Logo
আজঃ রবিবার ০৫ মে ২০২৪
শিরোনাম
উপজেলা নির্বাচনে সৎ যোগ্য প্রার্থীদের জনগন বেছে নেবে: সাকিব আল হাসান এমপি মাগুরায় তীব্র তাপদাহে ঝরে পড়ছে লিচুর গুটি ১শ' কোটি টাকার ক্ষতির আশংকা কৃষকদের সেনাবাহিনীকে আরও দক্ষ করে তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী আগুন নেভাতে সুন্দরবনে হেলিকপ্টার থেকে পানি ছিটাচ্ছে বিমানবাহিনী মিল্টন সমাদ্দার ৪ দিনের রিমান্ডে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করবে ডিএমপি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রী-এমপির স্বজনদের বিরত রাখা দলের নীতিগত সিদ্ধান্ত: ওবায়দুল কাদের ঢাকা সেনানিবাসে দুই ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযান গ্রেপ্তার ৩৯ শাহজালালে ফ্লাইট ওঠানামা তিনদিন ৩ ঘণ্টা করে বন্ধ

ফকিরহাটে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় ব্রোকলি চাষ

প্রকাশিত:সোমবার ২২ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | ১৭০জন দেখেছেন

Image

ফকিরহাট(বাগেরহাট)সংবাদদাতা:বাগেরহাটে ইতালি ও মর্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সার্বাধিক জনপ্রিয় ব্রোকলি চাষ করে সাড়া জাগিয়েছেন ফকিরহাট উপজেলার আট্টাকা গ্রামের জাহাঙ্গির শেখ। কৃষি বিভাগের পরামশ্যে বানিজ্যিক ভাবে তিনি ৫০ শতক জমিতে উচ্চ মুল্যের কপি গোত্রের এ সবজি চাষ করেন। ফসল উৎপাদন হয়েছে ভালোই। তবে বাংলাদেশে এ সবজি অপরিচিত হওয়ায় নেয্য মুল্য পাচ্ছেনা বালে জানান কৃষক জাহাঙ্গির শেখ। তিনি বলেন, অক্টবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে কৃষি বিভাগের দেওয়া ব্রোকলীর বীজ থেকে বেডে চারা উৎপাদন করা হয়। চারা লানোর এক সপ্তাহ আগে বেলে-দোয়াশ মাটির জমিতে জৈব সার প্রয়োগ করে জমি প্রস্তুত করা হয়। ২৫ দিন বয়সি চারা লাগানো হয় বেডে। বাধাকপি চাষের মত করে এটি চাষ করা হয়। ইতমধ্যে হাট বাজারে ৬০/৭০টাকা খুচরা দরে বিক্রি করছেন। ফসল উৎপাদন করতে এ পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে ১৮ হাজার টাকা। বৈরি পরিস্থিতি তৈরি না হলে দেড় লক্ষ টাকার ব্রোকলী বিক্রি হবে বলে জানান তিনি।

ফকিরহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, চাষিকে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে পুষ্ঠিগুন সমৃদ্ধ উচ্চ মুল্যের ব্রোকলী চাষে উদ্ভুদ্ধ করা হয়েছে। উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা বিপুল মজুমদার সর্বক্ষনিক তদারকি করেছেন। কপি গোত্রের এ সবজির চাষ করে লাভবান হয়েছেন চাষি। বিভিন্ন স্থান থেকে চাষিরা ব্রোকলী চাষ দেখতে আসছেন এবং আগামি মৌশুমে চাষাবাদের জন্য প্রযুক্তিগত পরামশ্য নিচ্ছেন।


আরও খবর



মহান মে দিবস, বঙ্গবন্ধু ও শ্রমিক অধিকার

প্রকাশিত:বুধবার ০১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল ॥১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস, যা বিশ্ব পরিমন্ডলে ‘মহান মে দিবস’ বা শ্রমিক দিবস হিসেবে গুরুত্বসহকারে পালন করা হয়। বিশ্বের শ্রমজীবী-কর্মজীবী, পেশাজীবী, মেহনতি মানুষের ঐক্য, সংহতি, সংগ্রাম, সাফল্য ও বিজয়ের দিন মহান মে দিবস। মে দিবস এলেই আমাদের সামনে ভেসে ওঠে ঘর্মাক্ত মেহনতি-শ্রমজীবী মানুষের প্রতিচ্ছবি। আর এই শ্রমজীবী মানুষের অধিকারের প্রশ্নটিও সাথে সাথে উঠে আসে এই ঐতিহাসিক দিনে। এই দিবসের তাৎপর্য অনেক, এর পেছনে রয়েছে একটি রক্তস্নাত ইতিহাস। ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে আট ঘণ্টা শ্রম দিবস, মজুরী বৃদ্ধি, কাজের উন্নতর পরিবেশ ও শ্রমের ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলনে আত্মহুতি দান করেছিলেন শ্রমিকরা, ১ মে তারিখে বিভিন্ন দাবিতে ধর্মঘট সমাবেশে পুলিশের গুলি বর্ষণে ৬ জন শ্রমিক প্রাণ হারায়। এর প্রতিবাদে পরদিন হে মার্কেটে শ্রমিকরা মিলিত হলে কারখানার মালিকরা সেখানে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় এবং এতে ৪ শ্রমিক নিহত হয়। শ্রমিকদের নিয়ে আন্দোলন করার দায়ে অগস্ট স্পাইস নামে এক শ্রমিক নেতাকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়। ১৮৮৯ সালের ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল সোশ্যালিষ্ট কংগ্রেসে ১ মে শ্রমিক দিবস হিসেবে ঘোষিত হয় এবং তখন থেকে অনেক দেশে দিনটি শ্রমিক শ্রেণী কর্তৃক উদযাপিত হয়ে আসছে।

রাশিয়া এবং পরবর্তীতে আরো কয়েকটি দেশে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংগঠিত হবার পর মে দিবস এক বিশেষ তাৎপর্য অর্জন করে। জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শাখা হিসেবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ইন্টারন্যাশনাল লেবার অরগানাইজেশন বা আইএলও) প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে শ্রমিকদের অধিকার সমূহ স্বীকৃতি লাভ করে। আইএলও কতগুলো নিয়মকানুন প্রতিষ্ঠা করে এবং সকল দেশের শিল্প মালিক ও শ্রমিকদের তা মেনে চলার আহ্বান জানায় এবং এভাবে শ্রমিক ও মালিকদের অধিকার সংরক্ষণ করার চেষ্টা করে। বাংলাদেশ আইএলও কর্তৃক প্রণীত নীতিমালায় স্বাক্ষরকারী একটি দেশ। বাংলাদেশে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মাধ্যমে মে দিবস পালিত হয়ে আসছে।
রাষ্ট্রপ্রধান, সরকার প্রধান, বিরোধীদলীয় নেতা এবং সংশ্লিষ্ট শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বাণী দিয়ে থাকেন। মে দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার জন্যে সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র বা প্রবন্ধ কিংবা বিশেষ নিবন্ধন প্রকাশ করে। মাথায় রঙ-বেরঙের কাপড় বেধে নানা রঙের ফেস্টুনসহ শ্রমিকরা মিছিল শোভাযাত্রা বের করে, বেতার ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া বিশেষ অনুষ্ঠানাদির ব্যবস্থা করে। বাংলাদেশে বিভিন্ন পেশাজীবী, শ্রমজীবী এবং সামাজিক -সাংস্কৃতিক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো নানা আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করে থাকে। দেশের সংবাদপত্র ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এই সকল সভা-সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের খবর গুরুত্বসহকারে প্রচার করে থাকে। বাংলাদেশ মে দিবস পালনের ক্ষেত্রে মোটেও পিছিয়ে নেই। এ দেশে ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯৩৮ সালে নারায়ণগঞ্জে প্রথম মে দিবস পালিত হয়। তারপর পাকিস্তান আমলেও মে দিবস যথেষ্ট উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে হাজার হাজার শ্রমিক অংশগ্রহণ করে এবং দেশ মাতৃকার জন্যে শহীদ হয়।

১৯৭২ সালে ১ মে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১ মে-কে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা সহ রাষ্ট্রপতি আদেশ ২৭(ক) ধারা মোতাবেক এদেশের সকল ব্যাংক, বীমা, শিল্প- কলকারখানা, রেল, নৌ-পরিবহনসহ  বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগ রাষ্ট্রায়ত্ব ঘোষণা করেন। ফলে এর সুফলও ঐ সকল শিল্প কলকারখানায় কর্মরত শ্রমিক কর্মচারীগণ ভোগ করতে থাকেন। সরকার নীট মুনাফার ৫% শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে সমহারে বন্টনের ঘোষণা দেয়, ফলে বেশ কিছু শিল্পে উৎপাদন ও মুনাফা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় যে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের পর জেনারেল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে ১৯৭৭সালে প্রথম পাকিস্তানী অবাঙালিদের রেখে যাওয়া কিছু কিছু শিল্প কলকারখানা ব্যক্তি মালিকানায় দেওয়া শুরু করেন, পরবর্তীতে জেনারেল এরশাদ ও বেগম খালেদা জিয়ার সরকার কম-বেশী সবাই ব্যক্তি মালিকানায় মিল কলকারখানা হস্তান্তর করেন। আটের দশকের শেষের দিকে পূর্ব-ইউরোপে সমাজতন্ত্রের পতনের পর তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো অতিদ্রুত সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক কর্মসূচী পরিত্যাগ করে বাজার অর্থনীতি তথা মুক্তবাজার অর্থনীতি রাষ্ট্রীয় পলিসি হিসেবে ঘোষণা করেন।

এই সব কারণে একদিকে যেমন শোষণ- নির্যাতন বেড়েছে অপর দিকে ব্যক্তির লুটপাটে পানির দামে ক্রয়কৃত চালু মিল কলকারখানাগুলো একে একে বন্ধ হয়ে গেছে। দেশ আজ আমদানি নির্ভর একটি সিন্ডিকেট চক্রের হাতে জিম্মি । বাংলাদেশে আজ শ্রমিকদের অবস্থা খুবই নাজুক । নারী-পুরুষের মুজুরী  বৈষম্যতো আছেই, এছাড়াও প্রায় সকল সেক্টরে ৮ ঘন্টার বেশী শ্রম দিতে হয়। হোটেল- রেস্তোরায় ও পরিবহন সেক্টরে ভোর ৬ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত শ্রমিক খাটানো হয়, তারপরও নেই কোন নিয়োগপত্র, নেই কোন মজুরী কাঠামো, নেই কোন উৎসব ভাতা কিংবা চিকিৎসাভাতা, এই সব সেক্টরে অধিকাংশ শিশু শ্রমিক নিয়োজিত আছে। দেশের তৈরী পোশাকশিল্প , চাউলের কল, চাতাল, চিংড়ী ঘের ও কৃষি কাজে হাজার হাজার নারী ও পুরুষ শ্রমিক কর্মরত আছে। এখানেও তাদের নেই কোন মজুরী কাঠামো বা নির্ধারিত শ্রম ঘন্টা অথবা কর্মের উপযুক্ত পরিবেশ, এমনকি শ্রমিকদের নেই নিজের জীবনের নূন্যতম নিরাপত্তা, অথচ তাঁরাই নিজের শ্রম দিয়ে, ঘাম দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা চালু রেখেছেন। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারে শ্রমিক হত্যাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১,৫০০ শ্রমিক নিহত এবং দুইসহস্রাধিক শ্রমিক আহত হয়ে পঙ্গুবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। বাহ্যিকভাবে এটি দুর্ঘটনা। একটি ভবন ধসে লোক হতাহত হয়েছেন।

আসলে এটা কি শুধুই দুর্ঘটনা? কথিত দুর্ঘটনার আগের দিন ভবনটিতে ভয়াবহ ফাটল দেখা যায়। লোকজন ভবন ছেড়ে চলে যায়। পরের দিন ভবনে অবস্থিত কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দুর্ঘটনার আশংকায় খোলেনি। সেখানে গার্মেন্টস শিল্পে কাজ করার জন্যে প্রায় ৪ হাজার শ্রমিককে চাকরির ভয়ভীতি দেখিয়ে ঐ ভবনের ভেতরে নেয়া হয়। তারপর এই দুর্ঘটনা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভবনটি বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করে সিলগালা করে বন্ধ করতে অসুবিধা কোথায় ছিল? ভবনটি নির্মাণে রাজউকের কোন অনুমোদন ছিল না। ভবন মালিক পৌরসভা থেকে ছয় তলা করার অনুমোদন নিয়ে, সেখানে নয় তলা ভবন তৈরী করলো কিভাবে? এই ভবন ধসের বিষয়টি মানবসৃষ্ট, কাজেই এই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি নিছক দুর্ঘটনা নয়, ইহা হত্যাকান্ড। ফলে ভবন মালিক সোহেল রানাসহ দায়ী সব পোশাক শিল্পের মালিকদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিক হত্যার জন্য দায়ী পোশাক শিল্পের মালিকদের বাঁচানোর যে চেষ্টা অতীতে বিজিএমইএ করে এসেছে, তা থেকে তারা সরে আসবে বলে আশা করছি। দেশের তৈরী পোশাকশিল্প খাতকে বাঁচানোর স্বার্থেই এটা করতে হবে।কর্মস্থলে শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। রানা প্লাজা হতাহত শ্রমিকদের অনেকেই আজও তাদের ক্ষতিপূরণ পায়নি।

এমনকি নিখোঁজ শ্রমিকদের স্বজনরা শত চেষ্টা করেও খোঁজ কিংবা নিহত শ্রমিকের লাশও পায়নি। এই ভবন ধসের ঘটনার অভিজ্ঞতা নিয়ে অনুরূপ ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি অন্যান্য কারখানায় না ঘটে সেরকম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়নি।

মহান মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম-আন্দোলনে বাংলাদেশের শ্রমিকদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে। বাংলাদেশের শ্রমক্ষেত্রে যত আইন, নীতি, বিধি-বিধান ও নীতিমালা রয়েছে তা মূলত দেশের শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষা তথা শ্রমক্ষেত্রে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা  ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে শ্রমিজীবী মানুষের অবদান সবচেয়ে বেশী। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শ্রমিকদের একাগ্রতা ও শ্রমিক-মালিকের পারস্পরিক সুসম্পর্ক অপরিহার্য। টেকসই উন্নয়ন ও শিল্প-বাণিজ্য খাতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও তাদের ন্যায্য অধিকারসমূহ নিশ্চিত করতে হবে।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে ২ ইটভাটা মালিককে কাঠ পোড়ানোর দায়ে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

প্রকাশিত:সোমবার ২২ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ইট-ভাটায় কাঠ খরি  পোড়ানোর অপরাধে দুই ভাটা মালিককে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের ফকিরটলি ও রাতোর ইউনিয়নের শখের টাউন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রকিবুল হাসান। 
 
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ইটভাটায় কাঠ,খরি পোড়ানো হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও  এক্সিকম্যাজিস্ট্রেট।  উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের এনইবি ব্রিকস ও রাতোর ইউনিয়নে পদ্ম ইটভাটায় জ্বালানী হিসেবে কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানোর বিষয়টির সত্যতা পাওয়ায়। দুই ইটভাটা মালিককে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 
 
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রকিবুল হাসান বলেন,  ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ এর আইন অমান্য করে কয়লার পরিবর্তে কাট খরি পোড়ানোর দায়ে ২ ইটভাটা মালিককে জরিমানা করা হয়েছে। পরিবেশ রক্ষার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

আরও খবর



তানোরে সরকারি গাছ কর্তন ও গোপনে জমি রেজিস্ট্রি

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | ২৮জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে সরকারি গাছ কর্তন ও ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে জমি রেজিস্ট্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় গত মাসের শুরুর দিকে জিল্লুর রহমান বাবুল ও তার ভাই হাফিজুর রহমান বাদি হয়ে আরেক ভাই ওবায়দুর ও ভূমিগ্রাসী মাসুদ করিমকে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন (ইউপির)  বারোঘরিয়া গ্রামে ও সরকারি মুল রাস্তার পাশে গাছ কাটা এবং জায়গায় মাটি ভরাটের ঘটনা ঘটে রয়েছে। 

অভিযোগে উল্লেখ, গত বছরের মে মাসে অতি গোপনে উপজেলার কামারগাঁ ইউপির বারোঘরিয়া গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের পুত্র ওবায়দুর রহমান তার ভাই বা ওয়ারিশ দের না জানিয়ে গোপনে বারোঘরিয়া মৌজায় অবস্থিত ১০৩ নম্বর দাগে ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেন রবিউল ইসলামের কাছে। রবিউল মালেশিয়ায় থাকে। তার বাড়ি বারোঘরিয়া গ্রামে। প্রকাশ থাকে রবিউল দেশে না আসা পর্যন্ত ওবাইদুর জমিটি টেন্ডার হিসেবে চাষাবাদ করিবে। কিন্তু মাসুদ করিমের যোগসাজশে জমিটি গোপনে রেজিস্ট্রি করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে ওই জায়গায় গত মাসের শুরুর দিকে মাসুদ করিমের নেতৃত্বে ৪-৫ টি সরকারি গাছ কর্তন করে জায়গাটি ভরাট করে তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেয়া হয়েছে। 

তানোর টু চৌবাড়িয়া রাস্তার বাঘের মোড়ের উত্তরে ও মুল রাস্তার পশ্চিমে সরকারি নয়নজুলি ভরাট এবং রাতের আধারে  গাছ কেটে তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেয়া হয়েছে। গাছ কেটে মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে যাতে কেউ বুঝতে না পারে। মাসুদ করিম জানান, এঘটনা এক মাস আগের। অভিযোগ হয়েছে থানা পুলিশ দেখবে। আপনি কেন আমাকে ফোন দিবেন বলেও দাম্ভিকতা দেখান। 

তবে তার ভয়ে অভিযোগ করেও অস্বীকার করেন জিল্লুর রহমান বাবুল। তার মোবাইলে ফোন দেয়া হলে তার ছেলে পরিচয় দিয়ে বলেন আমার আব্বা তো বাড়ি থেকে বের হয় না।থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর



দ্বাদশ সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসবে ২ মে

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আগামী ২ মে বিকেল ৫টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আব্দুস সালামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২ মে বিকেল ৫টায় ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, এই অধিবেশন দীর্ঘ হওয়ার সম্ভাবনা কম। অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশন কত দিন চলবে, তা নির্ধারণ করা হবে।

এর আগে, দ্বাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ৩০ জানুয়ারি। শেষ হয় ৫ মার্চ। ২২টি কার্যদিবসের এই অধিবেশনে দুটি বিল পাস হয়।


আরও খবর



মির্জাপুর মহেড়ায় রাজশাহীগামী ট্রেনে আগুন, আহত ১০

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | ৫৬জন দেখেছেন

Image

মির্জাপুর (টাংগাইল) প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া স্টেশনের নিকটে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ২৬ এপ্রিল শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শিরা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিল্কসিটি এক্সপ্রেস  মহেড়া স্টেশনে আসলে ঢাকা গামী অপর আরেকটি ট্রেন কে ক্রসিং এর জন্য থামানো হয়। ঠিক তখনই ট্রেনের হাইড্রোলিক ব্রেকের স্থানে আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে ট্রেনে কর্মকর্তা কর্মচারীরা আগুন নিভিয়ে ফেলে। এ সময় যাত্রীর আতঙ্কিত হয়ে হুড়োহুড়ি করে ট্রেন থেকে নামার সময় ১০ জন আহত হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মহেড়া স্টেশন মাস্টার সোহেল খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। ঘটনার প্রায় দেড় ঘন্টা পর ট্রেনটি পুনরায় রাজশাহীর উদ্দেশে চলে যায়। 


আরও খবর