মেয়েদের নিজের অর্থ সহোযোগিতায় বিয়ে দিয়েছেন। নির্যাতিত নারীদের পক্ষ নিয়ে আইনজীবী হিসেবে বিনা অর্থে আইনি সেবা দিয়েছেন।এলাকাবাসীর অত্যন্ত পছন্দের একজন মানুষ হিসেবে করো বোন,কারো ভাবি,কারো মেয়ে হয়ে সামাজিক বহু সংগঠনের মাধ্যমে গরীব অসহায় মেহনতী মানুষের মাঝে এান খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছেন।

নারী কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হতে পারলে কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে চান মলি আক্তার রিতা। নারী ও বৃদ্ধদের জন্য ব্যায়ামাগার নির্মাণ করতে চান সংরক্ষিত নারী আসনের এ প্রার্থী। এলাকার যানজট সমস্যা নিরসন করার অঙ্গীকার করেন তিনি।

মলি আক্তার রিতা বলেন, ওয়ার্ডের মাঠগুলোকে শুধু খেলাধুলা করার জন্য উপযোগী করে দেব। মেয়েদের খেলার সুযোগ তৈরি করব। একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মেয়েদের মাঠে খেলার ব্যবস্থা করে দেব। এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে নিরাপত্তা বাড়াব। মাদক নির্মূল করার চেষ্টা করব,আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে সুখে দুঃখে সার্বক্ষণিক মানুষের পাশে থাকব। এলাকার অবহেলিত নারীদের উন্নয়নে সব সময় নিজেকে নিয়োজিত রাখার চেষ্টা করেছি।আমি যেন আরও বেশি করে জনগণের সেবা করতে পারি এজন্যই জনগণের অনুরোধে এবার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।


আরও খবর



ইভটিজিং এর প্রতিবাদ করায় শিক্ষকের দুহাত ভাঙ্গলো কিশোর গ্যাং!!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি:নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে শ্রেণি কক্ষে ঢুকে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ইভটিজিং করার প্রতিবাদ করায় এক শিক্ষককে পিটিয়ে দুই হাত ভেঙ্গে দিয়েছে কিশোর গ্যাং।ভুক্তভোগী শিক্ষকের নাম মো.হাসান (৩৪)। তিনি উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের জামেয়া শরাফতিয়া ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার শিক্ষক।

খবর নিয়ে জানা যায় বিকেলে দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের মদিনা বাজারের পূর্ব পাশে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে, একই দিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের জামেয়া শরাফতিয়া ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির কক্ষে এই ইভটিজিংয়ের এই ঘটনা ঘটে।

হামলাকারী মো.রাজু (২৪) ও আবু নোমান (২৫) মুছাপুর ইউনিয়নের জামেয়া শরাফতিয়া ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসা এলাকার বাসিন্দা।

জামেয়া শরাফতিয়া ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার আরবি প্রভাষক মো.শহীদ উল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, বেলা পৌনে ১১টার দিকে বহিরাগত রাজু জামেয়া শরাফতিয়া ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার ক্যাম্পাসে আসে। এরপর সে মাদরাসার ছাত্র নোমানের সহযোগিতায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির কক্ষে ঢুকে এক ছাত্রীকে ইভটিজিং করে। ওই সময় ছাত্রী তার ভয়ে শ্রেণী কক্ষে থাকা বেঞ্চের নিচে লুকিয়ে যায়। এরপর ইভটিজিংয়ের শিকার ছাত্রীর অন্য সহপাঠীরা বাধা দিলেও রাজু তাকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। খবর পেয়ে মাদরাসার নূরানি বিভাগের শিক্ষক মো.সোহেল এগিয়ে আসলে ইভটিজার রাজু ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মাদরাসার ভিতরে ওই শিক্ষককে মারধর করে। তাৎক্ষণিক একই মাদরাসার শিক্ষক হাসান এগিয়ে এসে সহকর্মী শিক্ষকের ওপর হামলা ও ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করলে তার সাথেও ইভটিজারদের বিরোধ দেখা দেয়। ওই বিরোধের জের ধরে বিকেল ৫টার দিকে মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য রাজু ও নোমানের নেতৃত্বে ৭/৮জন কিশোর গ্যাং সদস্য তার গতিরোধ করে। পরে তারা শিক্ষক হাসানের ওপর হামলা চালায়। তখন হামলাকারীরা তাকে রাস্তায় দৌড়াতে দৌড়াতে বেধড়ক পেটায়। এতে তার দুই হাত ভেঙ্গে যায়।

হামলার শিকার শিক্ষকের শাশুড়ি বিবি খাদিজা ও শ্বশুর মো.সাহাব উদ্দিন বলেন, ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় কিশোর গ্যাং সদস্যরা এ হামলা চালায়। বর্তমানে হাসানকে জেলা শহর মাইজদির জাপান বাংলাদেশ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

জাপান বাংলাদেশ হাসপাতালের অর্থোপেডিক ডাক্তার আবদুর রহমান বলেন,তার একটি হাতে অপারেশন করে পাত বসানো হয়েছে। অন্য একটি হাতে প্লাস্টার করা হয়েছে। তার দুটি হাত ভেঙ্গে গেছে।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয় শুনেছি। ভুক্তভোগী শিক্ষকের পরিবারকে কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর