Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

পরীক্ষা চলাকালে ঢাবি ছাত্রীদের মুখ-কান খোলা রাখতে হবে: আপিল বিভাগ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ২৮৫জন দেখেছেন

Image

আদালত প্রতিবেদক:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পরীক্ষা ও প্রেজেন্টেশন চলাকালে প্রত্যেক ছাত্রীর কানসহ মুখ খোলা রাখার নোটিশ বহাল রেখেছন আপিল বিভাগ। পাশাপাশি এ বিষয়ে জারি রুল দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতেও হাইকোর্টকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার বেলায়েত হোসেন; সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. ফয়জুল্লাহ ফয়েজ।

আদেশের পরে ফয়জুল্লাহ বলেন, আপিল বিভাগ বলেছেন- যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু মুখ-কান খোলা রাখা যাবে।

গত ২৮ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পরীক্ষা ও প্রেজেন্টেশন চলাকালে প্রত্যেক ছাত্রীর কানসহ মুখ খোলা রাখার নোটিশের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি রুলও জারি করা হয়। পরে ৭ মে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার আদালত। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পরীক্ষা ও প্রেজেন্টেশন চলাকালে প্রত্যেক ছাত্রীর কানসহ মুখ খোলা রাখার নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ভুক্তভোগী তিন শিক্ষার্থীর পক্ষে আইনজীবী মো. ফয়জুল্লাহ ফয়েজ এ রিট দায়ের করেন।

গত বছরের ১১ ডিসেম্বর বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. আজিজুল হক স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, বাংলা বিভাগের সব শিক্ষার্থীকে জানানো যাচ্ছে, ২০২২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলা বিভাগের একাডেমিক কমিটি সর্বসম্মতভাবে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী বাংলা বিভাগের প্রতি ব্যাচের সংযোগ ক্লাস (টিউটোরিয়াল প্রেজেন্টেশন), মিডটার্ম পরীক্ষা, চূড়ান্ত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীকে পরিচয় শনাক্ত করার জন্য কানসহ মুখমণ্ডল পরীক্ষা চলাকালীন দৃশ্যমান রাখতে হবে।

পরে অপর এক নোটিশে একই বিষয়ে বলা হয়, ‘লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোনো কোনো শিক্ষার্থী এই সিদ্ধান্ত পালনে শৈথিল্য দেখাচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে যারা পালন করবে না তাদের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ পরে ওই নোটিশের কার্যকারিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করা হয়।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে বাংলাদেশে। টাইগারদের এ জয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (৮ জুন) সকালে এক অভিনন্দন বার্তায় ক্রিকেটপ্রেমী প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ক্রিকেট দলের সব খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জয়ের ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




ঘূর্ণিঝড় রেমাল; মিরসরাইয়ে পানিতে ভেসে গেছে কোটি টাকার মাছ, বিদ্যুতবিচ্ছিন্ন ৯০ হাজার গ্রাহক

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

মিরসরাই প্রতিনিধি:বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে মিরসরাইয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে ফেনী নদীর জোয়ারের পানি ঢুকে মুহুরী প্রজেক্ট এলাকার ২৬ হেক্টর মৎস্য প্রকল্পের প্রায় কোটি টাকার মাছ পানিতে ভেসে গেছে। দমকা বাতাসে ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ১০ হেক্টর আউশ বীজতলা ও ১৮০ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজিক্ষেত নষ্ট হয়েছে।বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহক ।

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ো বাতাসে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে গ্রামীন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে এবং অসংখ্য বসতঘর ভেঙে গেছে। এছাড়া বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙেছে ৩৭ টি, তার ছিঁড়েছে ৩৪০ টি স্পটে, ক্রস আর্ম ভেঙেছে ৩৬ টি। উপজেলায় প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন। অতিবৃষ্টিতে ফেনী নদীর পানি ঢুকে মুহুরী প্রজেক্ট এলাকার ৩২ টি মৎস্য খামারের ২৬ হেক্টর পুকুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোটি টাকার কার্পজাতীয় মাছ পানিতে ভেসে গেছে। হাবিলদারবাসা এলাকায় সড়কে বড় গাছ ভেঙে পড়ে প্রায় ২০ ঘণ্টা বন্ধ ছিল ছাগলনাইয়া-করেরহাট সড়কে সবধরনের যান চলাচল। মঙ্গলবার দুপুরে গাছ কেটে সরানোর পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।উপজেলার মধ্যম ওয়াহেদপুর এলাকার কৃষক আব্দুল হান্নান বলেন, ‘এবার আমি প্রায় ৭০ শতক জমিতে বোরো আবাদ করেছি। ঘূর্ণিঝড়ের আগে ৩০ শতক জমির ধান কেটে বাড়িতে নেওয়া হয়েছে। বাকি ৩০ শতক জমির পাকা ধান পানিতে ডুবে রয়েছে। এতে ধান পচে গেলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।’চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর মিরসরাই জোনাল অফিসের এজিএম প্রকৌশলী উদয়ন দাশ গুপ্ত বলেন, এরইমধ্যে ১৮ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো ৫৪ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন রয়েছেন। লাইন চালু করতে মাঠে ১৮ টি টিম কাজ করছে। দু'একদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হয়ে যাবে আশা করি।বারইয়ারহাট জোনাল অফিসের ডিজিএম হেদায়েত উল্ল্যাহ বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে আমাদের ১২ টি খুঁটি ও ৮ টি ক্রস আর্ম ভেঙেছে। তার ছিঁড়েছে ৪০ টি স্পটে। ২৫ হাজার গ্রাহক এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ পাননি। লাইন স্বাভাবিক করতে ৬ টি টিম কাজ করছে।

সীতাকুণ্ড জোনাল অফিসের ডিজিএম পঙ্কজ চৌধুরী জানান, সীতাকুণ্ড জোনাল অফিসের আওতাধীন মিরসরাই উপজেলার ১০ হাজার গ্রাহক এখনো বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে উপজেলার ১০ হেক্টর আউশ বীজতলা পানিতে ডুবে গেছে ও ১৮০ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে। পরিপূর্ণ ক্ষয়ক্ষতি আগামী দুদু’য়েকদিনের মধ্যে নির্ধারণ করা যাবে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নাসিম আল মাহমুদ বলেন, মুহুরী প্রজেক্টের পুকুরগুলো পাশাপাশি লাগানো থাকায় পাড় থাকে একদম সরু। ফলে অল্প বৃষ্টিতে পাড় ভেঙে মাছ পাশের পুকুরে ভেসে যায়।


আরও খবর



জয়পুরহাটে পুকুরের পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল  ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটে পুকুরের পানিতে ডুবে তৌফিকুর রহমান  তৌফিক(২১) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর  মৃত্যু হয়েছে।সোমবার (২৭ মে) দুপুরে জয়পুরহাট পৌর শহরের পাঁচুরচক  এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত তৌফিকুর রহমান  তৌফিক পৌর শহরের চিত্রা পাড়া মহল্লার সাবেক ষ্টেশন মাষ্টার  নিজাম উদ্দিনে ছেলে। সে এবারের এইচএসসি পাশ করেছেন।জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  হুমায়ুন কবির জানান, তৌফিকসহ তার কয়েকজন  বন্ধু দুপুরে  বৃষ্টির মধ্যে  পুকুরে পানিতে গোসল করতে  যায় । বন্ধুরা পুকুরের পানিতে গোসল করতে নামলেও তৌফিক পুকুরের পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এমনসময় অসাবধানতাবশত পা পিছলে  পুকুরের পানিতে পড়ে যায় তৌফিক ।সাঁতার না জানার কারণে পানিতে তলিয়ে যায়। পরে পুকুর থেকে উদ্ধার করে তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে  নিয়ে যান  স্থানীয় লোকজন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক  তৌফিককে  মৃত ঘোষণা করেন।

আরও খবর



সুনামগঞ্জে মহাবিপদে খামারী ও ব্যবসায়ীরা: প্রশাসন নিরব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৮জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অবাধে গরু, ছাগল, মহিষ, ঘোড়া ও চুনাপাথর, কয়লা, চিনি, পেয়াজসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য পাচাঁর করা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে একদিকে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার, অন্যদিকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত চোরাচালান বাণিজ্য করে সীমান্ত চোরাকারবারীদের গডফাদার ও সোর্স বাহিনীরা এখন কোটিপতি। আর তাদের কারণে মহাবিপদে পড়েছে খামারী ও বৈধ ব্যবসায়ীরা। তারপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্ত চোরাচালান বন্ধের জন্য জোড়ালো কোন পদক্ষেপ নেওয়া খবর পাওয়া যায়না। 

এলাকাবাসী, ব্যবসায়ী ও খামার মালিকরা জানান- খাদ্য, চিকিৎসা ও বিদ্যুৎ বিলসহ শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির কারণে পশুপালনে ব্যয় ভার দ্বিগুন বেড়েছে। এমতাবস্থায় জেলার দোয়ারাবাজার, ছাতক, সুনামগঞ্জ সদর, বিশ^ম্ভরপুর, তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলা সীমান্ত পথে প্রতিদিন শতশত গরু, মহিষ, ছাগল পাচাঁর হচ্ছে। পাচাঁরকৃত গরু হাট-বাজারে কম দামে বিক্রি হওয়ার কারণে জেলার খামারীরা পড়েছেন মহা বিপদে। এদিকে গত ৭দিনে তাহিরপুর উপজেলার বীরেন্দ্রনগর সীমান্তের লামাকাটা ও সুন্দরবন এলাকা দিয়ে গডফাদার তোতলা আজাদের নেতৃত্বে তার সোর্স একাধিক মামলার আসামী লেংড়া জামাল, গোলাম মস্তোফা প্রায় ২হাজার মেঃটন কয়লা, ৫শ মেঃটন চিনি ও ২৫০ মেঃটন পেয়াজ পাচাঁর করাসহ পাশের চারাগাঁও সীমান্তের জঙ্গলবাড়ী, কলাগাঁও, এলসি পয়েন্ট, বাঁশতলা ও লালঘাট এলাকা দিয়ে সোর্স রফ মিয়া, আইনাল মিয়া, রিপন মিয়া, সাইফুল মিয়া, দীপক মিয়া, সোহেল মিয়া, আনোয়ার হোসেন বাবলু ও বাবুল মিয়াগং প্রায় ১০হাজার মেঃটন কয়লা ও চুনাপাথরসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য পাচাঁর করে বিজিবি ক্যাম্পের আশেপাশে অবস্থিত ডিপু ও বসতবাড়িতে মজুত করে রেখেছে। অন্যদিকে বালিয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রায় ১হাজার মেঃটন কয়লা ও মাদকদ্রব্য পাচাঁর করে দুধেরআউটা, লাকমা, বিন্দারবন্দ গ্রামে মজুত করেছে সোর্স রতন মহলদার, কামরুল মিয়া, ইয়াবা কালাম, হোসেন আলী, জিয়াউর রহমান জিয়া ও মনির মিয়াগং। এদিকে টেকেরঘাট সীমান্তের চুনাপাথর খনি প্রকল্প, বড়ছড়া, বুরুঙ্গছড়া ও রজনী লাইন এলাকা দিয়ে সোর্স আক্কল আলী, রুবেল মিয়া, কামাল মিয়া, সাইদুল মিয়া ও মুহিবুর মিয়াগং প্রায় ১০হাজার মেঃটন কয়লা ও ১৫শ মেঃটন চুনাপাথর পাথর করে টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের আশেপাশে ও বড়ছড়া শুল্কস্টেশনের বিভিন্ন ডিপু ও বসতবাড়িতে ওপেন মজুত করে রেখেছে। পাশের চাঁনপুর ও লাউড়গড় সীমান্তের নয়াছড়া, গারোঘাট, রাজাই, কড়ইগড়া, বারেকটিলা এলাকা দিয়ে সোর্স জামাল মিয়া, রসমত আলী, নজরুল মিয়া, বটকুন মিয়া, সাহিবুর মিয়াগং ওপেন গরু, মদ, ইয়াবা, চিনি, পেয়াজ, নাসির উদ্দিন বিড়ি ও ফুসকা পাচাঁর করছে। এছাড়া লাউড়গড় সীমান্তের যাদুকাটা নদী, পুরান লাউড়, সাহিদাবাদ এলাকা দিয়ে সোর্স বায়েজিদ মিয়া, জসিম মিয়া, রফিক মিয়া, নুরু মিয়া ও মোস্তাফা মিয়াগং অবাধে পিয়াজ, চিনি, গরু, কয়লা ও পাথর পাচাঁর করে বিজিবি ক্যাম্পের আশেপাশে মজুত করে ওপেন বিক্রি করলে নেওয়া হয়না আইনগত কোন পদক্ষেপ। এছাড়াও পাশের বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার মাছিমপুর, চিনাকান্দি, ডলুরা ও সুনামগঞ্জ সদরের নারায়নতলাসহ একাধিক এলাকা দিয়ে অবাধে চিনি, পেয়াজ ও গরু পাচাঁরের খবর পাওয়া গেছে।

এব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলার বড়ছড়া কয়লা ও চুনাপাথর আমদানী কারক সমিতির আন্তর্জাতি বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের বলেন-সীমান্ত চোরাচালানের কারণে আমরা কয়েক হাজার বৈধ ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছি। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনকে বারবার অবগত করার পরও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়না। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা নবী হোসেন বলেন- গডফাদার তোতলা আজাদ ও তার সোর্স আক্কল আলী চোরাচালান ও চাঁদাবাজি করে কোটিকোটি টাকা মালিক হয়েছে। তারপরও প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়না। উত্তর বড়দল ইউপি মেম্বার কফিল উদ্দিন বলেন- চাঁনপুর ক্যাম্পের বিজিবিকে ম্যানেজ করে চোরাকারবারীরা ওপেন গরু,মদ,গাঁজা, ইয়াবা পাচাঁর করছে। আমরা তাদেরকে বারবার জানানোর পরও তারা আইনগত পদক্ষেপ নেয়না।

দোয়ারাবাজার উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও খামারী রফিকুল ইসলাম বলেন- সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে অবৈধ ভাবে আসা গরু বাজার সয়লাব হওয়ার কারণে আমরা খামারীরা দুশ্চিন্তায় পড়েছি। এব্যাপারে প্রশাসনের সহযোগীতা জরুরী প্রয়োজন। সুনামগঞ্জের টেকেরঘাট বিজিবির কোম্পানীর কমান্ডার দীলিপ বলেন- সীমান্ত দিয়ে কিছু হতে তো দেখিনা, আপনারা চোরাচালানের খবর পেলে জানাবেন, ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর

ছাতকে ২১০ বস্তা চিনিস ও আটক এক

মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪




মিরসরাইয়ে ১ হাজার কেজির কালা পাহাড়ের দাম ৭ লাখ টাকা

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image

এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:৪ বছরে ষাড় বাচ্চা কালা পাহাড় এখন এক হাজার কেজি ওজনের একটি সুবিশাল গরু। হলেস্টিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটির দাম হাঁকানো হয়েছে ৭ লাখ টাকা। এরই মধ্যে আসন্ন কোরবানি মৌসুমে মিরসরাইয়ে চমক হয়ে উঠেছে কালা পাহাড়। গরুটির মালিক মিরসরাই উপজেলার ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের মজুমদারহাট এলাকার হাশিমনগরের বাসিন্দা সোহেল। ক্ষুদ্র খামারী সোহেল শখের বশেই গরু লালনপালন করেন। দেখতে কালো এবং সুবিশাল হওয়ার কারণেই গরুটির নামকরণ করা হয় কালা পাহাড়। কালা পাহাড় লম্বায় প্রায় আট থেকে নয় ফিট। দৈনিক দানাদার, খড় ও কাঁচা ঘাস মিলে অন্তত ২৫-৩০ কেজি খাবার খায় গরুটি। প্রতিদিন ৪-৫ বার গোসল করাতে হয় তাকে।

খামারি সোহেল জানান, কালা পাহাড়কে কখনও ইনজেকশন বা ফিড খাওয়ানো হয়নি। কিন্তু বর্তমান বাজারে পশু খাদ্যের দাম খুব বেশি। কালা পাহাড়কে গড়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার খাবার খাওয়াতে হয়। সে হিসাবে ৪ বছরে অনেক টাকা তার পিছনে ব্যয় হয়। এসব হিসাব করে কালা পাহাড়ের সুলভ মূল্য ধরা হয়েছে ৭ লাখ টাকা। লাইভ ওয়েটে গরুটি সাড়ে ৫ শত টাকা করে বিক্রি করা হবে। 

সোহেল বলেন, ‘কোনো হাটে কালা পাহাড়কে ওঠানোর ইচ্ছা নেই। বাড়ি থেকে বিক্রি করার ইচ্ছে। তবে মিরসরাইয়ের মধ্যে গরুটি বিক্রি হলে প্রয়োজনে ঈদ পর্যন্ত গরুকে আমার বাড়িতে রাখার সুযোগ দিবো।’

প্রতিবেশী জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সোহেলের গরু পালনের কথা এলাকার সবাই জানে। কিন্তু তার লালনপালন করা কালা পাহাড় এর মতো এত বড় গরু এ এলাকায় আগে কখনও দেখা যায়নি।’


আরও খবর