সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার উপর দিয়ে বহমান বিআইডব্লিউটিএর যমুনা নদীর চ্যানেলে নদী ভাঙ্গনের অযুহাতে প্রায় ১ মাস যাবত একটি প্রভাবশালী মহল পেশিশক্তি ব্যবহার করে জোর পুর্বক বৈধ লাইসেন্স ধারী নৌযান চলাচলে বাধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে ও স্থানিয় একটি স্বার্থান্বেষী লোকজনের বিরুদ্ধে।
উক্ত নৌরুটে বৈধ নৌযান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারনে প্রায় এক মাসে কয়েক কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে মের্সাস এস কনস্ট্রাকশন নামক ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান।
সরেজমিন অনুসন্ধানে সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার উপর জোত্বরঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,সিরাজগঞ্জ বেলকুচি চৌহালী উপজেলার একটি রাজনীতি দলের পরিচয় দিয়ে কিছু লোকজন জোর পুর্বক ও উদ্দেশ্য প্রমোদিত ভাবে মের্সাস এস কনস্ট্রাকশন এর বৈধ মালিকানাধীন ৫০ টির অধিক বাল্কহেড জোর করে নদীর তীর বেঁধে রেখেছে।
তারা উক্ত সরকারি চ্যানেল ব্যাবহারে নৌযান গুলোকে সরাসরি বাঁধা প্রদান করে উক্ত নৌপথে সরাসরি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে বলেও অভিযোগ করেন মের্সাস এস কনস্ট্রাকশন কতৃপক্ষ।
এ বিষয়ে আইন বলে, এ ক্ষমতা কেবল সরকার নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের। যদি কোনো ব্যক্তি যদি নৌপথে বাধা সৃষ্টি করে বা নৌচলাচল ব্যাহত করে—তা দণ্ডনীয় অপরাধ।অর্থাৎ ব্যক্তিগতভাবে চ্যানেল বন্ধ/বাধা দেওয়া অপরাধের মধ্যে পড়ে।
নিচে প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারাগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:জেলা প্রশাসন নোটিশ/আদেশ জারি করে অস্থায়ীভাবে রুট পরিবর্তন বা নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে। কোনো ব্যক্তির নিজ উদ্যোগে চ্যানেল বন্ধ করার আইনগত ক্ষমতা নেই।
মের্সাস এস কনস্ট্রাকশনের দাবি, আমাদের আবদ্ধকৃত বৈধ বালহেড গুলো অবমুক্ত করে, বৈধ চ্যালেনগুলো দ্রুত চালু করার জোর দাবি জানান তারা।
এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি তবে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।
যমুনার বিআইডব্লিউটিএর চ্যানেলে পেশিশক্তি'র দ্বারা বৈধ নৌযান চলাচলে বাঁধা
যমুনার বিআইডব্লিউটিএর চ্যানেলে পেশিশক্তি'র দ্বারা বৈধ নৌযান চলাচলে বাঁধা
সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার উপর দিয়ে বহমান বিআইডব্লিউটিএর যমুনা নদীর চ্যানেলে নদী ভাঙ্গনের অযুহাতে প্রায় ১ মাস যাবত একটি প্রভাবশালী মহল পেশিশক্তি ব্যবহার করে জোর পুর্বক বৈধ লাইসেন্স ধারী নৌযান চলাচলে বাধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে ও স্থানিয় একটি স্বার্থান্বেষী লোকজনের বিরুদ্ধে। উক্ত নৌরুটে বৈধ নৌযান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারনে প্রায় এক মাসে কয়েক কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে মের্সাস এস কনস্ট্রাকশন নামক ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান। সরেজমিন অনুসন্ধানে সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার উপর জোত্বরঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,সিরাজগঞ্জ বেলকুচি চৌহালী উপজেলার একটি
রাজনীতি দলের পরিচয় দিয়ে কিছু লোকজন জোর পুর্বক ও উদ্দেশ্য প্রমোদিত ভাবে মের্সাস এস কনস্ট্রাকশন এর বৈধ মালিকানাধীন ৫০ টির অধিক বাল্কহেড জোর করে নদীর তীর বেঁধে রেখেছে। তারা উক্ত সরকারি চ্যানেল ব্যাবহারে নৌযান গুলোকে সরাসরি বাঁধা প্রদান করে উক্ত নৌপথে সরাসরি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে বলেও অভিযোগ করেন মের্সাস এস কনস্ট্রাকশন কতৃপক্ষ। এ বিষয়ে আইন বলে, এ ক্ষমতা কেবল সরকার নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের। যদি কোনো ব্যক্তি যদি নৌপথে বাধা সৃষ্টি করে বা নৌচলাচল ব্যাহত করে—তা দণ্ডনীয় অপরাধ।অর্থাৎ ব্যক্তিগতভাবে চ্যানেল বন্ধ/বাধা দেওয়া অপরাধের
মধ্যে পড়ে। নিচে প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারাগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:জেলা প্রশাসন নোটিশ/আদেশ জারি করে অস্থায়ীভাবে রুট পরিবর্তন বা নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে। কোনো ব্যক্তির নিজ উদ্যোগে চ্যানেল বন্ধ করার আইনগত ক্ষমতা নেই। মের্সাস এস কনস্ট্রাকশনের দাবি, আমাদের আবদ্ধকৃত বৈধ বালহেড গুলো অবমুক্ত করে, বৈধ চ্যালেনগুলো দ্রুত চালু করার জোর দাবি জানান তারা। এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি তবে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত